ঢাকা, সোমবার 23 September 2019, ৮ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

সারাদেশে প্রথমবারের মত জাতীয় পাট দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক: ‘সোনালি আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ’ এই স্লোগান নিয়ে সারাদেশে এবারই প্রথমবারের মতো পালিত হল জাতীয় পাট দিবস।

এ উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয় এবং রাজধানীসহ সারাদেশে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাট ও পাটজাত পণ্য সহযোগে বর্ণিল আলোক সজ্জা করা হয়।

এ র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

এছাড়াও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা, মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পাটচাষী, পাটের সাথে জড়িত সকল ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

শোভাযাত্রায় দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহর থেকে আসা পাট চাষীসহ পাটের সাথে জড়িত সকলকে সম্পৃক্ত করা হয়।

ঢাকাসহ সারাদেশে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাট ও পাটজাত পণ্য সহকারে বর্ণিল আলোক সজ্জা করা হয়েছে। র‌্যালি, ব্যানার, পোস্টারসহ পাট চাষ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। পাট মিল এলাকাগুলোতে আলোক সজ্জাসহ তোরণ নির্মাণ করা হয়।

শোভাযাত্রার আগে সমাবেশে মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক বলেন, বিশ্বখ্যাত সোনালী আঁশ পাট ও পাটজাত দ্রব্যই ছিল এদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎস। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জনস্বার্থে পাট ও বস্ত্রকলসমূহ জাতীয়করণ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি।

তিনি বলেন, তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মৃতপ্রায় পাটকে আবার সোনালী আঁশের ঐতিহ্যে ফিরিয়ে এনেছেন। পাট এখন পরিবেশবান্ধব ও বহুমুখি পণ্যের উপাদান। বাংলার অন্যরকম গৌরব। বাংলার পাট বিশ্বমাত-এটাই এখন বাস্তবতা।

মির্জা আজম বলেন, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ও ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা অনুযায়ী এ সতেরটি পণ্য যে কোনো পরিমাণ সংরক্ষণ ও পরিবহনে পাটজাত মোড়ক বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে। এতে পাটের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে, পাট চাষীরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পাটকে বিশ্ব বাজারে তুলে ধরতে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারে (জেডিপিসি) ১৩৫ প্রকার বহুমুখী পাটপণ্যের স্থায়ী প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য, আগামী ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মূল অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও ৯-১১ মার্চ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে তিন দিনব্যাপী পাটপণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ