ঢাকা, মঙ্গলবার 07 March 2017, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদরাসা অধ্যক্ষের সাজা

ফেনী সংবাদদাতা: ছাগলনাইয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হোসাইন আহমদ ভূঁইয়াকে  আটক করে ১০হাজার টাকা জরিমানার সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার।
সূত্র জানায়, সরকারি বিধি অনুসারে পরীক্ষার একটা ব্যাংক হিসাব খুলতে হয়। যেখানে পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল প্রকার লেনদেন হয়ে থাকে যা সভাপতি ইউএনও ও সদস্যসচিবের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হয়। অধ্যক্ষ হোসাইন আহমদ ভূইয়া কোন ব্যাংক হিসাব না খুলে সকল টাকা নিজের কাছে রেখে দেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অধ্যক্ষ হোসাইন আহমদ ভূঁইয়া রেজুলিউশন খাতায় স্বাক্ষর করাতে ইউএনওর কক্ষে যান। এসময় ইউএনও পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল আয় ব্যয়ের হিসাব চাইলে অধ্যক্ষ টাকার সঠিক হিসাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে ইউএনওকে লক্ষ্য করে বলতে থাকেন। তিনি ডিসির সমপরিমান র‌্যাংকের বেতন পান ওনারে এতকিছু বুঝাইলে বুজতে বাধ্য নন জানিয়ে অসভ্য আচরণ করেন এবং আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। অবস্থা বেগতিক দেখে ইউএনও পুলিশ ডেকে অধ্যক্ষকে তাদের হাতে তুলে দেন। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তার ১০হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের মধ্যস্থতায় জরিমানার টাকা পরিশোধ করে থানা থেকে ছাড়া পান অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমদ ভুইয়া।
থানায় কর্তব্যরত অফিসার এএসআই মিজান জানান, অধ্যক্ষকে ইউএনও অফিস থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ এবং পরে আবার তাকে ইউএনও অফিসে নিয়ে যায়। ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, আমি মাদরাসায় নকল করতে দেইনি বলে আগে থেকেই অধ্যক্ষ আমার ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল আয় ব্যয়ের হিসাব চাইলে অধ্যক্ষ টাকার সঠিক হিসাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে বলতে থাকেন তিনি ডিসির সমপরিমান র‌্যাংকের বেতন পান ওনারে এতকিছু বুঝাইলে বুঝতে বাধ্য নন। এসময় উত্তেজিত হয়ে অধ্যক্ষ অসভ্য আচরণ করেন এবং আক্রমনাত্মক হয়ে পড়েন। উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ