ঢাকা, বৃহস্পতিবার 02 March 2017, ১৮ ফাল্গুন ১৪২৩, ০২ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ঋণ মওকুফের সুবিধাভোগীদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

 

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করার পর ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে তার একটি তালিকা আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্ণরকে এ তালিকা দিতে হবে। একইসঙ্গে ঋণ মওকুফের সুবিধাভোগের পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি এবং ব্যক্তি বিশেষের বিপরীতে অন্য কোনো ব্যাংক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সুবিধা দেয়া হয়েছে-এমন দৃষ্টান্তও দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামা আকারে এ তথ্য জানাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্ণরকে বলা হয়েছে। 

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত এ আদেশ দিয়েছেন। 

আদালতের আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান।

এছাড়া ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৮/১ ধারার ‘ঋণ বা উহার অংশ মওকুফ’ এবং ৪৯-এর উপধারা চ-এর ‘ঋণ মওকুফ’ এর অংশ কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও ১৯, ২৬, ২৭ এবং ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়েছেন আদালত। সরকারের অর্থসচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ডিভিশনের সচিব, আইনসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্ণর, কম্পোট্রলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএমকে (ব্যাংকিং অপারেশন) এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল পরবর্তী আদেশের জন্য বিষয়টি তালিকায় আসবে। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে আদেশের অনুলিপি পৌঁছে দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এশিয়ান এজ পত্রিকায় ‘সরকারের কাছ থেকে শতকরা ৬০ ভাগ খেলাপি ঋণ দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা গায়েব’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদালত রুল জারি করেন আদালত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ