ঢাকা, বৃহস্পতিবার 09 March 2017, ২৫ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পুনঃতদন্তের বিষয়ে  আদেশ আজ

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান ও আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া।

গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার পক্ষে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা পুনঃতদন্ত চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবীরা।

আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমরা শুনানিতে বলেছি, এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সঠিকভাবে তদন্ত করেননি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য ১৯৯১ সালে তৎকালীন কুয়েতের আমীর চার কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। ওই অনুদানের সত্যতা নিশ্চিত করে কুয়েতের বর্তমান আমীর ও কুয়েতের দূতাবাস থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ মিথ্যা তদন্ত করে বলেছেন, ওই টাকা সৌদি আরব থেকে আনা হয়েছে এবং অনিয়ম হয়েছে, যা একটি মিথ্যা প্রতিবেদন। তাই খালেদা জিয়া এ মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে আবেদন করেছেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি বিচার আবু আহমেদ জমাদার খালেদা জিয়ার এ আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছিলেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করি।

২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশে একটি বিদেশী ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ আসামী মোট ছয়জন। অন্য পাঁচ আসামী হলেন-বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ৩২ জন সাক্ষী। জামিনে থাকা দুই আসামী কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছেন। ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ