ঢাকা, মঙ্গলবার 07 March 2017, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পাঁচমিশালি স্বাস্থ্যকথা

ক্যানসার প্রতিরোধে ভিটামিন ‘সি’
ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার অধিক গ্রহণ করুন। ভিটামিন ‘সি’ যেসব অঙ্গের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে তার মধ্যে রয়েছে- মুখ, অন্ননালী, অন্ত্র, পাকস্থলী, পায়ুপথ ও জরায়ুর মুখ। ভিটামিন ‘সি’সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে- আমলকী, আমড়া, আম, পেয়ারা, ফুলকপি, কমলা, লেবু, কাঁচামরিচ, পেঁপে, টমেটো ইত্যাদি।
হাঁপানি রোগের লক্ষণ চেনার উপায়
১. শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি।
২. শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ।
৩. হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা।
৪. ধুলাবালু বিশেষভাবে ঘরের ধুলা, ঠা-া কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট।
৫. পরিশ্রম করলে শ্বাসকষ্ট, সাথে বুকের ভেতর সাঁ সাঁ শব্দ।
৬. ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট।
৭. কষ্টকর কাশি, শ্বাসকষ্ট শেষ রাতে বাড়তে দেখা যায়।
৮. বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন খেলে শ্বাসকষ্ট।
ওপরের যেকোনো ৩টি লক্ষণ একসাথে থাকলে হাঁপানি চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অন্যান্য চিকিৎসার মধ্যে হোমিওপ্যাথিতেও হাঁপানির ভালো চিকিৎসা রয়েছে।
মায়ের দুধের বিশেষ গুণ
১. মায়ের দুধ রোগ প্রতিরোধক আমিষ।
২. মায়ের দুধ বিশেষ এক ধরনের জীবাণুনাশক কোষ।
৩. মায়ের দুধ পাচক রস, যা হজমে সহায়তা করে।
৪. কমপ্লিমেন্ট নামক দেহরক্ষী এক অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
৫. টরিন নামক এক অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা শিশুর মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়।
মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
১. অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি হওয়া।
২. ঘামে দুর্গন্ধ।
৩. পুরুষদের মতো কিছু শারীরিক সমস্যা, যেমন অস্বাভাবিক হেয়ার গ্রোথ।
৪. ঘাড়ের কাছে কালো চওড়া দাগ।
৫. পিরিয়ড অনিয়মিত। অনেকদিন পরপর পিরিয়ড হওয়া। সেই সময় খুব বেশি রক্তক্ষরণ অথবা অল্প রক্ত যাওয়া।
৬. খুব বেশি পিম্পল।
৭. চুল পড়া। অনেক ক্ষেত্রে টাক পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। প্রতিরোধে যতটা সম্ভব ফাস্টফুড এড়িয়ে চলা। বেশি তেল, মসলা ছাড়া হালকা খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাবার গ্রহণ করা। প্রয়োজনে হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবন করুন।
হার্ট অ্যাটাকের কারণ
১. উচ্চ কলেস্টেরলযুক্ত খাদ্য।
২. উচ্চ রক্তচাপ।
৩. ডায়াবেটিস।
৪. ধূমপান।
৫. স্থূলতা।
৬. শারীরিক ব্যায়ামের অভাব।
৭. মানসিক চাপ।
৮. গেঁটে বাত এবং অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড।
৯. বংশগত কারণ।
গাজরের গুণাগুণ
১. গাজর ক্ষুধা বাড়ায় এবং সহজে হজম হয়।
২. গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ, বি ও সি আছে।
৩. গাজর খেলে শরীর নরম ও সুন্দর হয়।
৪. গাজর শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং ওজন বাড়ে।
৫. গাজরে ক্যারোটিন আছে প্রচুর পরিমাণ।
৬. শরীরের পুষ্টি এবং বুদ্ধির বিকাশে গাজর উপকারী।
৭. গাজর খেলে রঙ ফর্সা হয়, মুখের সৌন্দর্য বাড়ে। কারণ গাজরে আছে রক্ত পরিষ্কার করার গুণ।
৮. গাজরে ফসফরাস থাকার জন্য যারা মাথার কাজ করেন তাদের পক্ষে গাজর ও গাজরের শাক খুব উপকারী।
৯. গাজর শরীরের জ্বালা ও পেট ফাঁপা দূর করে।
অ্যালার্জির উপসর্গ
শরীরের যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে সহজে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয় সেগুলো হচ্ছে- নাক : অ্যালার্জির কারণে নাসারন্ধ্রের ঝিল্লি বা আবরণ ফুলে যায়। চোখে হলে চোখ লাল হয়ে যায় এবং চুলকায়। কানে অ্যালার্জি থাকলে কান বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যথা করা এবং কানে কম শোনা লক্ষণ থাকতে পারে। চামড়ায় অ্যালার্জিজনিত চুলকানি, অ্যাকজিমা, হাইডস হতে পারে। ফুসফুসে অ্যালার্জির কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, সাঁই সাঁই শব্দ করা লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। বংশগত এবং পরিবেশগত কারণে অ্যালার্জির প্রকোপ বাড়ে। প্রচুর ফল, শাকসবজি, পানি পান এবং ব্যায়াম দ্বারা অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
কলেস্টেরল কমাতে ১০ ভেষজ
১. মুলার পাতা, ২. কমলালেবুর খোসা, ৩. আনারসের রসালো অংশ, ৪. সোমরাজের বীজ, ৫. তুঁত গাছের পাতা, ৬. আকন্দ গাছের মূল, ৭. আপাং গাছের পাতাসহ ডাল, ৮. মুথার রাইজোম বা কন্দ, ৯. রোহিতক গাছের ছাল, ১০. অম্লবেতস গাছের শুকনো ফল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ