ঢাকা, মঙ্গলবার 07 March 2017, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রতি ঘনফুটে সরকারকে ১ টাকা মূল্য দিয়ে বালু রফতানি করা যাবে

স্টাফ রিপোর্টার : সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে বালু রফতানির জন্য যমুনা নদী থেকে উত্তোলিত প্রতি ঘনফুট বালুর জন্য সরকারকে ১ টাকা দিতে হবে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে (প্রতি ঘনফুট ১ টাকা) মুনাফা যোগ করে রফতানি মূল্য নির্ধারণ করবে।
গতকাল সোমবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় বালু মহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বালুর মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক সাংবাদিক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেছবাহ উল আলম, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, বালু রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রবাহ নৌযান চলাচলের উপযোগী রেখে এবং নদীর নাব্যতা যথাযথ রেখে যমুনা নদীর প্রস্তাবিত স্থান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে আপাতত ৬ মাসের জন্য বালু উত্তোলন করা যাবে। তবে কোনোভাবে পরিবেশের বিরূপতা দেখা গেলে তা বন্ধ রাখতে হবে। ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেড ২ বছরের জন্য বালু রফতানির অনুমতি চেয়েছিল।
ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেড নিজ খরচে প্রাথমিকভাবে ২ বছরের জন্য যমুনা নদী ড্রেজিং এবং ড্রেজিং করা বালু সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে রফতানি করতে পানিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। গত বছরের ১৮ অক্টোবর জাতীয় বালু মহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে পরীক্ষামূলকভাবে বালু উত্তোলন ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেডের বিদেশে বালু রফতানির বিষয়টি আলোচনা হয়।
আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের যমুনা নদীর সংশ্লিষ্ট অংশে সমমানের বালুর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং সরকারি সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়াদি বিবেচনা করে প্রতি ঘনফুট বালু কত মূল্য নির্ধারণ করা যায় তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য ৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়।
এ টিমে ছিলেন- গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতারি সংশ্লিষ্ট সিনিয়র পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বালুর মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ