ঢাকা, বুধবার 08 March 2017, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ফটিকছড়িতে কৃষকরা বোরো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: ফটিকছড়িতে আমনের পর বোরো চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কৃষক।
তবে ফটিকছড়ির বোরোর চাষ হয় আমন চাষের প্রায় অর্ধকের চেয়েও কম। সেচের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে বোরো চাষ ব্যাহত হয় বলে জানা গেছে।
জানা যায়, ৭৫৬.২৮ বর্গকিলোমিটারের আয়তনের এ উপজেলায় আবাদি জমির পরিমাণ হচ্ছে ৩৬ হাজার হেক্টর। উপজেলার মোট ৬২ হাজার কৃষক ২২ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে এবার আমন চাষ করেছিল। বোরো মওসুমে দেখা যায় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে শুধু মাত্র ৮ হাজার  ২৪০ হেক্টর। যা গত মওসুমে ছিল ৭ হাজার ৬৮০ হেক্টর। তবে তা ছাড়িয়ে ৮ হাজার ২০০ হেক্টর পর্যন্ত চাষ হয়েছে। যা হিসেব করলে দেখা যায় আমন চাষের প্রায় অর্ধেকের চেয়েও কম। আমন হয় এ রকম জমিসহ প্রায় ২০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির চাষ হয়েছে। তা মিলিয়েও আমনের অর্ধেক নয়।
সরেজমিন উপজেলার দৌলতপুর, রোসাংগিরী, খিরাম, লেলাং, পাইন্দং, ধর্মপুর, সমিতির হাট, আবদুল্লাহপুরসহ বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কিছু ধানি জমি অনাবাদী রয়ে গেছে। কৃষকদের সাথে কথা বলে কারণ হিসেবে জানা যায়, আমন মওসুমে সেচের সমস্যা হয় না বোরো মওসুমে সেচের অভাবে চাষ করা যায় না।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে নদী, খাল, ছাড়ার পানি বণ্টন নিয়েও অভিযোগ করেন অনেক স্থানের কৃষক।
অনেক স্থানে বোরো চাষ হলেও সামনে সেচের অভাবে বোরো নিয়ে শংকায় ভুগছে কৃষকরা। এদিকে সব জমি যদি সেচের মাধ্যমে চাষাবাদের আওতায় আনা যেতো তাহলে বোরো মওসুমেও আমনের মতো বেশি মাত্রায় ফলন হতো বলে মনে করেন অনেকেই।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমান কয়েকটি সেচ প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া শুষ্ক মওসুমে বিভিন্ন ছড়া খাল নদীর পানির শুকিয়ে যায়। ফলে জমিতে সেচ প্রদানে বাধা সৃষ্টি হয়।
দৌলতপুর ইউনিয়নের কৃষক মোহাম্মদ হারুন, গোপালঘাটার কৃষক মওলানা আজিজ জানান, রোসাংগিরী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আনিস, পাইন্দং এলাকার মো. জহুর, সঠিক সময়ে পানি না ফেলে আমাদের শত শত একর জমির ধান নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা শেষ হয়ে যাবো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ