ঢাকা, মঙ্গলবার 7 February 2017, ২৫ মাঘ ১৪২৩, ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কাজী ফিরোজ রশীদের দুর্নীতির মামলা চলবে

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনটি খারিজ হয়েছে। এর ফলে এই মামলার তদন্ত চলতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদকের কৌঁসুলি।
গতকাল সোমবার বিচারপতি মো.রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনটি উপস্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন।
গত বছরের ৫ এপ্রিল প্লট কেনায় অনিয়মের অভিযোগে দুদক ধানমন্ডি থানায় মামলাটি করে। এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কাজী ফিরোজ রশীদ হাইকোর্টে রিটটি করেন।
আদালতে কাজী ফিরোজ রশীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার ও শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল নজিবুর রহমান।
আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, প্লট কেনায় জালিয়াতির অভিযোগে দুদক মামলাটি করে। এর বৈধতা নিয়ে ফিরোজ রশীদের করা রিটটি উপস্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তদন্ত চলতে আইনগত কোনো বাধা নাই।
রাজধানীর ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়কে এক বিঘা জমি দখল করার অভিযোগে মামলা করা হয়। ১৯৭৯ সাল থেকে কাজী ফিরোজ রশীদ জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, এই জমির মালিক ছিলেন কানাডার সাবেক হাইকমিশনার মোহাম্মদ আলী। তিনি ১৯৭০ সালে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বেগম আলিয়া মোহাম্মদ আলী, ছেলে সৈয়দ মাহমুদ আলী ও মেয়ে সৈয়দা মাহমুদ আলীকে বাড়িসহ ওই জমি উইল করে দিয়ে যান এবং ওই বছর মে মাসে তাদের যৌথ নামে নামজারি হয়। এর কয়েক বছর পর কাজী ফিরোজ রশীদ ওই জমি অবৈধভাবে দখল করে ১৯৭৯ সালে ভুয়া দাতা বেগম আলিয়া মোহাম্মদ আলী ও সাক্ষী কাজী আরিফুর রহমানকে সাজিয়ে রেজিস্ট্রি করেন। জাল দলিল তৈরি করতে ওই সময়ের ঢাকার জেলা রেজিস্ট্রার এম আহমেদ তাকে সহযোগিতা করেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ