ঢাকা, শনিবার 11 March 2017, ২৭ ফাল্গুন ১৪২৩, ১১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পাশ্চাত্যের সেকুলার শিক্ষানীতিতে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি তৈরি হবে

হাতিয়া উপজেলা পরিষদ মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিশাল তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা মামুনুর রশীদ নূরী, মাওলানা আবদুল হালিম হিলালী যুক্তিবাদী, হাফেজ মাওলানা মোজাম্মেলল হক।

চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা মামুনুর রশীদ নূরী বলেছেন, জ্ঞান হচ্ছে উন্নতি ও অগ্রগতির সোপান, একটি জাতিকে সমৃদ্ধির স্বর্ণশিখরে পৌঁছায়ে দেয়ার মাধ্যম। আর জ্ঞানীরা হচ্ছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সন্তান, জ্ঞান অর্জনকরা শুধু শুভবুদ্ধির পরিচায়ক নয় ধর্মীয় কর্তব্যও বটে। কারণ জ্ঞান অর্জন ছাড়া কোন জাতি সুসভ্য ও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না এ জন্য ইসলামে জ্ঞান অর্জনকে ফরজ করে দিয়েছে। 

মাওলানা নূরী নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা পরিষদ মসজিদ প্রাঙ্গণে আল্লাহ রুহুল আমীন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুদিনব্যাপী তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় উপরোক্ত কথা বলেন। 

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সাবেক প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে বিশেষ বক্তা ছিলেন, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আবদুল হালিম হিলালী যুক্তিবাদী, হাফেজ মাওলানা মোজাম্মেলল হক, মাওলানা সাইফুল্লাহ ফয়সাল প্রমুখ। প্রধান মুফাস্সির আরো বলেন, ধর্মীয় জীবন যাপনে মানুষকে মানুষ হিসেবে চলার জন্য আল্লাহর নির্দেশিত পথের সন্ধান কেবল জ্ঞানের সাহায্যেই সম্ভব। অশিক্ষিত ও অজ্ঞনতা মানুষকে পশু চরিত্রের দিকে ধাবিত করে। আজ মুসলমানদের মাঝে ইসলামের সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে ধর্মীয় অন্ধত্বে নিমর্জিত হয়ে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। তিনি বলেন, উপমহাদেশে হক্কানী আলেমগণ বৃটিশদের দ্বীনি শিক্ষা বিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকার ফলে এদেশের মুসলমানেরা আজ ইসলাম ও ধর্ম কর্ম নিয়ে বেঁচে আছেন। হক্কানী আলেমরা মুসলমানদের ঈমানী কৃষ্টিকালচার, ঐতিহ্য ও ইসলামী শিক্ষা সাংস্কৃতিকে বৃটিশদের হিং¯্র থাবা থেকে রক্ষা করার জন্য তাদের জীবনকেও উৎসর্গ করেছিনে। তাদের আত্মত্যাগ ও দুঃসাহসিক ভূমিকার বদৌলতে বৃটিশ বেনিয়ারা এদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। মাওলানা নূরী এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের শিক্ষা হিসেবে নিশ্চিত করার জন্য পাশ্চাত্যের সেকুলার শিক্ষানীতির বিরাজিত। বৈষম্যগুলোকে চিহ্নিত করে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে নব্বই শতাংশ জনগোষ্ঠীর আকাক্সক্ষা অনুযায়ী যুগোপযোগী শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ