ঢাকা, শুক্রবার 24 February 2017, ১২ ফাল্গুন ১৪২৩, ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশের ওষুধ ১২৭টি দেশে রফতানি হচ্ছে -বাণিজ্যমন্ত্রী

গতকাল বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এশিয়া ফার্মা এক্সপো উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ এমপি -সংগ্রাম

 

স্টাফ রিপোর্টার : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ পূরণ করে বিশ্বের ১২৭টি দেশে বাংলাদেশের উৎপাদিত মানসম্মত ওষুধ রফতানি হচ্ছে। বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের অগ্রগতি এখন গর্ব করার মতো। এ শিল্প আরও এগিয়ে যাবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার ৩ নম্বর হলে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি আয়োজিত তিন দিনব্যাপী নবম ‘এশিয়া ফার্মা এক্সপো ২০১৭’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ এক্সপো’র আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব এস এম শফিউজ্জামান প্রমুখ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের অগ্রগতি এখন গর্ব করার মতো। স্বাধীনতার ঠিক পরে আমরা ৭০ শতাংশ ওষুধ বিদেশ থেকে আমদানি করতাম। কিন্তু এখন দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ পূরণ করে বিশ্বের ১২৭টি দেশে বাংলাদেশ উৎপাদিত মানসম্মত ওষুধ রফতানি হচ্ছে। বাংলাদেশের এ অগ্রগতি গর্ব করার মতো।

 বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্পকে এগিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত সরকার। ওষুধশিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর জন্য আমরা কাজ করব, যাতে উদ্যোক্তারা ভালো মানের ওষুধ তৈরি করে আরো দেশে রফতানি করতে পারেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের ওষুধশিল্প এখন একটি মানসম্মত পর্যায়ে চলে এসেছে। আমাদের দেশে তৈরি ওষুধের মানও আগের থেকে অনেক বেড়েছে। এখন আমাদের রফতানির দিকে নজর দিতে হবে। আর রফতানি করতে হলে একটি শক্ত ভিত্তি দেশে গড়তে হবে।

তিনি আরো বলেন, ওষুধশিল্পে রফতানি বাড়াতে হলে বিদেশ থেকে আনা কাঁচামালের ওপর ডিউটি ফি কমাতে হবে। দেখা যায় একটি দেশে আমরা চাইলেই রফতানি করতে পারছি না। ওই দেশে নির্দিষ্ট ওষুধ ও কোম্পানির নাম রেজিস্ট্রেশন করার পরই আমরা রফতানি করতে পারি। তাই এসব সমস্যা সমাধানে আমাদের এবং সরকারকে আরো কাজ করতে হবে।

এবারের এক্সপোতে আমেরিকা, জাপান, চীন ও ভারতসহ মোট ৩৫টি দেশের ৫০০ ওষুধ কোম্পানি অংশ নিচ্ছে। আয়োজনে রয়েছে ফার্মা প্রসেসিং এন্ড প্যাকেজিং, বায়োটেক ল্যাব ইকুইপমেন্ট, এপিআই ম্যানুফেকচারিং প্ল্যান্টস ও মেশিনারিজ, ফার্মা ফর্মুলেশন্স ও কন্ট্রাক্ট ম্যানুফেকচারিং।

এতে দেশি উদ্যোক্তারা ওষুধশিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সম্পর্কে জানতে পারবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। এক্সপো চলবে শনিবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ৬টা পর্যন্ত এক্সপো খোলা থাকবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ