ঢাকা, বুধবার 08 March 2017, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মেয়াদ উত্তীর্ণ শিশু খাদ্যে বাজার সয়লাব

মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা: মাধবদীতে ফরমালিন মিশ্রিত সবজি, ফল, মাছ ও বেকারিতে তৈরি শিশু খাদ্য রুটি, বিস্কুট, কেক, বার্গার, পেটিস, নারু, বাটারবন উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ বিহীন পণ্যে সয়লাব হয়ে আছে মাধবদীর হাটবাজারে। এসব খাদ্যপণ্য অবাধে বিক্রি হচ্ছে মাধবদী ও এর আশপাশের কনফেকশনারী, মনোহরি ও খোলা মার্কেটের পান সিগারেটের দোকানেও। এসব পচা বাসি ও খাদ্যমান নিয়ন্ত্রণহীন অখাদ্য খেয়ে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী সহ সর্বস্তরের শিশুসহ সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে নানা দূরারোগ্য রোগ ব্যাধিতে। দীর্ঘদিনেও প্রতিকারের ব্যবস্থা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি জনমনে বাড়তি শঙ্কা দেখা দিয়েছে মুরগীর সাদা ডিম নিয়ে। এখানে আলোচনা চালু রয়েছে এসব সাদা ডিম মুরগীর ডিম না এগুলো চীন থেকে আমদানিকৃত কৃত্রিম প্লাস্টিক ডিম। যার ভেতরের কুসুম সাদা এবং ডিমের গন্ধও এর মধ্যে নেই। এ রকম আলোচনা এখন মাধবদীতে দারুণ ভাবে সাড়া জাগিয়েছে। গত ৫ মার্চ রোববার মাধবদী বাসস্ট্যান্ড, স্কুল মার্কেট ও মাছ বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে বিভিন্ন দোকানে কয়েকটি বেকারির নাম ছাড়া কয়েকটি শিশু খাদ্যপণ্য দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। যাতে প্যাকেটের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের কোন তারিখ লেখা নেই। মাছ বাজারে  বিক্রেতারা মাছ সংরক্ষণের জন্য পূর্বে যে বরফ ব্যবহার করতেন এখন তা নেই। বরফ ছাড়া দীর্ঘ সময় কিভাবে সংরক্ষণে রাখেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলা হয় আমাদের কিছুই করতে হয়না। মাছের আড়ৎ থেকে আনার সময় তারাই মেডিসিন দিয়ে দেয়। এতে ঢাকার শোয়ারী ঘাট ও সাতক্ষীরা বরিশাল অঞ্চল থেকে ঢাকা হয়ে মাধবদী আসতে দীর্ঘ সময়ে মাছ থাকে তাজা। ফলপট্টি ও শাক-সবজির বাজার ঘুরেও দেখা গেছে একই দৃশ্য। এখানে ফরমালিন পরীক্ষার কোন বুথ বা কর্তৃপক্ষ ও দেখা যায়নি। মাঝে মাঝে হোটেল রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা হলেও শিশু খাদ্য, মাছ, সবজি ও ফল পট্রিতে দীর্ঘ দিন কোন তদারকি বা অভিযান নেই। খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন ত্বরিত ব্যবস্থা নেবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য স্বচেতন বিশিষ্ট অবহেলিত নাগরিক সমাজ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ