ঢাকা, রোববার 29 January 2017, ১৬ মাঘ ১৪২৩, ৩০ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শপথ গ্রহণের মাত্র ৯ দিনের মাথায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে অপরিপক্ব জল্পনা-কল্পনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাসাধিককাল আগে থেকেই আমি ঐ নির্বাচন সম্পর্কে লেখা থেকে বিরত ছিলাম। কারণ তখন বাংলাদেশে এই ইলেকশন নিয়ে এমন ধরনের প্রচারণা শুরু হয়েছিল যে, মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ যেন এই ইলেকশনে একটি পক্ষ নিয়েছে এবং সেটা সুস্পষ্টভাবে হিলারী ক্লিনটনের পক্ষে এবং ট্রাম্পের বিপক্ষে। বিষয়টিকে এভাবে ধরা যায় যে, বাংলাদেশের মিডিয়া এবং পলিটিশিয়ানদের বিপুল অংশ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এবং রিপাবলিকানদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই বিষয়টি আমার মোটেই ভালো লাগেনি। কারণ মার্কিন ইলেকশনে আমরা অর্থাৎ বাংলাদেশ কেন কোনো পক্ষ নিতে যাব? আমার ব্যক্তিগত মতে আমেরিকা হোক, ইংল্যান্ড হোক বা ভারত হোক, তাদের নির্বাচনে আমরা অর্থাৎ বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নিউট্রাল থাকবো। নির্বাচনের পর যে দল বা যে ব্যক্তি ক্ষমতায় আসবেন তাদের সাথেই আমরা কাজ করব। ভারতের ক্ষেত্রে এ দেশের একশ্রেণির, বিশেষ করে বাম ও সেক্যুলার ঘরানার লোকেরা প্রায়শই বলে থাকেন যে, ভারতের সরকারের সাথে নয়, জনগণের সাথে আমাদের সম্পর্ক। ভারত আমাদের পাশের বাড়ি তাই তাদের ক্ষেত্রে একথা বলে পার পাওয়া যায়। কিন্তু আমেরিকার ক্ষেত্রে কি একথা বলে পার পাওয়া যায়? যারা হাজার হাজার মাইল দূরে, আটলান্টিকের ওপারে অবস্থিত, যাদের সাথে ভাষা, ধর্ম, বর্ণ, সংস্কৃতি কোনোদিক দিয়েই মিল নেই, তাদের ক্ষেত্রে সম্পর্ক হবে গভর্নমেন্ট টু গভর্মেন্ট। সেখানে বাংলাদেশের জনগণ এবং মার্কিন জনগণের মধ্যে সম্পর্কের কথা যদি কেউ বলে তাহলে সেটা করে নেহায়েত হাইপোথেটিক্যাল বা থিওরেটিক্যাল ব্যাপার।
যাই হোক, মার্কিন নির্বাচন হয়ে গেল। আমাদের সম্পূর্ণ পলিটিক্যাল প-িতদের পা-িত্য মিথ্যা প্রমাণিত হলো। এই ‘সংগ্রামে’ও আমি ইলেকশনের অন্তত দুই মাস আগে এই কলামে লিখেছিলা যে, হিলারী যে জিতবেনই এমন গ্যারান্টি তারা পেলেন কোথায়? বরং ট্রাম্পের দিকেই যে পাল্লা ভারী হতে পারে সে রকম পূর্বাভাস আমি দিয়েছিলাম। আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যক্তি হয়েও বলছি যে, মার্কিন নির্বাচনের জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি আমাদের দেশে অনেকে ধরতে বা বুঝতে পেরেছেন বলে মনে হয় না। আর সেটি হলো ইলেক্টোরাল কলেজ বা নির্বাচকমন্ডলী। নির্বাচকমন্ডলীর মূল সূর হলো The wniner takes it all অর্থাৎ যে অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল আসনে যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করবেন, তিনি অবশিষ্ট সবগুলো আসনে জয়লাভ করেছেন বলে ধরে নিতে হবে। সেজন্যই দেখা যায় যে, পপুলার ভোটে হিলারী ২০ লাখ ভোটে এগিয়ে থাকলেও চূড়ান্ত বিচারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন।
ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর আরেকটি সিলি ব্যাপার  দেখা গেল এই বাংলাদেশে। অনেক দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে বলতে শোনা গেল যে, এটাই শেষ নয়। যখন ইলেক্টোরাল কলেজের মেম্বাররা ভোট দেবেন তখন হয়তো তারা ট্রাম্পকে ভোট নাও দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে হিলারীই প্রেসিডেন্ট হবেন। এসব কথা শুনে আমার মনে হলো যে, আমি হাসব না কাঁদব। সেই সাথে মনে পড়ল একটি ইংরেজি কথা। সেটি হলো If wishes were horses কিন্তু সেটি তো আর হবার নয়। ওরা জানেন না যে, যারা ইলেক্টোরাল কলেজের মেম্বার নির্বাচিত হন তাঁরা কিন্তু জনগণের কাছে সুস্পষ্ট ওয়াদা করেন যে, নির্বাচকমন্ডলীর সদস্য হলে তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দেবেন। সুতরাং যে প্রার্থীকে ভোট দেয়ার ওয়াদা করে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, সেই ওয়াদা থেকে তার সরে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
॥ দুই॥
যাই হোক, ট্রাম্প জিতলেন এবং দেখা গেল যে, যাদের ভোট তাঁর পাওয়ার কথা ছিল না, তাদের ভোটেই তিনি জিতে গেলেন। যেমন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অনেক প্রচারণা হলো। এমন একটি ধারণা দেয়া হলো যে, মহিলারা তাকে ভোট দেবেন না। কিন্তু দেখা গেল, তিনি মহিলাদের ভোটই শুধু পাননি, রীতিমতো ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। সুতরাং পলিটিক্যাল পন্ডিতদের পূর্বাভাস এখানে সঠিক হলো না। বলা হলো যে, তিনি হিস্প্যানিকদের ভোট পাবেন না। অথচ ওরা ১৪%। ট্রাম্প মেক্সিক্যানদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেন। ওদেরকে দেশ ছাড়া করার ওয়াদা করেন। মেক্সিকো সীমান্তে বেড়া দেয়ার ওয়াদা করেন। বলেন যে, সেই বেড়ার খরচও মেক্সিক্যানদেরকেই বহন করতে হবে। তার এই অবস্থান জাদুর মতো কাজ করল। তিনি হিসপ্যানিকদের ভোট পেলেন। যেটা নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের জন্য তুরুপের তাস হিসেবে কাজ করেছে, সেটা হলো, I shall make America great again. আমি আমেরিকাকে আবার মহান বা বড় বানাবো। কিভাবে বড় বানাবেন? সেটা হলো তাদের মাঝে হাজার হাজার চাকরি সৃষ্টি করবেন। এর আগে বিল ক্লিনটন যে পলিসি অনুসরণ করেছিলেন তার ফলে আমেরিকার অনেক ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ হয়ে যায়। অসংখ্য লোক চাকরি হারান। হতে পারে, অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বাইরের দুনিয়ার চেয়ে আমেরিকার ঘরের ভেতরেই বেশি নজর দিয়েছিলেন। সেই পলিসির ডিভিডেন্ড তিনি পেয়েছেন। শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের ভোট তিনি পেয়েছেন ৭৩%। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরও তার নিস্তার নেই। তার শপথ নেয়ার আগেই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেল, শপথ নেয়ার পর তিনি কি করবেন, আর কি করবেন না। এমনও বলা শুরু হলো যে, তিনি একজন উন্মাদ। তাঁর মেয়াদকালে তিনি একটি বিশ্বযুদ্ধ বাঁধিয়ে ফেলতে পারেন। ট্রাম্পের পক্ষে বা বিপক্ষে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তিনি আমেরিকাকে গ্রেট বানাতে পারবেন কিনা, সেটাও বলতে পারবে অনাগত ভবিষ্যৎ। কিন্তু এত সকালে তাকে নিয়ে এতো গবেষণার কি আছে? যখন এই লেখা ছাপা হবে তখন তার অভিষেকের মাত্র ৮ দিন গত হয়েছে। অন্তত তিনটা মাস সময় দিন। এরমধ্যে দেখা যাক, তিনি কি করেন।
আমার কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা। মনে হচ্ছে তিনি অত্যন্ত প্র্যাগমেটিক, অর্থাৎ বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন একজন মানুষ। দেখুন তো, তিনি কোথা থেকে কোথায় উঠে এসেছেন।তিনি একজন ব্যবসায়ী, ধনকুবের। এমন ব্যবসায়ী ও ধনকুবের তো সেখানে আরো অনেকে আছেন। প্রথমত ভাবা হয়েছিল যে ট্রাম্প রিপাবলিকানদের নমিনেশনই পাবেন না। সত্যি বলতে কি, পৃথিবী তো দূরের কথা, খোদ আমেরিকারও কেউ ভাবতেই পারেননি যে, যে লোক কোনোদিন রাজনীতির ত্রিসীমানা মাড়াননি, তিনি কোনোদিন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নমিনেশন পাবেন।অথচ সেটিই হয়ে গেল।তিনি অনেক বাঘা বাঘা ক্যান্ডিডেটকে কুপোকাত করে নমিনেশন পেলেন। তাহলে তাকে ডাফার বলবেন কি করে?  তার ভেতরে নিশ্চয়ই এমন কিছু আছে যার জন্য ভোটাররা এবং দলের নেতারা তাকে নমিনেশন দিলেন।
তারপর দেখুন, এই ইলেকশনের ব্যাপারটি। শুধু আমেরিকা নয়, দুনিয়া জোড়া কত জরিপ, কত পূর্বাভাস। হিলারী জিতে যাচ্ছেন। ইলেক্টোরাল ভোটের ব্যবধান ১০ থেকে ১২, ক্ষেত্র বিশেষে ১৬ থেকে ১৮। কিন্তু চূড়ান্ত পরিণামে কি দেখা গেল? অন্তত ৮০টি ভোটের ব্যবধানে ট্রাম্প হিলারীকে কুপোকাত করলেন। একটি নয়, দু’টি নয়,তিন তিনটি ন্যাশনাল ডিবেটে হিলারী ট্রাম্পকে পরাস্ত করে বলে ঝানু সব সঞ্চালকরা রায় দিলেন। আরও বললেন যে, এসব ডিবেটের মাধ্যমে ইলেকশনের দৌড়ে হিলারী আরও অনেক দূর এগিয়ে গেলেন। কিন্তু কি হলো? দেখা গেল, ওস্তাদের মার শেষ রাতে। সুতরাং যেভাবে ট্রাম্পকে চিত্রিত করা হয়েছে, ট্রাম্পের চিত্র সে রকম নয়। তিনি আসলেই অসাধারণ ধূর্ত এবং অসাধারণ প্র্যাগমেটিক একজন মানুষ।
॥ তিন॥
এখন আবার বাংলাদেশী পত্র-পত্রিকায় শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি কি হবে? অন্য এক ধরনের ভাষ্যকার জল্পনা-কল্পনা করছেন, এই উপমহাদেশের প্রতি তার পলিসি কি হবে? আবার বাংলাদেশের বিশেষ এক ঘরানা গবেষণা শুরু করেছেন, বাংলাদেশের প্রতি ট্রাম্পের এ্যাটিচুড কি হবে? স্বীকার করছি যে, এই ধরনের জল্পনা-কল্পনা বা গবেষণাকে অস্বাভাবিক বলা যাবে না। কিন্তু আমার সেই একই প্রশ্ন : এ ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী বা পূর্বাভাস দেয়ার সময় কি এত সকালেই এসেছে? এগুলো কি প্রিম্যাচিউরড্ বা অপরিপক্ব নয়? এসব গবেষণার আগে প্রথম দুইদিনে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের কয়েকটি পদক্ষেপ দেখুন :
 প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের মাত্র ৫ ঘণ্টার মধ্যে তিনি তার পূর্বসূরী বারাক ওবামার স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি বাতিল করার নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এই স্বাস্থ্যসেবা ‘ওবামা কেয়ার’ হিসেবে পরিচিত। নির্বাহী আদেশে সই করলেও এই নীতি রাতারাতি বাতিল হবে না। এটি পর্যায়ক্রমে বাতিল হবে। দ্বিতীয়ত অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে যারা ক্রিমিনাল, অর্থাৎ অপরাধী হিসেবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই নির্দেশের ফলে এটি স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদেরকে বিতাড়িত করার যে ওয়াদা তিনি নির্বাচনকালে করেছেন তার প্রক্রিয়া তিনি শুরু করেছেন। সেটি কতখানি কার্যকর হবে, আংশিক নাকি সম্পূর্ণ, সেটি এখন সময়ের ব্যাপার।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি একাধিকবার বলেছেন যে, রাশিয়ার সাথে তিনি সম্পর্কের উন্নতি ঘটাবেন। শপথ গ্রহণের পরেও তিনি সেই কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষানীতি পুনর্বিবেচনা করবেন, বাণিজ্য চুক্তিসমূহের রিভিউ করবেন এবং ক্ষেত্র বিশেষে বাতিল করবেন। মেক্সিক্যানদের বিরুদ্ধে হার্ডলাইন গ্রহণের কথা শপথ গ্রহণের পরেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তার পূর্বসূরী বারাক ওবামা যে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি নীতি অনুসরণ করেছিলেন, সেখান থেকে তিনি সরে আসার ওয়াদা করেছেন। সিরীয় শরণার্থীদের নিয়ে ওবামা যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন, সেটি তিনি স্থগিত রাখবেন বলেছিলেন। ওপরে সেযসব পলিসি শিফট বা নীতি পরিবর্তনের কথা বলা হলো, শপথ গ্রহণের পর সে সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি। অবশ্য বলার সময়ও আসেনি।
তবে পররাষ্ট্রনীতির ব্যাপারে সমগ্র বিশ্ব দুইটি ইস্যুর দিকে উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একটি হলো ওবামা ইরানের সাথে যে পরমাণু চুক্তি করেছেন সেটা তিনি বাতিল করবেন কিনা। আরেকটি হলো গণচীনের সাথে বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি কড়াকড়ি আরোপ করবেন কিনা। আমেরিকায় চীন থেকে যেসব পণ্য আমদানি করা হয় তার ওপর তিনি অন্তত ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তিনি আরো বলেছেন যে, তাইওয়ানের সাথে তিনি সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করবেন। তাহলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কি আমেরিকার সেই আগের নীতি, অর্থাৎ ‘দুই চীন’ নীতিতে ফিরে যেতে চান? যদি তাই হয় তাহলে সেটা বিশ্ব রাজনীতিতে সুদূর প্রসারী প্রভাব ফেলবে। এর সাথে জড়িত রয়েছে আমেরিকার ভারত নীতি। চীনের সাথে সম্পর্কের টানাপড়েন হলে আমেরিকার ভারতকে কাছে টানতে হবে। বিল ক্লিনটন থেকে শুরু করে বারাক ওবামা পর্যন্ত প্রো-ইন্ডিয়ান পলিসি অনুসরণ করছে আমেরিকা।আগের মতো ট্রাম্পও যদি চীনকে মোকাবিলা করার জন্য ভারত বান্ধব পলিসি অনুসরণ করেন তাহলে বাংলাদেশ হবে ‘কেয়ার অব ইন্ডিয়া’।
ঐদিকে রয়েছে ইরান। বারাক ওবামা ইরানের সাথে অতীতের তিক্ততা মুছে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর ফলে আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরব নাখোশ হয়েছিল। এখন যদি ইরানের সাথে আমেরিকা পরমাণু চুক্তি বাতিল করে তাহলে সৌদি আরবের বিষণ্ন মুখ প্রসন্ন হবে। কোন দিকে যাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? আরো প্রশ্ন আছে, ন্যাটোর সাথে সম্পর্ক কি চুকেবুকে যাবে? তাহলে পশ্চিম ইউরোপের সাথে সম্পর্ক কোথায় গিয়ে ঠেকবে?
এই ধরনের অনেক প্রশ্নই আছে। মাত্র ৯ দিনের মাথায় এতগুলো এবং এতসব গুরুতর প্রশ্নের জবাব মেলা অসম্ভব। সেজন্য বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসীকে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ