ঢাকা, মঙ্গলবার 07 March 2017, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

হোমিওপ্যাথি : প্রশ্ন আছে অনেক ॥ অধ্যাপক ডা. আহমদ ফারুক

প্রঃ গত সংখ্যায় আপনি বলেছেন, জরায়ু মুখ ক্যানসার ভালো হয়। আপনার চিকিৎসায় এ পর্যন্ত কোন রোগী ভালো হয়েছে কি?
-ডাঃ ইলিয়াছ ম-ল, ঢাকা।
উঃ হ্যাঁ, জরায়ু মুখ ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে তা ভালো হবার সম্ভাবনা শতভাগ। আমাদের চিবকিৎসাধীন অনেক জরায়ু মুখ ক্যানসার রোগী ভালো আছেন।
প্রঃ মাসিক ঋতুস্রাবের সাথে স্তন ক্যানসারের কোন সম্পর্ক আছে কি?
-মাহমুদা, ঢাকা।
উঃ জি, মাসিক ঋতুস্রাবের সাথে স্তন ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে। অল্প বয়সে, বিশেষ করে ১২ বছরের পূর্বে মাসিক স্রাব শুরু হলে সে সব মহিলার স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। আর যে সব মহিলার রজঃ নিবৃত্তি (মাসিক বন্ধ হওয়া) দেরিতে অর্থাৎ ৫৫ বছরের পর ঘটে তাদের ক্ষেত্রেও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে।
প্রঃ আমি একটি লেখায় পড়েছি, লম্বা মেয়েদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। কথাটি কি ঠিক?
-মর্জিনা ইসলাম, ঢাকা।
উঃ ঠিক। লম্বা মহিলাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি।
প্রঃ আমাদের দেশের বিভিন্ন সংস্থা ভারতীয় হোমিও চিকিৎসকদের দ্বারা বিভিন্ন সেমিনার ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে চলেছে। কোন কোন সংস্থা সার্টিফিকেট বিক্রি করছে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি? -ডাঃ আসাদুর রহমান, ঢাকা।
উঃ ভারতের মানসম্পন্ন বিজ্ঞ চিকিৎসকদের এনে আমাদের দেশের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই। বরং ভালো। আমি এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। কিন্তু কেউ যদি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ভারতীয় চিকিৎসকের নামে তৃতীয় শ্রেণীর কোন চিকিৎসক এনে এদেশে কোন কিছু করেন সেটা অবশ্যই প্রতিবাদের বিষয়। আমি এ ধরনের কর্মকান্ডকে কখনোই সমর্থন করি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে ভারতের অনেক চিকিৎসা সংস্থার সাথে সম্পর্কিত বিধায় আমি চাই ভালো ভালো চিকিৎসকের দ্বারা আমাদের চিকিৎসকরা প্রশিক্ষিত হউক। আর যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হোমিওপ্যাথিতে স্নাতক ডিগ্রী (বিএইচএমএস) দিচ্ছে, সেহেতু রাস্তাঘাটের কোন সংস্থা থেকে কারো কোন সার্টিককেট কেনার প্রয়োজন নেই। তাছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানে শিক্ষা ছাড়া সার্টিফিকেট কেনা-বেচা থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকেই সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
প্রঃ ক্যানসার রোগীদের জন্য হোমিওপ্যাথি কতটা উপযোগী?
-ডাঃ সামিউল ইসলাম, ঢাকা
উঃ হ্যাঁ, ক্যানসার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির উপযোগিতা রয়েছে। অনেক রোগী বর্তমানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় উপকার পাচ্ছেন। তবে এ ক্ষেত্রে এখনও গবেষণার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তাছাড়া ক্যানসার চিকিৎসায় প্রশিক্ষিত চিকিৎসকেরও অভাব রয়েছে। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ক্যানসার সোসাইটি এ বিষয়ে ক্লিনিক্যাল গবেষণা পরিচালনা করছে। বর্তমানে বহু রোগী ক্যানসার সোসাইটির অধীনে চিকিৎসা গ্রহণ করে ভালো আছেন।
প্রঃ ক্যানসারের সতর্ক লক্ষণ সম্পর্কে জানতে চাই।
-ডাঃ আব্দুর রশিদ, ঢাকা
উঃ আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি কর্তৃক ঘোষিত ৭টি সতর্ক লক্ষণ হচ্ছে-(১) পায়াখানা-প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন, (২) কোন ক্ষত না শুকানোর প্রবণতা, (৩) অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, (৪) স্তনে কোন শক্ত দলা অথবা শরীরের অন্য কোন জায়গায় শক্ত পিন্ড বর্তমান থাকা, (৫) পেটের অজীর্ণতা কিংবা ঢোক গিলতে অসুবিধা, (৬) আঁচিল বা তিলের অস্বাভাবিক কোন পরিবর্তন, (৭) বিরক্তিকর অবিরত কাশি বা গলা বসে যাওয়ার প্রবণতা।
প্রঃ পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধে আপনার পরামর্শ কি?
-ডাঃ হাসিনুর রহমান, ঢাকা
উঃ পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধে ভিটামিন এ, ই, সেলেনিয়াম এবং বিটাকেরোটিনযুক্ত খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। ধুমপান করা যাবে না। যাদের মদপানের অভ্যাস আছে তারা তা বাদ দিবেন। এছাড়া মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন।
প্রঃ ওভারিয়ান ক্যানসারের রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো জানতে চাই
-ডাঃ সাবিনা সারোয়ার, ঢাকা
উঃ ওভারিয়ান ক্যানসার সাধারণত ৬০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের মধ্যে বেশি হয়। বংশগত কারণে হয়ে থাকে। পরিবারের নিকটাত্মীয়দের মধ্যে যদি কারো কলোরেক্টাল ক্যানসার কিংবা স্তন ক্যানসারের ইতিহাস থাকে। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে যদি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কলোরেক্টাল, জরায়ু অথবা স্তন ক্যানসার থাকে, যদি কোন মহিলার সন্তান না থাকে, ১২ বছরের পূর্বে মাসিক শুরুর ইতিহাস থাকে, অথবা ৫০ বছরের পরে মেনাপোজ, শরীরের স্থুলতা এবং বসা কাজের অভ্যাস ইত্যাদি রিস্ক ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত।
প্রঃ জরায়ু মুখ ক্যানসারের ঝুঁকিগুলো জানতে চাই।
-ডাঃ এন, চন্দ্র দাস, চট্টগ্রাম
উঃ নিয়মিত তামাকজাত দ্রব্য যেমন, জর্দা, গুটকা, সাদাপাতা সেবন, যৌন জীবনে বহুগামিতা, ১৬ বছরের পূর্বে যৌন জীবন, ১৮ বছরের নীচে প্রথম গর্ভ, অনেক সন্তানের জন্মদান এবং দীর্ঘাদিন পিল (ঙৎধষ ঈড়হঃৎধপবঢ়ঃরাবং) খাওয়ার ইতিহাস। এ সব কারণ কারো মধ্যে বিদ্যমান থাকলে তার উচিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা।
প্রঃ অনেক শিশুর রাগের পরে কাশি শুরু হয়। এ জন্য কি কি ঔষধ ব্যবহার করা যায়?
-ডাঃ নাহার আফরোজ, ঢাকা
উঃ শিশুদের রাগের পরে কাশি হলে এনাকার্ডিয়াম এবং এন্টিম টার্ট ওষুধ দুটো স্মরণ করুন।
প্রঃ রোগীর চর্মরোগ। রোগ নির্ণয় ইকথায়োসিস (ওঈযঃযুড়ংরং) কার্যকর চিকিৎসা আছে কি?
-ডাঃ আলতাফ মাহমুদ, ঢাকা
উঃ এ ধরনের চর্মরোগের চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ বিষয়। আর্সেনিক অ্যাল্বাম, আর্স আয়োড, মার্কসল, নাইট্রিক এসিড, থুজা প্রভৃতি ওষুধ থেকে বিবেচনা করুন।
প্র: শরীরের ওজনের সাথে ক্যান্সারের কোন সম্পর্ক আছে কি?
ডা: আজমল হোসেন, ঢাকা
উ: শরীরের অতিরিক্ত ওজন কিংবা স্থূলতা থাকলে অন্ত্র, জরায়ু, পিত্তথলি এবং স্তনের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এজন্য নিয়মিত ব্যায়াম এবং অতিরিক্ত ক্যালরীযুক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
প্র: আপনার এক লেখায় পড়েছি, আচার, কাসন্দ, শুঁটকি দ্বারা ক্যান্সার হয়। কি ধরনের ক্যান্সার?
-ডা: শরিফুল ইসলাম, ঢাকা
উ: আচার, কাসন্দ, শুঁটকি এবং লবণ দেয়া মাছ অন্ননালী এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।
প্র: ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রধানত কোন বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে?
ডা: মাহতাব, বরিশাল
উ: অধিকাংশ ক্যান্সারের সাথে ধূমপান সম্পৃক্ত। তাই ধূমপান বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া সাদা পাতা, জর্দা, তামাক সেবনও বন্ধ করতে হবে।
প্র: সমাজে বিত্তশালীদের অনেকেই উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করে। এ ধরনের খাবারের সাথে ক্যান্সারের সম্পর্ক কি?
-ডা. আবদুস সামাদ, ঢাকা
উ: উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবারের সাথে স্তন, অন্ত্র এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের সম্পর্ক রয়েছে। তাই উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আর যারা এ ধরনের খাবারে অভ্যস্ত তাদেরকে বেশি বেশি সালাদ খেতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
প্র: কোন ধরনের ক্যান্সার রোগী আপনার কাছে বেশি উপকার পাচ্ছে? Ñডা: মৃদুল চন্দ্র রায়, ঢাকা
উ: প্রাথমিকক পর্যায়ের ক্যান্সার রোগীরা বেশি উপকার পাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত: যে সব রোগী নিয়মিত ঔষধ সেবন করছেন তারাও ভাল থাকছেন। তবে কিছু কিছু রোগী নিয়মিত ঔষধ সেবনের বাইরে ঘন ঘন ডাক্তার বদলায়। এ ধরনের রোগীরা খুব একটা উপকার পায় না।
প্র: কোন হোমিওপ্যাথি ঔষধ দ্বারা কি ক্যান্সার প্রতিরোধ রকা সম্ভব?
-ডা: আবদুল মান্নান, ঢাকা।
উ: হোমিওপ্যাথি ঔষধ দ্বারা ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব কি না তা এখনও পরীক্ষাধীন। আমরা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ক্যান্সার সোসাইটির পক্ষ থেকে এ ধরনের প্রতিরোধমূলক ঔষধ নিয়ে একটি প্রকল্প পরিচালনা করছি।
প্র: ব্রেস্ট ক্যান্সার কি আরোগ্যযোগ্য?
-ডা: শাহিদা, খুলনা।
উ: প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এবং ঠিকমত চিকিৎসা নিলে ব্রেস্ট ক্যান্সার আরোগ্যযোগ্য। তবে এক্ষেত্রে প্রথম থেকে দক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের চিকিৎসা পেলে রোগী ভাল উপকার পায়। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে এ ধরনের রোগীর চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
প্র: আপনি দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করছেন। আপনি কি মনে করেন হোমিওপ্যাথি ঔষধ দ্বারা ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব? -ডা: মোখলেছুর রহমান, ঢাকা।
উ: আমি মনে করি ক্যান্সার নিরাময়ে হোমিওপ্যাথি ঔষধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ জন্য একাডেমিকভাবে চিকিৎসকদের দক্ষ হতে হবে।
প্র: নিজেই নিজের ক্যান্সার সম্পর্কে জানার জন্য কি করতে হবে? -ডা: মাসুম, ঢাকা।
উ: মহিলাদের স্তনে কোন চাকা আছে কি না তা জানার জন্য প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট দিনে নিজেই নিজের পরীক্ষা করতে পারে (ইঝঊ), চামড়ায় কোন ঝুঁকি লক্ষণ আছে কি না তা জানার জন্য রয়েছে ঝশরহ ঝবষভ-বীধসরহধঃরড়হ (ঝঝঊ), এবং অন্ডকোষ পরীক্ষার জন্য রয়েছে ঞবংঃরপঁষধৎ ঝবষভ-বীধসরহধঃরড়হ (ঞঝঊ)। এ সব সহজ পরীক্ষার দ্বারা নিজেই নিজের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং সময়মত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া সম্ভব হয়। পরীক্ষাগুলো নিকটস্থ কোন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র কিংবা ব্যক্তিগত চিকিৎসকের কাছ থেকে শিখে নেয়া যায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে নিজেই নিজের পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্র: বিশ্ব ক্যন্সার দিবসের মূল লক্ষ্য কি?
ডা: মমতাজ উদ্দিন, ঢাকা
উ: বিশ্ব ক্যান্সার দিবসের মূল লক্ষ্য ক্যান্সার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। এ বছরও মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে : ঞড়মবঃযবৎ রঃ রং ঢ়ড়ংংরনষব. মানে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। বলা হচ্ছে, শতকরা ৪৩ ভাগ ক্যন্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলো যাতে সোচ্চার হয় সে জন্য রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ক্যান্সার প্রতিরোধ কর্মসূচিকে সংযুক্ত করার জন্য এবার গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
প্র: কি কি কারণে ক্যান্সার বেশী হচ্ছে?
-ডা: আমানুল্লাহ, ঢাকা
উ : আমাদের জীবনাচারের সাথে ক্যান্সার সম্পৃক্ত। যেমন, এক সমীক্ষায় জানা যায়, খাবারজনিত কারণে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার শতকরা ৩৫-৪০ ভাগ। ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্য সেবনের কারণে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার শতকরা ৩০-৩৫। যৌনঘটিত কারণে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার শতকরা ৭-৮ ভাগ। মদপানের কারণে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হার ২-৩ ভাগ। অর্থাৎ জীবনাচারের সাথে ক্যান্সার সম্পৃক্ত।
প্র: ভিটামিন ‘সি’ কি কি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে?
-ডা: মনির হোসেন, কুমিল্লা
উ: ভিটামিন সি যে সব অঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে তার মধ্যে রয়েছে মুখ, অন্ননালী, অন্ত্র, পাকস্থলী, পায়ুপথ এবং জরায়ুর মুখ। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে আমলকী, আমড়া, আম, পেয়ারা, ফুলকপি, কমলা, লেবু, কাঁচামরিচ, পেঁপে, টমেটো প্রভৃতি।
প্র: শাকসবজির সাথে ক্যান্সারের সম্পর্ক কি?
-ডা: নাজমুন আরা, ঢাকা
উ: বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, সবুজ, হলুদ এবং পাতাজাতীয় শাকসবজি অস্ত্র, পায়ুপথ, প্রোস্টেট, পাকস্থলী, শ্বাসযন্ত্র, স্তন এবং জরায়ুর মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে। এ জন্যবাঁধাকপি ও ফুলকপি বেশী উপকারী।
প্রশ্ন পাঠাতে পারেন : মোবাইল : ০১৭৪৭-১২৯৫৪৭, Faccbook/drgmfarouq

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ