ঢাকা, বৃহস্পতিবার 2 February 2017, ২০ মাঘ ১৪২৩, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রণোদনা হিসেবে সোয়া দুই লাখ কৃষককে নগদ অর্থ দেবে সরকার

স্টাফ রিপোর্টার : প্রণোদনা হিসেবে দেশের সোয়া দুই লাখ কৃষক নগদ অর্থ পাবেন। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়াতেই সরকার কৃষকদের নগদ অর্থ দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারা দেশের ৬৪ জেলার কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা সহায়তা দেবে সরকার। চলতি অর্থবছরে দ্বিতীয়ার্ধে মোট ৩২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বিতরণ করা হবে। ২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮৮জন কৃষকের মাঝে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হবে। বিভিন্ন জাতের আউশ, সবজি, পাট, আখ, বালাইনাশক ওষুধসহ পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে এ প্রণোদনা দেয়া হবে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এসব তথ্য জানান। কৃষিমন্ত্রী জানান, উৎপাদন বাড়াতে উফশী আউশে ৫১ জেলায় ২৭ কোটি ১০ লাখ টাকা, নেরিকা আউশে ৪০ জেলায় ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা প্রণোদনা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, উফশী আউশ আবাদে প্রত্যেক কৃষক উপকরণ বাবদ এক হাজার ৩৫৫ টাকা এবং নেরিকা আউশ চাষে এক হাজার ৯৫০ টাকা করে পাবেন। প্রণোদনার কারণে অতিরিক্ত প্রায় ৭৭ হাজার টন চাল উৎপাদন হবে।

উফশী আউশ আবাদে দুই লাখ কৃষককে প্রতি বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার দেয়া হবে। আর সেচের জন্য দেয়া হবে ৪০০ টাকা।

বিঘা প্রতি নেরিকা চাষে ২০ হাজার কৃষককে ১০ কেজি বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার দেয়া হবে। সেচের জন্য ৪০০ টাকা এবং আগাছা দমনের জন্য ৪০০ টাকা দেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এ প্রণোদনার কারণে ৭৬ হাজার ৭৮৯ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, প্রতি কেজি ৩২ টাকা করে উফশী আমন চালের মোট বিক্রয় মূল্য হবে ২২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা। নেরিকায় চালের মোট মূল্য হবে ২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এ দুই জাতের চাল বিক্রিতে আয় হবে ২৪৫ কোটি ৫৩ লাখ।

মন্ত্রী আরও বলেন, পাট ফসলের প্রদর্শনী স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রতি বিঘা জমির জন্য এক কেজি বীজ, ২৫ কেজি ইউরিয়া, ৮ কেজি টিএসপি, ১০ কেজি এমওপি, ১৫ কেজি জিপসাম, একটি সাইনবোর্ড ও একটি রেজিস্টার বিনামূল্যে পাবেন কৃষকরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ