ঢাকা, বুধবার 22 February 2017, ১০ ফাল্গুন ১৪২৩, ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের নিউইয়র্কে মৃত্যুবরণ

২১ ফেব্রুয়ারি, রয়টার্স/নিউইয়র্ক পোস্ট/তাস: জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভিটালি চারকিন মারা গেছেন। গত সোমবার নিউইয়র্কে হঠাৎ করেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই খবর নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেনি। জানা গেছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে কর্মরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন চারকিন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়। 
ভিটালি চারকিন ২০০৬ সাল থেকে জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বেঁচে থাকলে গতকাল মঙ্গলবার তিনি ৬৫ বছর পূর্ণ করতেন। জাতিসংঘ সদর দফতরে চারকিনের মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর তার সহকর্মীদের মাঝে এক শোকাবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চারকিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেও এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তাকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া প্রসঙ্গেও কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক মার্কিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চারকিন সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
এক ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা জানান, রুশ রাষ্ট্রদূতের মৃত্যুতে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করা যায়নি।
অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চারকিনকে রুশ দূতাবাস থেকে ম্যানহটন হাসপাতালে নেয়া হয়। রুশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, চারকিনের মৃত্যুতে গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি চারকিনের পেশাদারিত্ব এবং কূটনৈতিক সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। 
রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে চারকিনের সহকারী পিওতর ইলিচেভ বলেন, রাশিয়ার জন্য এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি। রাষ্ট্রদূত জীবনের শেষ মুহূর্তেও তার কাজের মাঝেই ছিলেন। তিনি জীবনভর রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষা করে গেছেন এবং ভীষণ মানসিক চাপের মধ্যে কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চারকিন সম্পর্কে লিখেছেন, ‘একজন মহান কূটনীতিক, অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং চমকপ্রদ মানুষ।’
চারকিন রুশ পররাষ্ট্রনীতিকে ঊর্ধ্বে তুলে সিরিয়ার শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ রাখেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ