ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 January 2017, ১৩ মাঘ ১৪২৩, ২৭ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা গ্রেফতার ২

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : গত ইউপি নির্বাচনের বিরোধের জের ধরে বড়মাছুয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. কাইয়ুম হাওলাদার (৩৫) কে খুনের উদ্দেশ্যে গতকাল সোমবার রাতে প্রতিপক্ষরা ধারালো অস্র দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। গুরুতর আহত কাইয়ুম হাওলাদারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে আহতের ভাই আব্দুল হালিম বাদী হয়ে সন্ত্রাসী টোকাই জুয়েল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান নিজামসহ ১৪জনকে আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এঘটনায় এজাহার ভুক্ত আসামী মোঃ মামুন ফকির (৩৫) ও নয়ন হাওলাদার (২৭) কে গ্রেফতার করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করেছে।
মামলাসূত্রে জানাযায়, উপজেলার বড়মাছুয়া ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাইয়ুম হাওলাদার গত ইউপি নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করায় তার প্রতিপক্ষরা এর বিরোধীতা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ইউপি চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে কাইয়ুম প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিল। এতে প্রতিপক্ষরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে কাইয়ুমের কাছে ২লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১”শ গজ দূরে মঠবাড়িয়া-বড়মাছুয়া সড়কে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রসীরা তার গতিরোধ করে। পরে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্্রদিয়ে এলাপাথারি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
মঠবাড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় কোন্দলের কারনে এঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ