ঢাকা, শুক্রবার 10 March 2017, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৩, ১০ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ডুমুরিয়ায় ১৪৯ বছরের দাতব্যলয়ের ভবনটি অরক্ষিত

খুলনা অফিস: অযতœ অবহেলায় আর সংরক্ষণের অভাবে অনেক স্মৃতি বিজড়িত খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মানুষের জন্য প্রথম চিকিৎসালয়টি (দাতব্যলয়) ১শ’ ৪৯ বছর আজও মাথা উঁচু করে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে।

স্থানীয় প্রবীণ লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তৎকালীন জমিদার আমলে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বর্তমান থানা পশ্চিম পাশে অর্থাৎ মরা ভন্দ্রা নদীর পাড়ে ১৮৬৮ সালে ওই চিকিৎসালটি স্থাপন করা হয়। তৎকালিন ডুমুরিয়া অঞ্চলের মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে স্থানীয়ভাবে এ দাতব্যলয় চিকিৎসা সেবা নিতে আসতো। বর্তমান অধুনিক যুগে চিকিৎসা ক্ষেত্রে মানুষ এখন আর পিছিয়ে নেই। তবে ডুমুরিয়ায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রথম দাতব্যলয় এখানে অনেক স্মৃতি বহন করে। সে কারণে সঠিক ইতিহাস জানতে ১৪৯ বছরের দাতব্যলয়টি বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ। অন্যথায় একসময় দেখা যাবে ওই দাতব্যলয়ের গল্প দাদা-দাদী বা নানা-নানির কাছে গল্পের খোরাক হয়ে দাঁড়াবে। 

ডুমুরিয়ার অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর আবদুল কাদের খান জানান, অতীতকে ভুলে গেলে চলবে না। ডুমুরিয়ার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই দাতব্যলয় ভবনটি সংরক্ষণ করা দরকার। কারণ ১৯৭১ সালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর কাছে অনেক অনাজা স্মৃতি এখানে লুকিয়ে আছে। যা অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী বর্তমান প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানা দরকার। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মারুফ হাসান বলেন, পুরোন এ দাতব্যলয়টি দ্রুতই সংস্কার করে সংরক্ষণের আওতায় আনা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ