ঢাকা, বৃহস্পতিবার 2 February 2017, ২০ মাঘ ১৪২৩, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রায় ৪ মাস পর নিজ বাড়িতে ফিরলেন সিলেটের খাদিজা

কবির আহমদ, সিলেট : দেশে বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিস দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সিলেটের আউশায় নিজ বাড়িতে ফিরেছেন খাদিজা বেগম নার্গিস। বাড়ি ফেরার পর আত্মীয়স্বজনকে পেয়ে তাকে বেশ আনন্দিত মনে হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের পৈশাচিক হামলায় আহত খাদিজাকে দীর্ঘ প্রায় ৪ মাস পর ঢাকা থেকে গতকাল বুধবার সিলেটে নেয়া হয়েছে। 

গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটায় খাদিজার ভাই শাহীন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, ২টা ৩০ মিনিটে খাদিজাকে নিয়ে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। পরে ২টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরে থাকা বাবা মাসুক মিয়াকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন তারা। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গিয়ে পৌঁছান সিলেট সদর উপজেলার আউশায় গ্রামে। শত শত মানুষ খাদিজাকে এক নজর দেখতে পূর্ব থেকে সেখানে ভিড় করছিলেন। 

খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া বলেন, ডাক্তারদের অনেক অনুরোধ করে খাদিজাকে এক সপ্তাহের জন্য বাড়িতে আনা হয়েছে। এখানে কিছুদিন থাকলে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠতে পারে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষে বের হলে খাদিজা বেগম নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে আহত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম। এরপর প্রথমে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়। তারপর থেকে খাদিজা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এনা পরিবহনের ধাক্কায় সিলেটে যুবক নিহত : সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বারখলা গ্রামের সামনে ‘এনা পরিবহনে’র ধাক্কায় সৈয়দ পারভেজ আহমদ (২১) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করে বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলী ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বারখলাস্থ তারানা সিএনজি পাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারভেজ দাউদপুর গ্রামের সৈয়দ রানা আহমদের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পারভেজ সিলেট শহর থেকে মোটরাসাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী এনা পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় তারা এনা পরিবহনের বিরুদ্ধে শ্লোগান ও স্পীড ব্রেকারের দাবি করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা গাড়ী ভাংচুরের চেষ্ঠা চালালে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ গুলী ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ