ঢাকা, মঙ্গলবার 22 October 2019, ৭ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

সাত খুন মামলা : আসামিদের নিয়মিত ও জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামিদের নিয়মিত ও জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ শুনানির জন্য আজ বুধবার এইসব আপিল গ্রহণ করে বলে আদালত সূত্র জানায়। এ মামলার পেপার বুক প্রস্তুতের পরই ডেথ রেফারেন্স ও এসব আপিলের ওপর শুনানি শুরু হবে। ইতোমধ্যে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সাত খুন মামলার পেপার বুক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুতে নির্দেশ দিয়েছেন।
নূর হোসেন ও আরিফ হোসেনের পক্ষে আইনজীবী লুৎফুর রহমান আপিল শুনানির জন্য গ্রহণের কথা সাংবাদিকদের জানান।
সাত খুন মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা, এমদাদুল হক (হাবিলদার), বেলাল হোসেন, আবু তৈয়ব, শিহাব উদ্দিন, এসআই সুনেন্দু বালা, পূর্ণেন্দু বালা, আসাদুজ্জামানূর, মূর্তজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান বিপু, আবুল বাশার ও রহম আলী হাইকোর্টে নিয়মিত আপিল ও জেল আপিল দায়ের করেছেন।
আজ বুধবার এসব আপিল হাইকোর্টের কার্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। আসামিদের আইনজীবীরা এ সব আপিল শুনানির জন্য গ্রহণে আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ।
চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলায় গত ১৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যৃদন্ড দিয়ে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন রায় দেয়। এ মামলার ৩৫ জন আসামির মধ্যে বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ৩৫ আসামির মধ্যে ১১ জন এখনো পলাতক।
গত ২২ জানুয়ারি ১৬৩ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। ওইদিনই পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি, জুডিশিয়াল রেকর্ড, সিডিসহ বিভিন্ন নথিপত্র (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পৌঁছে দেয় বিচারিক আদালত।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরদিন মেলে আরেকটি লাশ। নিহত অন্যরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম।
ঘটনার এক দিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ