ঢাকা, রোববার 29 January 2017, ১৬ মাঘ ১৪২৩, ৩০ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নদী সিকস্তি উপকূলীয় জনপদের সেকাল-একাল

অধ্যক্ষ ডা. মিজানুর রহমান : [দুই]
জোর যার মুল্লুক তার, জাল যার জলা তার এই নিয়মে চলছে চরাঞ্চলের পানি ও জমির দখল স্বত্ব। ফলে এক শ্রেণীর টাউট বাটপারদের দাপটে লাখ লাখ নিরীহ চইরা বাসিয়া নানা রকম কৃত্রিম দুর্ভোগ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ছেন।
৯০ এর দশকে বগুড়া সরিয়াকান্দী ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ-ইসলামপুুর উপজেলার নদী উপকূলীয় আন্তঃজেলা সীমানা দখল নিয়ে এক ঘটনায় সারিয়াকান্দী উপজেলার চালুয়াবাড়ি ও মাদারগঞ্জ উপজেলার নব্যরচর বাসিদের মাঝে একটি সংঘর্ষ হয়, এতে ৪৩টির পরিবারের বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে সবকিছু পুরে ছাই করে দেওয়া হয়। লুটপাট করে নিয়ে যায় গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী, অলংকার ও টাকা পয়সা। দুষ্কৃৃতিকারীরা মানিক দাইড় ও টেংরা কুড়ার অধিবাসিদের ধান ভাংঙ্গানোর ঢেঁকি পর্যন্ত লুট করে নিয়ে যেতে ভোলেনি।
রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলা ও ঢাকা বিভাগের জামালপুর জেলার মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদীর উপকূলীয় সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ১৯১১-১২, এবং ১৯২১-২৪, ১৯৮৭ খ্রিঃ ২১শে মে মন্ত্রী পরিষদের সচিবের সভাপত্বিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলা সরকারের ১৯১১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অনুসারের সংশোধিত আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে সি এস জরিপের বিষয়টি নির্ধারণের চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়। এতে জামালপুর পশ্চিম ও বগুড়া পূর্ব আন্তঃজেলা বরাবর সীমা রেখা চি‎িহ্নতকরণ এবং রেখা বরাবর সীমান্ত পিলার স্থাপনের বিষটি বাস্তবায়ন করা হয়। ফলে দীর্ঘ দিন যাবৎ সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে যে সকল দাংগা হাংগামা, অগ্নিসংযোগ, খুন খারাবী, লুট পাট, অপহরণ ও মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল তা মোটামোটিভাবে যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু সে অঞ্চলে নতুন করে আবার সীমান্ত বিরোধ দেখা দিয়েছে। যে কারণে বিভাগীয় মানচিত্রের আলোকে জেলা সীমান্ত চি‎হ্নিত করণে নতুন করে মাপঝোক শুরু করেছে সরকার।
দেশের যমুনা ব্রক্ষপত্র বিধৌত আন্তঃজেলা সীমাস্তবর্তী চরাঞ্চলে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি এসব এলাকা ঘুরে জানা যায় বর্ষাকালীন কয়েক বছরে শতাধিক সম্পদশালী ঐতিহ্যবাহী বড় বড় বাড়িতে ডাকাতি ধন-সম্পদ লুট-পাট, হত্যা,গুম, গরু চোরদের উপদ্রবে শতশত পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে। বেড়ে গেছে মাদক দ্রব্য চোরাচালান এবং হামলা, মামলা।
শুষ্ক মৌসুমে এই সব জেলার বিভিন্ন উপজেলার নদী পথ ও দুর্গম চরাঞ্চলে চলে অস্ত্র, মাদক, ডিজেল ও বিভিন্ন অবৈধ দ্রব্য ও পণ্যসামগ্রীর রমরমা ব্যবসা। আইন শৃংখলা বাহিনীর নাগালের বাইরে অতি সহজেই এসব বেআইনী কর্মকাণ্ড ইদানিং বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা সদরের দাগী আসামীরা নিরাপদে চরাঞ্চলে গা ঢাকা দিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।
বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ জেলার-সদর উপজেলা, কাজীপুর, এনায়েতপুর, চৌহালি, সাহজাদপুর, বেলকুচি, উপজেলায়। বগুড়া জেলার-সারিয়াকান্দি, ধুনট, গাবতলী উপজেলায়। গাইবান্দা জেলার-সদর উপজেলা, ফুলছড়ী, সাঘাটা উপজেলায়। কুড়িগ্রাম জেলার সদর, রাজিবপুর, রৌমারি, ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, উলিপুর, চিলমারী উপজেলায়। টাঙ্গাইল জেলার-ভূয়াপুর, গোপালপুর, ধনবড়ী, দেলদুয়ার, নাগরপুর উপজেলায়। জামালপুর জেলার-দেওয়ানগঞ্জ, মাদারগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, সরিষাবাড়ি উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ন গুলতে। ফলে যমুনা নদী ও ব্রক্ষপত্র নদসহ এর শাখা প্রশাখার নদ-নদীর চরাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদচারণা নিয়মিত না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়ে জনজীবনে নানা দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে এসব বিষয়ে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ব্যাপক আলোচনা ও পর্যালোচনার পর কাগজে কলমে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও বিষয়গুলো সুরাহা বা উন্নতির কার্যকরী পদক্ষেপ অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির কারণে সম্ভব  হয়ে ওঠে না। ফলে নানা রকম দুর্ভোগ ও জন নিরাপত্তার হুমকির মধ্যে দিয়েই দুর্গম চরবাসীদের দিনের পর দিন বসবাস করতে হয়।
এ বিষয়ে বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্জদের সাথে আলাপকালে তারা জানান আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা আন্তরিক, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতির কারণে ঐসব দুর্গম এলাকায় ত্বরিত ভূমিকা রাখা সম্ভব হয় না। তবে তাৎক্ষণিক মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে আমরা নদী পথে বা স্থল পথে অভিযান চলাতে চেষ্টা করে থাকি।
বিগত ২০ বছরে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যমুনা নদী ভাংগন ও বন্যায় এ সব জেলার মানচিত্র পাল্টে গেছে। স্থায়ী বা কাইম এলাকা নদী ভাঙ্গনের ফলে বিস্তীর্ণ জনপদ জেলা সদর ও থানা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। এসব চরাঞ্চলের যাতায়াতের একমাত্র বাহন হলো নৌকা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নৌকা যোগে ঐসব এলাকায় পৌঁছাতে সময় লাগে ৫/১০ঘণ্টা। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ঐসব ভয়াবহ এলাকায় পুলিশ বাহিনীর স্বল্প সংখ্যক সদস্য চরাঞ্চলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গম এলাকায় সড়ক ও নৌপথে যেতে অনীহা প্রকাশ করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, ফলে এই সব চরাঞ্চলের অধিবাসীরা ভয়াবহ আতংকে দিনাতিপাত করেন। এছাড়া খড়া, বন্যা, ঝড়, সাইক্লোন, নদী ভাঙ্গন এর কারণে অভাবে দরিদ্রতা, পুষ্টিহীনতা, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, সেনিটেশনের অভাব ও কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে ঋণগ্রস্ত হয়ে অধিক সুদে টাকা ঋণ নিতে হয়। ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ভিটেমাটি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে হাজার হাজার পরিবার এলাকা ছেড়ে নদী তীরবর্তী বাঁধে অথবা সরকারি খাস জমিতে ঝুপড়ি বেঁধে সন্তান স্ত্রী পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়।
মুষ্টিমেয় ভাল মানুষ প্রথমে এদের সহায়াতায় এগিয়ে এলেও সে পথ এখন রুদ্ধ প্রায়। এসব এলাকার নির্যাতিত বঞ্চিত মানুষেরা থানায় যোগাযোগ করলেও থানা কর্তৃপক্ষ অনেক সময় বলে থকেন এটাতো এই থানার এলাকা নয়। তা ছাড়া প্রয়োজনীয় ফোর্স নেই, সেলো নৌকা নেই, নৌকার ড্রাইভার নেই, রাত্রিবেলা যাতায়াত সম্ভব নয়, তেল নেই ইত্যাদি বাহানা করে দায় সারতে চায় বলে এলাকা বাসী অভিযোগ রয়েছে।
বগুড়া জেলার সরিয়াকান্দি উপজেলার দুর্গম এলাকা চালুয়া বাড়ি ইউনিয়নের মানিক দাইড় চরে গত ৫ বছরে অন্তত ৬ বার ডাকাতির ঘটনায় শতশত গরু ডাকাতি হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার চর গিরিশ ইউনিয়নের যমুনা নদী তীরবর্তী নাটুয়ার পাড়া বৃহৎ হাটে সপ্তাহে দু’বার হাট বসে। এই হাটে ৫-৭টি জেলার চরবাসীরা তাদের উৎপাদিত শস্য সামগ্রীসহ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া বিক্রি করে নৌ যোগে বাড়ি ফেরার পথে নৌ ডাকাতদের কবলে পড়ে হাটুরেদের অনেকের জীবন অবসানসহ সর্বস্ব হারাতে হায়েছে।
এবারের বর্ষার পর ৭ টি জেলার অন্তত ১৫শ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বালু চর পড়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশের সাথে নেী যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ১৯৯০ সালের পর যমুনা নদীর নাব্য সংকটের কারণে ফেরি সার্ভিসগুলো বন্ধ হওয়ায় অল্প সময়ে স্বল্প ব্যয়ে যাত্রী পারাপার, কৃষি পণ্য সামগ্রি, ডিজেল, সার সরবরাহ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন করা মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে।
২০০০ সালের পর থেকে উত্তরাঞ্চলের একমাত্র বড় নদী যমুনাতে ড়–রু হয়েছে নাব্য সংকট। বিগত পনের বছরে এই সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুকনো মৌসুমে লঞ্চ-ফেরি তো দূরের কথা, এসব এলাকায় এখন নৌকাও চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম জেলা পর্যন্ত যমুনা নদীতে নৌকা ঘাট ছিল প্রায় দেড় শতাধিক। পানির স্বল্পতাহেতু চর ও ডুবো চর পড়ায় নৌকা চলাচল করতে নাপারায় ঘাটগুলোর বেশীর ভাগই বর্তমানে বন্ধ হয়ে পড়ছে। ফলে নদী উপকূলীয় ১০ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সাথে নদীপথে যাতায়াত ও যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট ও গাইবান্ধার বালাসীঘাট এবং জামালপুরের জগন্নাথগঞ্জ ঘাট ও সিরাজগঞ্জে ঘাটের মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে ফেরি চলাচল প্রায় ১৫ বছর যাবত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে রেল পথে উত্তরাঞ্চলে জেলাগুলোতে নৌপথে পরিবহন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বেড়েছে চরম ভোগান্তি।
ব্রিটিশ সকরার ১৯৩৮ সালে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি লক্ষে যমুনা নদীতে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট ও গাইবান্ধার তিস্তামুখ ঘাট এবং জামালপুরের জগন্নাথগঞ্জ ঘাট ও সিরাজগঞ্জে ঘাটের মধ্যে ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা করে ছিলো। ফলে দেশের পূর্বাংশে রাজধানী ঢাকা সহ চট্টগ্রাম, সিলেট বিভাগের সাথে দেশের পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগের সাথে রেল পথে অল্প খরচে নিরাপদে সল্প সময়েই মালামাল সহ যাত্রীসাধারণ যাতায়াতের পথ সুগম হয়ে ছিলো।
যমুনা সেতু নির্মাণের পূর্ব পর্যন্ত এদেশের ৪৫টি জেলার মানুষ রেলওয়ের সুবিধা ভোগ করছিলো। কালের বিবর্তনে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব জনিত কারণে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় নদী পথে সহজ লভ্য পরিবহন ও যোগাযোগ অনেক অংশে পরি সমাপ্তি ঘটার পথে। স্মরণকালের বিলাস বহুল রেলওয়ে ও স্টিমার যাত্রা এখনো কোটি মানুষের অন্তরে দাগা দেয়।
বিগত ১৯৮৫-২০১৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৩১ বছরে পর্যটক হিসেবে আমি দেশের উত্তরাঞ্চলের নদী উপকূলীয় উপজেলা ও জেলায় ভ্রমণ করেছি। এ সময় জনপ্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং ঐ সব এলাকার সাধারণ চর বাসিদের সাথে কথা হলে তারা আমার নিকট তাদের জীবন জীবিকার বিষয়ে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেন। এতে করে চরবাসিদের জীবন প্রবাহের নানারকম বিচিত্র অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সক্ষম হই। বিশেষ করে বন্যা, খরা কবলিত নদী সিকস্তি জনপদের চরবাসিদের গত ২০ বছরের ব্যবধানে প্রচলিত গ্রামীণ লোক সংস্কৃতিতে দারুণ ভাটা পড়েছে। খেলা-ধুলা, গান বাজনা, মেলা, যাত্রা, পালাগান, ভাটিয়ালি গান, জারিসারি গান, পল্লি গীতি, ভাওয়াইয়া, পীর-মুর্সিদি, মারফতী, দেহতত্ব, কাওয়ালী, লালন সংগীত, কবি লড়াই, সহ নানা প্রকৃতির চিত্তবিনোদন মূলক সংস্কৃতিক চর্চা এখান আর আগের মতো নেই। অপর দিকে নৌকা বাইচ, বাউদ (দলবেঁধে মাছ ধরা) সাঁতার, লাঠিবারী, হাডুডু, দাড়িয়া বান্দা, গোল্লাছুট, ঘুড়ি উড়ানো, ঘোরদৌড়, গরু দৌড়, ইত্যাদি প্রতিযোগিতা মূলক গ্রামীণ লোক সংস্কৃতিক বিলুপ্তির পথে। ধর্ম সভা, ওয়াজ মাহফিল, ইসালে সাওয়াব, তরীকতের সামা, এখন আর আগের মতো জাঁক-জমকভাবে পালিত হয় না। আগের মতো জৌলুস নেই, নেই আনন্দ উল্লাস। সর্বোপরি আধুনিকতার সব রকম সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত এসব চরবাসীরা। এখনো গর্ভবতি মহিলা সহ জটিল রুগীদের সদর হাসপাতালে নিতে নিতে অসংখ্য রোগী মারা পড়ে। ডাক বিভাগের একটি চিঠি এখনও মালিকের হাতে পৌঁছতে সময় লাগে ১৫ থেকে ৩০ দিন। 
কাজেই একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় “৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে-বাংলাদেশ বাঁচবে এটি এখনো কথার কথা। এই বাণীর বাস্তবায়নে দেশের সরকার, সরকারী- বেসরকারী সংস্থা, বৈদেশিক সংস্থা, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, লেখক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র জনতা সহ সর্বস্তরের মেহনতি মানুষকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।
তাহলেই হাজী শরিয়তুল্লা, শাহ্ মাখদুম, তিতুমির, শাহ জালাল, শাহ কামাল, শাহ পরান, মাওলানা ভাসানী,  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ড. শহীদুল্লাহ, কবি নজরুল, কবি জসীম উদ্দিন, ইতিহাসবিদ আব্বাস আলী খান, প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান, প্রেসিডেন্ট এরশাদ, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের সোনার বাংলা সত্যিকারের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত হবে, একথা জোর দিয়ে বলা য়ায়। [সমাপ্ত]
লেখক : জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক

ইমেইল : [email protected]

mobile: no-01716-200470

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ