ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 February 2017, ২৭ মাঘ ১৪২৩, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

অতিরিক্ত থেকে স্থায়ী বিচারপতি হলেন ৮ জন 

স্টাফ রিপোর্টার : সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ৮ জনকে স্থায়ী বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিরর সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের এই নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। 

এই আটজন হলেন-বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান, বিচারপতি আমির হোসেন, বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী, বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি মো. ইকবাল কবির, বিচারপতি মো. সেলিম, বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী।

হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) সাব্বির ফয়েজ জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার রাতে এই আটজনের স্থায়ী নিয়োগের আদেশ জারি করেছে ।

২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মোট দশজনকে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতির নিয়োগে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। পরে ১৩ ফেব্রুয়ারি তারা ১০ জন অতিরিক্ত বিচারপতির শপথ নেন। এদের মধ্যে বিচারপতি জ্যোতির্ময় নারায়ণ দেব চৌধুরী গত ১৫ ডিসেম্বরে মারা যান। আর মো. ফরিদ আহমেদ শিবলীকে স্থায়ী করা হয়নি। 

জানা গেছে, চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমান, গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আমীর হোসেন, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল রাজিক আল জলিল, ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, মো. সেলিম ও মো. সোহরওয়ার্দী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যেতির্ময় নারায়ন দেব চৌধুরী, খিজির আহমেদ চৌধুরীএবং মো. ইকবাল কবির লিটন। 

২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ ফরিদ আহমেদ শিবলীকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তার আগে তিনি বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের সচিব পদে কর্মরত ছিলেন। আর এক সপ্তাহ পরে অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ পেলেও তাকে স্থায়ী করেনি সরকার। 

চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমান ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর চট্টগ্রাম ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলার রায় দিয়েছিলেন। রায়ে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এছাড়া অস্ত্র আটক মামলায় ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। সেই সঙ্গে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা ও বিস্ফোরক আইনে আরো সাত বছর কারাদণ্ডও দেয়া হয় তাদের।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ