ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 February 2017, ২৭ মাঘ ১৪২৩, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা কি মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন আদালতের

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় মুসলমানরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে কি না- সেই প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত।

ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশে সাতটি মুসলিমপ্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। আদালতের আদেশে গত সপ্তাহে ওই নিষেধাজ্ঞার একটি অংশ স্থগিত হয়ে যায়।

ফেডারেল কোর্টের ওই আদেশ বাতিল চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের করা একটি আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত শনিবার নাইন্থ সার্কিট আপিল কোর্ট নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের দাবি নাকচ করে দেয়।

আদেশে বলা হয়, পুরো আপিল শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিতই থাকছে। এ সপ্তাহের শেষ দিকে আপিল আদালত শুনানি শেষ করে রায় দিতে পারে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি। সিএনএন, রয়টার্স।

মঙ্গলবার এ মামলার শুনানিতে সানফ্রান্সিসকোর আপিল আদালতের তিন বিচারকের একজন রিচার্ড ক্লিফটন প্রশ্ন তোলেন- যেখানে বিশ্বের ১৫ শতাংশ মুসলমানের ওপর ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়বে, সেখানে ওই নির্বাহী আদেশকে মুসলমানদের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক কেন বলা হবে না।

বিবিসি লিখেছে, মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রায় এক ঘণ্টা শুনানি করেন আপিল আদালতের তিন বিচারক। তবে এ আদালতে যে রায়ই আসুক, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপক্ষ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পক্ষে যুক্তি দিয়ে শুনানিতে বলে, যুক্তরাষ্ট্রে কে প্রবেশ করতে পারবে আর কে পারবে না- তা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কংগ্রেসই প্রেসিডেন্টকে দিয়েছে।

আদালত এক পর্যায়ে জানতে চায়, যে সাত দেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে, অর্থাৎ ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেয়া ঝুঁকিপূর্ণ হবে- এমন ধারণার পক্ষে কোনো প্রমাণ আছে কি না।

জবাবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অগাস্ট ফ্লেন্তজে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কিছু সোমালীয় নাগরিকের সঙ্গে জঙ্গি দল আল-শাবাবের যোগাযোগ পাওয়া গেছে।

ওয়াশিংটন রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করা আইনজীবী নোয়াহ পুরসেন আদালতকে বলেন, প্রেসিডেন্টের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো ক্ষতি হয়নি।

বরং সরকারের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে এ রাজ্যের হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন, বহু শিক্ষার্থীর ওয়াশিংটনে ফেরা বিলম্বিত হয়েছে এবং অনেকে তাদের প্রবাসী স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না বলে যুক্তি দেখান ওই আইনজীবী।

শুনানির শেষ দিকে ট্রাম্পের এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা মুসলমানদের দূরে রাখার উদ্যোগ কিনা সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বিষয়টি এমন হলে সেটা অসাংবিধানিক হবে।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পক্ষে সোমবার রাতে জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ধর্মের প্রতি সম্মান জানিয়ে নিরপেক্ষভাবে’ ওই নির্বাহী আদেশ দেয়া হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের মুসলমানদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়ে দেয়া বক্তব্যের সমালোচনাও করেন ওয়াশিংটন রাজ্যের আইনজীবী পুরসেল।

তিনি আদালতে ট্রাম্পের উপদেষ্টা রুডি জুলিয়ানির একটি বক্তব্যের বিষয়েও উল্লেখ করেন। জুলিয়ানি বলেছিলেন, তাকে মুসলমানদের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার বৈধ একটি পথ খুঁজে বের করতে বলা হয়েছিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ক্লিফটন বলেন, ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা মাত্র সাতটি দেশের উপর এবং ওবামা প্রশাসন ও কংগ্রেস সন্ত্রাসী হামলার হুমকি বিবেচনায় ওই দেশগুলোকে সনাক্ত করে গেছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, “আপনি কি বলতে চাচ্ছেন, গত প্রশাসন ও কংগ্রেস ধর্মীয় দিক বিবেচনা করে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?”

জবাবে পুরসেল বলেন, “না, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলেছেন। যদিও এটা পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং এটা বৈষম্য।”

শুনানিতে বিচারকদের প্রশ্নবাণে আইনজীবীরা : সাত মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আদালতে যুক্তি-তর্ক চলার সময় তুমুল হট্টগোল হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের আইনজীবীদেরকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন তিন ফেডারেল বিচারপতি। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক যুক্তিতর্ক চলার সময় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়। 

সাত মুসলিম দেশে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে গোটা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে যে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে তা তুলে নেয়া হবে কি হবে না তা নির্ধারণে ফেডারেল আদালতে এ শুনানি চলছে। মঙ্গলবার এই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে মার্কিন বিচার বিভাগ। সান ফ্রান্সিসকো-ভিত্তিক নাইনথ্ ইউএস সার্কিট কোর্ট অব আপিলসে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করে ১৫ পৃষ্ঠার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নয় দাবি করে এটি ‘ প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার আইনসম্মত ব্যবহার’ বলে দাবি করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আবেদন জানানো হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের শুরু থেকেই আইনজীবীদের একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকেন বিচারকরা। শুরুতেই প্রশ্নের মুখে পড়েন বিচার বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের বিশেষ উপদেষ্টা অগাস্ট ফ্লেন্টজে। তিনি অভিযোগ করে বলে, ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারপতি জেমস রবার্ট অযথার্থভাবে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ স্থগিত করে নিজেকে জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুর সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছেন।

তিনি বলেন, ‘এটি একটি প্রচলিত জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিবেচনা ছিল কিন্তু আদালতের আদেশে তা বদলে গেছে।’

তখনই বিচারপতি মাইকেল ফ্রাইডল্যান্ডের প্রশ্নের মুখে পড়েন ফ্লেন্টজে। ফ্রাইডল্যান্ড জানতে চান, এ দেশগুলো যে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত সে ব্যাপারে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ আছে কিনা।

ফ্লেন্টজে বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তায় ঝুঁকির মাত্রা নিয়ে প্রেসিডেন্টের বিবেচনা এবং আমরা যে ঝুঁকির মাত্রার কথা বলছি তা ড্রিস্ট্রিক্ট কোর্ট পাত্তা দেয়নি।’

তখনই আবার প্রশ্নের মুখে পড়েন ফ্লেন্টজে। বিচারপতি ফ্রাইল্যান্ড তার কাছে প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কি আপনি দাবি করছেন যে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তটি আদালতের পর্যালোচনার দরকার ছিল না?’

কিছুক্ষণ থেমে হ্যাঁ সূচক জবাব দেন ফ্লেন্টজে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নিষেধাজ্ঞা জারি করা ৭ দেশ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, এমন অভিযোগের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে তথ্যপ্রমাণ আছে কিনা, তাও জানতে চেয়েছে আদালত।

এদিকে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকারী আইনজীবীকে একইরকমের কঠোর প্রশ্নের মুখে ফেলেন বিচারপতি রিচার্ড ক্লিফটন। মিনেসোটা ও ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যকে প্রতিনিধিত্বকারী ওই আইনজীবীর কাছে ক্লিফটন জানতে চান ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে যদি বিশ্বের মাত্র ১৫ শতাংশ মুসলিম ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে একে মুসলমানদের প্রতি বৈষম্যমূলক বলা যাবে কিনা।

উল্লেখ্য, গত ২৭ জানুয়ারি (শুক্রবার) এক নির্বাহী আদেশে তিন মাসের জন্য ৭ মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে স্থগিতাদেশ দেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলা হয়, এ সাত দেশের নাগরিকরা তিন মাস যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হল-ইরাক, ইরান, সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া, সুদান, সোমালিয়া। এই আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের ক্ষেত্রে মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মুসলিমদের বদলে খ্রিস্টান ও সংখ্যালঘুদের প্রাধান্য দেয়ার কথা বলা হয়। 

নির্বাহী আদেশের প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এবং বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হয় মুসলমানরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। সংস্কৃতি কর্মীরা এর প্রতিবাদ জানান। নোবেল বিজয়ী শিক্ষা অধিকারকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিষ্ঠাতা, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ট্রাম্পের এ নিষেধাজ্ঞাকে মুসলিমবিরোধী নিষেধাজ্ঞা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। 

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে অস্থায়ী স্থগিতাদেশ দেয় সিয়াটলের আদালত। ট্রাম্পের মুসলিমবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় সিয়াটলের সেই আদালতের দেয়া স্থগিতাদেশ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হয়। শনিবার শেষ রাতের দিকে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে তা পুনর্বহালের আবেদন জানায়। আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

খারিজের আদেশে আদালত জানিয়েছে, চূড়ান্ত শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। এ সপ্তাহান্তেই চূড়ান্ত শুনানির কথা রয়েছে।

মার্কিন বিচার বিভাগকে আদালত জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকির প্রমাণ আছে?’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সাত মুসলিম প্রধান দেশের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সংশ্লিষ্টতা থাকার কী প্রমাণ আছে তা জানতে চেয়েছে আদালত। এসব দেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তার পক্ষেও প্রমাণ চেয়েছে আদালত। মঙ্গলবার রাতে এক যুক্তি-তর্ক চলার সময় বিচার বিভাগ ও ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের আইনজীবীদের প্রতি আদালত এসব বিষয়ে প্রমাণ চেয়েছেন।

সাত মুসলিম প্রধান দেশে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে গোটা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে যে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে তা তুলে নেয়া হবে কি হবে না তা নির্ধারণে ফেডারেল আদালতে এ শুনানি চলছে। মঙ্গলবার এই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে মার্কিন বিচার বিভাগ। সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক নাইনথ্ ইউএস সার্কিট কোর্ট অব আপিলসে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করে ১৫ পৃষ্ঠার যুক্তিতর্কে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নয় জানিয়ে এটি ‘প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার আইনসম্মত ব্যবহার’ বলে দাবি করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আবেদন জানানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সপ্তাহান্তে আপিল আদালতে এ নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে রুল জারির কথা রয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, শুনানির শুরুতেই বিচার বিভাগের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের বিশেষ উপদেষ্টা অগাস্ট ফ্লেন্টজে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান ব্যক্ত করেন। তার দাবি, ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারপতি জেমস রবার্ট অযথার্থভাবে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ স্থগিত করে নিজেকে জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুর সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছেন।

তিনি বলেন, ‘এটি একটি প্রচলিত জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিবেচনা ছিল কিন্তু আদালতের আদেশে তা বদলে গেছে।’

তখন বিচারপতি মাইকেল ফ্রাইডল্যান্ড জানতে চান, এ দেশগুলো যে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত সে ব্যাপারে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ আছে কিনা।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নিষেধাজ্ঞা জারি করা ৭ দেশ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, এমন অভিযোগের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে তথ্যপ্রমাণ আছে কিনা, তাও জানতে চেয়েছে আদালত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ