ঢাকা, শুক্রবার 17 February 2017, ০৫ ফাল্গুন ১৪২৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে বাণিজ্য বাড়ছে বাড়ি ভাড়া

তোফাজ্জল হোসেন কামাল: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) রাজস্ব বিভাগে কাজ করেন মো. তোফাজ্জল হোসেন জোয়ারদার। তিনি ওই বিভাগের একজন উপ-কর কর্মকর্তা (ডিটিও)। তার দায়িত্ব বাড়ি বাড়ি গিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স (গৃহকর) নির্ধারণ ও আদায় করা। কিন্তু তিনি ওই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কর্পোরেশনের স্বার্থের দিকে নজর না দিয়ে নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। কলাবাগানের একটি হোল্ডিংয়ে গিয়ে ট্যাক্স বাড়ানোর ভয় দেখিয়ে ঘুষ দাবি করেন। ওই বাড়ির মালিক দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্বারস্থ হন। তাদের শিখিয়ে দেয়া কৌশলের কাছে ধরা পড়েন ওই উপ-কর কর্মকর্তা। দুদক তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে।
শুধু ওই উপ-কর কর্মকর্তাই নন। তার মতো অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন, যারা সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগে কর্মরত থেকে বছরের পর বছর হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ আর আদায়সহ রাজস্ব বৃদ্ধির নামে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (ডিসিসি), বর্তমানে বিভক্ত উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব লুটপাট করে নিজের আখের গুছিয়েছেন। ব্যক্তির স্বার্থসিদ্ধির কাছে বর্তমানে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায়ের স্বার্থ চাপা পড়ে যায়। এ কারণে দুই সিটি কর্পোরেশনকেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনটনে পড়তে হয়েছে বছরের পর বছর।
ডিটিও তোফাজ্জল হোসেন জোয়ারদারের মতো এমন কাজ অনেকেই করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত অক্টোবর থেকে  রাজধানীর হোল্ডিং ট্যাক্স সমতায়নের কাজ শুরু হয়। এই সমতায়নের সুযোগে দুই সিটি কর্পোরেশনেরই রাজস্ব বিভাগের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা  বাণিজ্যে নেমে পড়েন। পুনর্মূল্যায়নে ট্যাক্সের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখানো, তা আবার কম ধরিয়ে দেয়ার কথা বলে বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা ঘুষবাণিজ্য করার অভিযোগ উঠেছে ট্যাক্স সংগ্রহকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। প্রথম অবস্থায় এমন অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এখন তা নেই বলে দাবি করেছে সিটি কর্পোরেশন। তাদের দাবির সত্যতা মেলেনি দুদকের হাতে ডিটিও তোফাজ্জল গ্রেফতারের ঘটনায়।
এদিকে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর প্রেক্ষিতে বাড়ি ভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছেন বাড়ির মালিকরা, যার প্রভাব পড়ছে ভাড়াটিয়াদের ওপর। ট্যাক্স সমতায়নের কারণে হোল্ডিং ট্যাক্সে আয় তিনগুণ বাড়বে বলে জানা গেছে। আগে যে অঞ্চলের হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হতো ২০০ কোটি সেখানে এখন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা।      
দুদক সুত্র জানিয়েছে, ফাঁদ পেতে ঘুষের টাকাসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উপ-কর কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন জোয়ারদারকে গ্রেফতার করে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কলাবাগান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কলাবাগানের জনৈক মুস্তফা আলীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে ডিএসসিসির ওই কর্মকর্তাকে ঘুষের ২০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে আরও এক লাখ দুই হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়, হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কর্মকর্তা এর আগে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন মুস্তফা আলী দুদকে অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি দল গঠন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সহকারী পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদের নেতৃত্বে দলটি কলাবাগান এলাকা থেকে অভিযুক্তকে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার করে।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর থেকে ডিএসসিসির ১ ও ২ নম্বর অঞ্চলে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অঞ্চল-১ এর অধীনে রয়েছে পর্যায়ক্রমে ১৫ থেকে ২১ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত। ধানমন্ডি, কাকরাইল, সেগুনবাগিচা, মগবাজারসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। অঞ্চল-২ এর অধীনে আছে ১ থেকে ৬ এবং ৮ থেকে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত। মতিঝিল, ফকিরাপুল, খিলগাঁও, বাসাবোসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এসব এলাকার বাড়ির মালিকদের মাঝে ফরম দিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ডিএসসিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আনুষঙ্গিক কাজ শেষে চলতি ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে চূড়ান্তভাবে ট্যাক্স নির্ধারণ করে বাড়ির মালিকদের জানানো হবে। তবে কারো যদি নিধারিত ট্যাক্স নিয়ে আপত্তি থাকে তাহলে তিনি রিভিউ করতে পারবেন। তারপর দুই দফা শুনানি শেষে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়াতে আঞ্চলিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি আরো ২৯ জনকে নিয়োগ দিয়েছে ডিএসসিসি।
একইভাবে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দুটি অঞ্চলেও ট্যাক্স বাড়ানোর কার্যক্রম চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে উত্তরা এলাকায় (জোন-১) প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে গুলশান এলাকায় (জোন-৩) ট্যাক্স বাড়ানোর কার্যক্রম। এজন্য বাড়ি বাড়ি ফরম পাঠানো হচ্ছে। আগামী দুই মাস ধরে চলবে এ কার্যক্রম।
দক্ষিণ সিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিটি কর্পোরেশন আইন (ট্যাক্স) ১৯৮৬ অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় বাড়ি ভাড়া কি পরিমাণ তার ওপর ভিত্তি করে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়। এজন্য সব এলাকায় একইহারে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হচ্ছে না। বর্গফুট অনুসারেও হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারিত হয় না।
তবে উত্তর সিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাড়ি ভাড়ার পাশাপাশি এলাকার ভিন্নতা ও আয়তন অনুসারে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হচ্ছে। এজন্য কোন এলাকার ট্যাক্স কি পরিমাণ হারে হবে তা জানিয়ে জোন অফিসগুলোতে প্রকাশ্যে বড় বড় সাইন বোর্ড টানানো হয়েছে। এছাড়া ডিএনসিসির ওয়েবসাইটেও জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে ট্যাক্স বাড়ানোর কার্যক্রমকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপক অর্থবাণিজ্যে নেমেছেন সিটি কর্পোরেশনের কর কর্মকর্তারা। তারা হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে নির্ধারণ করার আশ্বাসে বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
বাসাবো এলাকার পাঁচতলা বিশিষ্ট এক বাড়ি মালিক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, গত এক-দেড় বছর আগে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করে সিটি কর্পোরেশন। তখন সংশ্লিষ্ট কর-কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে ৬০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এখন আবার নতুন করে ট্যাক্স নির্ধারণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ফরম পূরণ করে তথ্য নিয়ে গেছে। এবার আবার ত্রিশ হাজার টাকা দিয়েছি যাতে ট্যাক্স কমিয়ে দেয়। আর ট্যাক্স বাড়ানোর কারণে তিনি জানুয়ারি মাস থেকে ভাড়াটিয়াদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, একবার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ায় আবার হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ায়। এজন্য ম্যানেজ করতে অনেক টাকা দিতে হয়। বাড়ি ভাড়া না বাড়িয়ে উপায় নেই।
উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের এক বাসিন্দা বলেন, আগের তুলনায় অনেকগুণ বেশি ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। আমি আপত্তি করায় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা অফিসে যেতে বলে। সেখানে গেলে কর্মকর্তারা বলেন, কিছু টাকা দিলে তারা কমিয়ে দিতে পারবেন। অবশেষে উপায় না থাকায় দাবি অনুযায়ী টাকা দিয়ে কিছু কমিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
ডিএসসিসির অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নঈম বলেন, প্রথম দিকে আমরা কিছু অভিযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু গত দেড় মাস ধরে আর কোনো অভিযোগ পাচ্ছি না। প্রথমদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর অ্যাসেসরদের বারবার সতর্ক করে দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ডিএসসিসির উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সাইদুর রহমান খান বলেন, বাসা ভাড়ার ওপর ভিত্তি করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হচ্ছে। একেক এলাকার বাসা ভাড়া ভিন্নতা থাকায় ট্যাক্সের হারেরও ভিন্নতা রয়েছে। তবে সব এলাকার বাসা ভাড়া জেনে আমরা একটি নির্দিষ্ট রেট নির্ধারণ করে দিয়েছি। এর থেকে কম রাখার কোন সুযোগ নেই। এজন্য কেউ টাকা দিলেও ওই নির্দিষ্ট হারের নিচে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারণ করতে পারবেন না। ফলে বাড়িওয়ালা তাদের টাকা দেবেন কেন? তিনি এ ব্যাপারে নগরবাসীকে আরো সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রবীন্দ্র শ্রী বারোই বলেন, প্রতিটি এলাকায় আমরা ওই এলাকার হোল্ডিং ট্যাক্সের রেট টাঙিয়ে দিয়েছি। এছাড়া জোন অফিসে বড় সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে। কেউ নিজ বাসায় বসবাস করলে তিনি এমনিতেই ৪০ শতাংশ কম দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। লোন থাকলেও একটা সুযোগ পাবেন। এছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে এ সংক্রান্ত কমিটি ১৫ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারেন। আপিল করলে ২৫ শতাংশ পর্যন্তও কমার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া স্বচ্ছতার জন্য রিভিউ কমিটির প্রধান করা হয়েছে ভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে। ফলে মানুষ কেন অতিরিক্ত টাকা দিতে যাবেন। এজন্য নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে।
এদিকে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর কারণে বাড়ি ভাড়াও বাড়িয়ে দিচ্ছেন ভবন মালিকরা। আরিফুর রহমান নামে খিলগাঁও এলাকার এক ভাড়াটিয়া অভিযোগ করেন, ট্যাক্স এখনো চূড়ান্তভাবে নির্ধারণই হয়নি। এর মধ্যে বাড়ি ভাড়া এক হাজার টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন বাড়িওয়ালা। কর কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে টাকা দিতে হয়েছে অযুহাত তুলে তিনি এ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ডিএসসিসির কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, কেউ বাসা ভাড়া বাড়ালে ওই রেট অনুসারে নতুন করে আবার ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। এজন্য ভাড়াটিয়ারা স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাদের তথ্য দিলে উপকার পাবেন।
জানা গেছে, গত বছরের আগস্টের শেষদিকে রাজধানীর হোল্ডিং ট্যাক্স সমতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় সিটি কর্পোরেশন। ২ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সংস্থাটি বলছে, ৩০ বছর আগের বাসা ভাড়ার ওপর ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে বাড়ির মালিকরা অনেকগুণ ভাড়া বাড়িয়েছেন। 
এছাড়া একই এলাকায় পাশাপাশি ভবন হলেও দুই বাড়ির মালিক ট্যাক্স দিচ্ছে দুই রকম। আবার সে সময় যে ভবন ছিল এক বা দোতলা, সেটা এখন ১০ থেকে ২০ তলা হয়েছে। এক্ষেত্রে একজন থেকে অন্যজনের পার্থক্য ১০ থেকে ২০ গুণ পর্যন্ত বেশি।
আবার কেউ কেউ বছরের পর বছর ধরে ট্যাক্স না দিয়েই কাটিয়ে যাচ্ছেন। আইনি জটিলতা ও ভোটের হিসাব-নিকাশে কোনো মেয়র বা প্রশাসক হোল্ডিং ট্যাক্স সমতায় আনার উদ্যোগ নেননি। ফলে বড় ধরনের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত ছিল সিটি কর্পোরেশন। 
এর আগে গত বছরের ৯ আগস্ট মঙ্গলবার ঢাকার দুই সিটির হোল্ডিং ট্যাক্সের নোটিশ স্থগিত  করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই নোটিশ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে আদালত। তখন দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, স্থানীয় সরকার সচিবসহ পাঁচজনকে উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
গত বছরের  ১৭  ও ২০ জুলাই  দুই সিটির নাগরিকদের নোটিশ দেয়া হয়। ওই নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৮ আগস্ট উত্তরের নাসিম জামান ও দক্ষিণের পারভীন হাসান নামক দুই ব্যক্তি  হাইকোর্টে রিট করেন।
রিটে বলা হয়, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (ট্যাক্সসেশন) রুলস ১৯৮৬ আইনটি ২০০৯ সালে বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ করা হয়। নতুন আইনে ট্যাক্স আদায়ে কোনো বিধান রাখা হয়নি। কিন্তু  নাগরিকদের ২০০৯ সালের পুরনো আইন অনুযায়ী নোটিশ দেয়া হয়। যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। আদালত শুনানি শেষে নোটিশ স্থগিত করে রুল জারি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ