ঢাকা, বুধবার 22 February 2017, ১০ ফাল্গুন ১৪২৩, ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ট্রেনেই কলকাতা থেকে কাঠমান্ডু

২১ ফেব্রুয়ারি, ইন্টারনেট: প্রত্যেক বছরই নেপালে ঘুরতে যান প্রচুর ভারতীয় পর্যটক। এদের বেশিরভাগটাই বাঙালি। হিমালয়ের কোলে থাকা নেপাল রাষ্ট্রের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বরাবরই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের। এছাড়াও কাঠমান্ডুর নাইট লাইফ, ক্যাসিনোর আসরও বাড়তি নজর টানে পর্যটকদের। কিন্তু, নেপাল যেতে আজও ভারতীয়দের ভরসা হয় বিমান, না হলে ব্যক্তিগত গাড়ি। বাঙালিদের বরাবরই খেদ, নেপালে যাওয়ার জন্য আজও দু’দেশের মধ্যে কোনও সুগম যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এবার এই খেদ হয়তো মিটতে পারে। কারণ যা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, তাতে কলকাতা থেকেই এবার সরাসরি ট্রেনে করে পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে কাঠমান্ডু। নেপাল সফরে গিয়ে এখন কাঠমান্ডুতে রয়েছেন ভারতের রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু। তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকেই এই রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন। কাঠমান্ডু-কলকাতা এবং কাঠমান্ডু-দিল্লির মধ্যে এই রেল নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। এই প্রকল্প রূপায়ণের জন্য নেপালের সঙ্গে ড্রোন প্রযুক্তিও শেয়ার করতে ভারত রাজি বলে জানিয়ে দিয়েছেন সুরেশ প্রভু।
নেপাল সরকার এই প্রকল্পের মউ স্বাক্ষর করে দিলেই বাস্তবায়িত হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে কাঠমান্ডু-কলকাতা ও কাঠমান্ডু-দিল্লি রেল নেটওয়ার্ক। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভা-ারি, প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল, পরিকাঠামো এবং যোগাযোগমন্ত্রী রমেশ লেহাক, অসামরিক বিমান পরিবহণ, সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী জীবনবাহাদুর শাহি, শক্তিমন্ত্রী জনার্দন শর্মা-র সঙ্গে সুরেশ প্রভুর বৈঠক হয়েছে।
নেপাল বহুদিন ধরেই কলকাতা ও পোরবন্দরকে তার বেস পোর্ট হিসাবে ব্যবহার করে। এর জন্য কাঠমান্ডু ভারতের থেকে বিশেষ কিছু সুবিধাও পায়। দু’দেশের দীর্ঘ সুসম্পর্ক এবং দু’দেশের মানুষের মধ্যে আত্মিক বন্ধন এই রেল প্রকল্পের বাস্তবায়নে আরও শক্তিশালী হবে বলেই নেপাল সরকারকে বুঝিয়েছেন সুরেশ প্রভু।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ