ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মালয়েশিয়ায় বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ ‘ই-ক্যাড’

অনলাইন ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের জন্য অস্থায়ী কাজের নিবন্ধন ‘ই-কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে দেশটির সরকার। বাংলাদেশেসহ মোট ১৫টি দেশের অবৈধ শ্রমিকরা এই ‘ই-কার্ড’-এর সুবিধা পাবেন। ‘ই-কার্ড’ নিবন্ধন চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত। 

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কাগজপত্রহীন বিদেশি শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার এটিই শেষ সুযোগ। 

ই-কার্ডের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ অবৈধ বিদেশি শ্রমিক নিবন্ধিত হবেন। মোট পাঁচটি সেক্টরের জন্য ই-কার্ডের অনুমোদন দেয়া হবে। তবে তিন শ্রেণির লোকদেরকে এ ‘ই-কার্ড’ সুবিধা দেয়া হবে না।

শহিদুল ইসলাম জানান, 'যারা মেডিক্যাল আনফিট, যাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা চলমান রয়েছে এবং যেসব কর্মী বৈধভাবে কোনো কর্মক্ষেত্রে কর্মরত ছিলেন কিন্তু তারা মালিকপক্ষকে অবহিত না করে পালিয়ে গেছেন এবং অফিস তার বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশনে অভিযোগ দাখিল করেছে' এই তিন শ্রেণির শ্রমিকরা ই-ক্যাড করতে পারবে না।

মঙ্গলবার সকালে পুত্রাজায়াস্থ মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের মহাপরিচালক দাতু শ্রী হাজী মুস্তাফার আলীর সঙ্গে ই-ক্যাড বিষয়ে এক সভা শেষে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

রাষ্ট্রদূত জানান, বৈধ কাগজপত্র পেতে মাইইজি'র অধীনে চলমান রি-হায়ারিং প্রকল্পে এক লাখ ৮৮ হাজার বাংলাদেশি রেজিস্ট্রেশন করেছেন। আর অন্য সব দেশ মিলিয়ে করেছে মাত্র ১০ হাজার। এছাড়া নতুন প্রকল্প ই-ক্যাড এখন পর্যন্ত ৬১ জন বাংলাদেশি পেয়েছেন। অন্যদিকে সব দেশ মিলিয়ে পেয়েছে ৩৯টি।

আগে তিন কিংবা চারটি খাতে লোক আনার কথা থাকলেও এখন বাংলাদেশ থেকে সব সেক্টরের জন্য লোক আনা হবে বলেও জানান দেশটিতে নিযুক্ত থাকা রাষ্ট্রদূত।

ই-ক্যাডের আওতায় আসতে বাংলাদেশিদের জোরালো আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা সবাইকে সচেতন করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় দূতাবাসের কন্সুলার টিম পাঠানো হচ্ছে। ই-ক্যাডধারীরা দ্রুত পাসপোর্ট করাতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, আগে স্বাভাবিকভাবে পাসপোর্ট এলেও এখন থেকে আমরা ডিএইচএল'র মাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পাসপোর্ট নিয়ে আসবো এবং তা দ্রুত গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেবো।

হাইকমিশনের বাইরে দালালের উৎপাত কমাতে করণীয় সম্পর্কে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মে-ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলছি হাইকমিশনের অভ্যন্তরে কিংবা আশপাশে একটি বুথ করার ব্যাপারে। আশা করি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এসব সমস্যার সমাধান হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ