ঢাকা, বৃহস্পতিবার 09 March 2017, ২৫ ফাল্গুন ১৪২৩, ০৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শান্তির সমাজ বিনির্মাণে নারী-পুরুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার : আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপদযাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগ। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাস্তবজীবনে ইসলামের অনুসরণের অভাবেই নারী সমাজ তাদের নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে নারীরা এখন নির্যাতিত, নিগৃহীত ও অধিকার বঞ্চিত। নারী অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একমাত্র গ্যারান্টি ইসলাম। নারী নেতৃবৃন্দ শান্তির সমাজ বিনির্মাণে নারী-পূরুষ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। 

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দীকা পারভীন বলেছেন, নারী অধিকার ও মর্যাদার একমাত্র গ্যারান্টি ইসলাম। 

গতকাল আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা ও নারী পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে 'নারী অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলাম' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

বিশিষ্ট কথা-সাহিত্যিক নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ হাজেরা আক্তার, জান্নাত আরা এবং কথা-সাহিত্যিক খাদিজা আক্তার ও ফাতেমা খানম। 

আয়েশা সিদ্দীকা পারভীন আরও বলেন, বর্তমানে নারীরা সর্বত্র নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্রে কোথাও নারী নিরাপদ নয়। সভ্যতা এগিয়েছে কিন্তু নারীর অবস্থানের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন ঘটেনি। ইসলাম প্রদত্ত নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই নারীর কাক্সিক্ষত মুক্তি সম্ভব। 

সভায় বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে ইসলাম প্রদত্ত নারীর অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রের কর্ণধারদের পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। তারা নারীর নিরাপদ কর্মক্ষেত্র, সমাজে, রাষ্ট্রে নারীর সত্যিকার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে তারা সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান। সেই সাথে মা ও স্ত্রী হিসেবে নারীর শাশ্বত দায়িত্বের প্রতি পুরুষ-নারী সর্বস্তরের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের জোর দাবি জানান।

ঢাকা মহানগরী উত্তর: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি উম্মে জামিনুর বলেছেন, বাস্তবজীবনে ইসলামের অনুসরণের অভাবেই নারী সমাজ তাদের নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে নারীরা এখন নির্যাতিত, নিগৃহীত ও অধিকার বঞ্চিত। মূলত ইসলামই নারী জাতিকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে। তাই নারী সমাজের অধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আদর্শের দিকেই ফিরে আসতে হবে। তিনি নারীদেরকে ইসলামী আদর্শে জীবন গঠন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

গতকাল রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মহিলা বিভাগ আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য মার্জিয়া বিনতে রহমান, উম্মে জয়নাব ও মমতাজ আহমেদ প্রমুখ। 

উম্মে জামিনুর বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সৃষ্টির ধারাহিকতা ও ভারসাম্য রক্ষার জন্যই নর-নারীর সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নারীর নায্য অধিকার নিশ্চিত করেছেন। ইসলাম নারীদেরকে যে মর্যাদা দিয়েছে অন্য কোন ধর্মেই তা নিশ্চিত করা হয়নি বরং নারীদেরকে ভোগের সামগ্রী বানানো হয়েছে। তথাকথিত প্রগতিশীলদের নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা গেলেও নারী সমাজ তাদের দ্বারা বেশী নিগ্রহের শিকার হন। এরা ইসলামকেই নারী অধিকারের প্রতিপক্ষ বানিয়েছে। অথচ ইসলামই নারী অধিকার ও সম্ভ্রমের অদ্বিতীয় রক্ষাকবজ। মূলত নারীরা পুরুষের অর্ধাঙ্গিনী ও একে অপরের পরিপূরক। কালামে হাকীমে নারী ও পুরুষকে পরস্পরের পোশাক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই শান্তির সমাজ বিনির্মাণে নারী-পুরুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, নারীর সম্পৃক্ততা ছাড়া কোন ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব নয়। সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই নারীরা তাদের মেধা, মনন, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা, শ্রম, কর্তব্যনিষ্ঠা ও মমতার সংমিশ্রণে সভ্যতার অগ্রযাত্রায় নিজেদেরকে অপরিহার্য প্রমাণ করেছেন। ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং হযরত সুমাইয়া (রা.) ইসলামের জন্য আত্মোৎস্বর্গের মাধ্যমে ইসলামের প্রথম শহীদ হওয়ার সুমহান গৌরব অর্জন করেছেন। তাই নারী সমাজকে অতীতের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি নারী সমাজকে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে নিজেদেরকে গৌরবান্বিত করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, দেশে অপশাসন-দুঃশাসন চলছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে নারীরা হয়রানি ও জুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। রাষ্ট্রের শীর্ষপর্যায়ে নারীদের সরব পদচারণা হলেও সুশাসনের অভাবেই দেশের নারী সমাজ আজ অধিকার বঞ্চিত ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। দেশে নারী-নির্যাতন প্রতিরোধ আইন থাকলেও আইনের শাসনের অভাবে নারী নির্যাতনের ঘটনা ক্রমবর্ধমান। ফলে নারীরা সকল ক্ষেত্রেই অবমূল্যায়িত হচ্ছেন। নারীর ক্ষমতায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরিসহ সকল পেশাতেই নারীরা উপেক্ষার শিকার হচ্ছেন। শুধু নারী সমাজই নয় বরং দেশে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত না থাকায় সকল শ্রেণির মানুষই এখন রাষ্ট্রীয় অনাচারের শিকার। তাই জাতির এই ক্রান্তিকাল থেকে উত্তরণের জন্য নারী-পূরুষসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। তিনি অধিকার আদায়, জুলুম-নির্যাতন ও বৈষম্য মোকাবেলায় নারী সমাজকে ইসলামী আদর্শের আলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

খুলনা অফিস : আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরী মহিলা বিভাগের আলোচনা সভা গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে নগর সভাপতি উম্মে কুলসুম বলেন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রগতি ও উন্নয়নের নামে নারীরা আজ সমাজকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য চেষ্টা চালাছে। সমাজে নারী নির্যাতন ও এসিড নিক্ষেপসহ চরম মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে। নারী শিশু শ্রমিক ও গৃহকর্মীসহ বিভিন্ন স্থানে নারীদের উপর চরম জুলুম নির্যাতন চলছে। অথচ নারী হচ্ছে সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সমাজের উন্নয়নের জন্য নারী সমাজের উন্নয়ন প্রয়োজন। নারী আল্লাহ পাকের এক অনন্য ও মর্যাদাবান সৃষ্টি। পুরুষ ও নারীকে একে অপরের সহযোগী ও বন্ধুরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে। ইসলামই নারীর পরিপূর্ণ মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করেছেন। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলামের বিকল্প নেই। ইসলামী শরিয়াভিত্তিক সমাজ ছাড়া নারী মুক্তি সম্ভব নয়। উত্তরাধিকার আইন, সামাজিক মর্যাদাসহ নারীর সার্বিক উন্নয়ন একমাত্র ইসলামী আইনের মাধ্যমেই সম্ভব। ইসলাম নারীর অধিকার শতভাগ নিশ্চিত করেছে। পৃথিবীর অন্যকোন জীবন ব্যবস্থাতে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা হুমকীর সম্মুখীন।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জোবায়দা বেগম, কানিজ আহমদ, মায়নুরা বেগম, ফরিদা পারভিন, সম্পা রায়হান, জান্নাতুল ফেরদৌস, জান্নাতুন নাঈমা, হালিমা বেগম প্রমুখ।

চট্টগ্রাম : গতকাল আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় নারী নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ইসলামী আদর্শ অনুসরণ না করার কারণেই আজ নারী সমাজ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত ও অবহেলিত। সমাজে নারীরা যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা পাচ্ছে না। নারীরা নির্যাতিত, শোষিত ও বৈষম্মের শিকার হচ্ছে। দেশ ও জাতিকে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নারীদের যথাযথ মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। নারী নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ইসলামী আদর্শই নারী সমাজকে সব চেয়ে বেশি মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে। নারীগণ মায়ের জাতি। ইসলাম মা’কে যত মর্যাদা প্রদান করেছে অন্য কোন আদর্শ তা দিতে পারেনি। নেত্রীবৃন্দ বলেন, ইসলামী আদর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করার মাধ্যমেই নারীর মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর মহিলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় নারী নেত্রীবৃন্দ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। 

উম্মে নাফিছার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উম্মে ফাহমিদা। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নারী নেত্রী উম্মে সুমাইয়া, মিসেস ছায়েরা বেগম প্রমুখ। 

এ ছাড়াও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নগরীর বাকলিয়া, চান্দগাঁও ও হালিশহরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, মিসেস ফারজানা পারভিন, মনিরা বেগম, আয়েশা ইসলাম, মোন্তাহা আহমেদ, ফাতিমা বেগম ও শাহনাজ বেগম প্রমুখ। 

গাজীপুর সংবাদদাতা : কেন্দ্রিয় কর্মপরিষদ সদস্য ও গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ ইবনে ফয়েজ বলেছেন, একমাত্র ইসলামই নারী ও পুরুষের পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা নিশ্চিত করেছ। ইসলামের বিজয় ছাড়া নির্যাতিত নারী সমাজের মুক্তির অন্য কোনো উপায় নেই। তিনি গতকাল বুধবার বিকেলে বিশ্ব নারী দিবসে গাজীপুর মহানগর জামায়াতের মহিলা বিভাগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, পাশ্চাত্য সভ্যতা চটকদার শ্লোগানের আড়ালে নারীদের ভোগ্য পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের বিজয়ের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। 

মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি উম্মে লুবাবার সভানেত্রিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা গোলামুল কুদ্দুস, বিশিষ্ট সমাজকর্মী আমেনা বেগম, তাসলিমা খানম প্রমূখ। 

মেহেরপুর জেলা সংবাদদাতা : মেহেরপুরে জেলা জামায়াতের মহিলা বিভাগের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহিলা নারী দিবস পালিত হয়। গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় মজিবনগর উপজেলায় নিজস্ব কার্যালয়ে, রাশিদা খাতুন জেলা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মজিবনগর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান গুল নাহার বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উম্মে হানি মজিবনগর উপজেলা মহিলা জামাতের সেক্রেটারি। বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন তখনই সার্থক হবে যখন নারীর মর্যাদার সহিত দেশের উন্নয়ন কাজে অংশিদার হতে পারবেন। 

ডাবলমুরিং : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবমুরিং থানাস্থ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের উদ্যোগে আন্তর্জাাতিক নারী দিবস পালিত হয়। বিশিষ্ট নারী নেত্রী শাহেদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরীর বিশিষ্ট নারী নেত্রী মিসেস উম্মে মোনতাকা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাস্তব জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলামের অনুসরণই রয়েছে নারীদের কল্যাণ। বর্তমানে দেশে, সমাজ ও পরিবারে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত নেই বলেই নারী সমাজ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি সমাজ ও পরিবারে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করা হলেই নারী সমাজ তাদের সকল অধিকার ফিরে পাবে। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন নারী নেত্রী মিসেস রুমি আক্তার ও মিসেস মাসুদা নজরুল। 

ফরিদপুর সংবাদদাতা : আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ আলোচনা সভার আয়োজন করে। গতকাল বুধবার বিকাল ৪টার সময় ফরিদপুর শহরতলীর একটি অডিটোরিয়ামে নারী দিবসের এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে নারীরা সবচেয়ে নির্যাতীত নিস্পেশিত। নারীরা পাচ্ছেন না তাদের অধিকার। সম অধিকারের কথা বলে নারীদের ভোগের পন্য বানানো হচ্ছে। আমাদেরকে বোকা বানিয়ে তথা কথিত মানবাধিকার কর্মীরা ফায়দা লুটে নিচ্ছে । নারীর অধিকার আদায়ের কথা বলে পাশ্চাত্যর উলঙ্গ সংস্কৃতি গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করছে। আমাদের সতর্ক হতে হবে। ইসলাম নারীকে যথাযথ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নারীদের ইসলামের সুমহান ছায়াতলে আশ্রয় নেওয়ার বিকল্প নেই। মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রায় পুরুষের পাশাপাশি নারীদের রয়েছে অসামান্য অবদান। বক্তারা নারীদের আহবান জানান ইসলামী আদর্শকে বুকে ধারন করে প্রকৃত নারী স্বাধীনতা আদায়ের লক্ষ্যে নারী অধিকার আদায়ে আরো সোচ্চার হব। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের আঞ্চলিক দায়িত্বশীল মমতাজ বেগম, জেলা সেক্রেটারী মনোয়ারা বেগম, পৌরসভা দায়িত্বশীল জাবিনা তোহফা সহ মহিলা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলগন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ