ঢাকা, সোমবার 22 July 2019, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন ট্রাম্প

প্রথমবারের মত মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্প।ছবি-এবিসি নিউজ

অনলাইন ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন ট্রাম্প। সরকার গঠনের এক মাস এক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ঐতিহাসিক এ ভাষণ দেন তিনি।

বহুল প্রতীক্ষিত ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “মার্কিনিদের ‘গ্রেটনেসের’ নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।” এছাড়া তিনি সম্প্রতি ভারতীয় প্রকৌশলী নিহতের ঘটনার সমালোচনাও করেন।

ট্রাম্প টিপিপি (ট্রান্স-প্যাসিফিক পাটর্নারশিপ) চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসার কথা উল্লেখ করেন এবং মেক্সিকো সীমান্ত দেওয়ার তোলার কাজ এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন।

ভাষণের শেষাংশে এসে অভিবাসন নীতি নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, অবৈধ অভিবাসন রুখতে পারলে দেশের কোটি কোটি ডলার ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে কংগ্রেসে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সব সদস্যের সামনে ভাষণ দেন ট্রাম্প। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার সদস্যরা। ছিলেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি ম্যালেনিয়া ট্রাম্প। ট্রাম্পের নীতিনির্ধারণীমূলক এ ভাষণের রূপরেখা তৈরি করেন তার ঘনিষ্ঠজনরা। তার এ ভাষণ যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ মানুষ টেলিভিশনের পর্দায় দেখেন। বিবিসি-র প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস থেকে কংগ্রেসের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়ে পুরো পথ গাড়িতে ভাষণ অনুশীলন করতে করতে গিয়েছেন।

ট্রাম্পের কংগ্রেসে দেয়া ভাষণের মূল অংশগুলো হলো-

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জোরালোভাবে ন্যাটোকে সমর্থন দেবে। তবে অন্যান্য সদস্যদের তাদের আর্থিক সংগতিগুলো পূরণ করতে হবে।

কথিত জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থানের ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেন। এই সময়ে গোটা কংগ্রেস হাত তালিতে ফেটে পড়ে।

স্বাস্থ্যবীমা ‘ওবামাকেয়ার’ এর পরিবর্তে আসবে নতুন স্বাস্থ্যসেবা।

সেই সঙ্গে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য আসলে বড় কর মুক্তির সুযোগ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ