ঢাকা, শনিবার 11 March 2017, ২৭ ফাল্গুন ১৪২৩, ১১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জনগণের বাড়ছে ভোগান্তি আর কষ্ট

সাইফুল ইসলাম তানভীর : বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের ওপর একের পর এক জুলুম, অন্যায় চালিয়ে এক ধরনের “অভিজ্ঞতা” অর্জন করছে। তারা নিজেদেরকে খুব ক্ষমতাবান মনে করছেন। যেনতেন ক্ষমতাবান নয়, মহাক্ষমতাবান মনে করছেন। তারা মনে করছেন আমরা যেটা করছি সেটাই সঠিক সেটাই রাইট। যখনই তারা মনে করছেন যে আমাদের আরো অর্থ কামানো দরকার তখনই তারা জনগণের ওপর একেকটা জুলুম চাপিয়ে দেন। বিভিন্ন জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি করে দেন ইত্যাদি। এই অন্যায় কাজগুলোকে সঠিক প্রচার করার জন্য তারা শক্তিশালী মিডিয়া তৈরি করেছেন। সম্প্রতি সরকার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এতে নি¤œবিত্ত, নি¤œ মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন বড় জুলুমের শিকার হতে যাচ্ছেন। যদিও সরকার বলছে, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক অনেক ভালো। বাস্তবে সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী এবং হাতে গোনা কিছু সংখ্যক লোক বাদে অধিকাংশই আর্থিক সমস্যায় ভুগছেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম ছিল- “গ্যাসের দাম জুন থেকে ১ চুলা ৯০০, ২ চুলা-৯৫০” এই প্রতিবেদনের প্রথম দুটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (গ্যাসের দাম দুই দফায় গড়ে ২২.৭ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষনা জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়) ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে বার বার বলা হচ্ছে যে- মাত্র ৩৫ লক্ষ লোক বা পরিবার লাইনের গ্যাস ব্যবহার করছেন ইত্যাদি কথা। এ কথার সারাংশ হচ্ছে যে এত অল্প লোক নিয়ে এত চিন্তা কেন? আমার জানা মতে ঢাকা শহরেই বহু পরিবার আছে- যারা ফ্লাট বাসায় ভাড়া থেকেও পরিবারের সদস্যদের মৌলিক অনেক চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। অতিরিক্ত বাসা ভাড়া, স্কুল খরচ, শিশু সন্তানের দুধ ইত্যাদি খরচের জন্যই তাদের মারাত্মক বেগ পেতে হচ্ছে। এরপর যদি আবার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে তাহলে সেটা তাদের জন্য আরো জুলুম হয়। সরকার সিলিন্ডার প্রতি বা চুলা প্রতি ১০০-২০০ টাকা অতিরিক্ত খরচকে তেমন কিছু মনে করছেন না। মনে করার কথাও নয়। তাদের অনেকেই নিম্নবিত্ত থেকে হয়েছেন উচ্চ বিত্তবান। এরকম উচ্চ বিত্তবান হতে তাদের তেমন বেগ পেতে হয় নি।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ইংরেজী- The Daily Star পত্রিকায় স্বল্প আয়ের কয়েকটি পরিবারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। শিরোনাম ছিল- “Gas price hike sparks protest/hartal called for Feb 28; Minister hints at power tariff hike.”
এখান থেকে প্রথম কিছু কথা এখানে তুলে ধরছি- (The news of Gas price hike caught Amanul Karim by surprise. It took him sometime to grab the details of the news report on the television on Thursday night. Switching off the TV, he then told his wife about the government decision; and the people discussed how to pay the extra bill with his limited income.)
ঢাকার বাড্ডা এলাকায় থাকেন ছদ্মনাম জমির, তার তিন সন্তান। স্ত্রীসহ তারা মোট পাঁচজন। তিনি একটা বেসরকারী কোম্পানীতে চাকরী করেন। বেতন সামান্য। আবার নিয়মিত বেতন তাও পান না। এজন্য বাসা ভাড়াও ঠিকমত দিতে পারেন না। তিনি সন্তানদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে পারছেন না। তার সন্তানরা পুষ্টিহীনতায়। তার সন্তানদের মাদ্রাসায় পড়ান। সেখানেও তেমন খরচ করতে পারেন না। এ ধরনের লোকদের বাসায় চুলার খরচ বাড়লে সেটা কিভাবে মিটাবে। এরকম শুধু একজন নয়। লাখ লাখ পরিবার আছে যাদের আয় সীমিত। যদিও সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা মন্তব্য করেছেন গরীব দেখাতে হলে নাকি জাদুঘরে যেতে হবে। এসব মন্তব্য হলো অত্যন্ত হাস্যকর। তিনি রাসূল (সাঃ) এর হাদীস অনুযায়ী এমন মন্তব্য করেছেন? না তাদের দলীয় নব্য ধনাঢ্য কয়েকজনকে দেখে অমন মন্তব্য করলেন? না বাস্তবে দেখে শুনে মন্তব্য করেছেন? সেটা কে জানে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী বি.বি.সির (বাংলা) শিরোনাম ছিল- “বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে গৃহস্থালির গ্যাসের দাম বাড়ানো হলো”। শিরোনামের নীচে বড় করে একটি ছবি দেয়া ছিল। ছবির নীচে লেখা ছিল- “গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ভোক্তাদের উপর চাপ বাড়াবে সন্দেহ নেই”।
বি.বি.সির এই প্রতিবেদন থেকে প্রথম কয়েকটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (বাংলাদেশে আগামী মার্চ মাসের শুরু থেকে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষনা এসেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন জানিয়েছে, বর্ধিত দাম অনুসারে একটি গ্যাসের চুলার জন্য প্রতিমাসে বিল পরিশোধ করতে ৭৫০ টাকা। তবে জুন মাস থেকে সে দাম আরো বেড়ে ৯০০ টাকা হবে বলে জানিয়েছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। বর্ধিত দাম অনুসারে দুটি চুলার জন্য মার্চ মাস থেকে বিল দিতে হবে ৮০০ টাকা যেটি জুন মাসে বেড়ে ৯৫০ টাকা।) যারা বাড়িওয়ালা আছেন তারা তো কোন ছুতা পেলেই হলো! সরকার ৩ টাকা বাড়ালে তারা ৯ টাকা বাড়াতে চান। গ্যাসের দাম বাড়ার ঘোষণার সাথে সাথে বাড়ীওয়ালারা প্রস্তুত হয়েছেন ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে কিভাবে বেশি টাকা আদায় করবেন। সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবসায়ীরাও দাম বৃদ্ধির ঘোষণার সাথে সাথে দাম বৃদ্ধি করেছেন। অথচ এত দ্রুত দাম বৃদ্ধির কথা নয়। সরকারের ঘোষণা সত্যিই বাস্তবায়ন হলে- সেটা আরো পরে বৃদ্ধি হওয়ার কথা। কিন্তু কে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করবে? ২৫ ফেব্রুয়ারী দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম ছিল- “গ্যাসের পর বাড়ছে বিদ্যুতের দাম” এই প্রতিবেদন থেকে দুটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কথা জানালেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।)
গত ২৫ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ প্রতিদিনের শিরোনাম ছিল- “বিদ্যুতের দামও বাড়বে” এই প্রতিবেদনের একটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্য সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক মন্তব্য করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, বিদ্যুতের দামও বাড়বে) ভোটবিহীন, জবাবদিহিবিহীন এই সরকারের মন্ত্রীগণ যা খুশি তাই করছেন। জনগণ তাদের কাছে কিছু নয়। তারা সরকার প্রধানের কাছে জনগণের স্বার্থের পক্ষের কথা তুলে ধরতে সাহস পান না। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী কালের কন্ঠের শিরোনাম ছিল “দাম বাড়ছে বিদ্যুতেরও” প্রথম কয়েকটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (বিভিন্ন ধাতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর এবার বিদ্যুতের দামও বাড়ানোর ঘোষনা) ক্ষমতাসীন সরকারের অর্থমন্ত্রী ২ টাকার নোট চিনেন না। তার কাছে চার হাজার কোটি টাকা কিছুই না। তাদের নিয়োগ দেয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গর্ভনর ব্যস্ত ছিলেন রবিন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে। এই ফাঁকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েক হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে গেছে। এমন অর্থমন্ত্রী গ্যাসের, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কিইবা বলতে পারেন। তিনি বলেছেন, “গ্যাসের দাম কম ছিল তাই বাড়ানো হয়েছে: অর্থমন্ত্রী দৈনিক যুগান্তর ২৫ ফেব্রুয়ারী। ২৫ ফেব্রুয়ারী দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম ছিল- “গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে ঘরে ঘরে ক্ষোভ” এখান থেকে কিছু কথা এখানে তুলে ধরছি- (মাত্র দেড় বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের দাম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষোভের আগুনে জ্বলছেন ব্যবসায়, শিল্পোদ্যোক্তা, পরিবহন শ্রমিকসহ সব শ্রেনী পেশার মানুষ।) ক্ষমতাসীন সরকার জগনকে পাত্তা দেন না। তারা ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছেন। ক্ষমতায় থাকার জন্য বিভিন্ন সার্টিফিকেটও তৈরি করেছেন। ক্ষমতার মোহে তারা অন্ধ পর্যায়ে চলে গেছেন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারী দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম ছিল- “সরকার পাবে সাড়ে তিন হাজার কোটি: জনগণের ঘাড়ে শতগুন” উপশিরোনাম- “গ্যাসের দাম বৃদ্ধি”
এই প্রতিবেদন থেকে প্রথম কয়েকটি কথা এখানে তুলে ধরছি- (গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে গ্যাস কোম্পানীগুলোর তহবিলে সাধারণ গ্রাহকের পকেট থেকে অতিরিক্ত যাবে ৪ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। আর এই আয়ের ৮১ ভাগ যাবে বিভিন্ন কর ও শুল্ক বাবদ সরকারী তহবিলে। এই হিসাবে সরকার গ্রাহকের কাছ থেকে নেবে তিন হাজার ৩৩০ কোটি টাকা। আর এই অর্থ নিতে সাধারণ মানুষের কল্পানাতীত ব্যয় বেড়ে যাবে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে; বছরে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে ব্যয়ের বোঝা পড়বে প্রায় শতগুণ, যা টাকার অঙ্ক প্রায় ৬ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা।)
২৮ ফেব্রুয়ারী দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ছিল- “গ্যাস সিলিন্ডারের দামে অস্থিরতা” উপশিরোনাম- “দুই মাসে বেড়েছে ১০০ থেকে ৩৫০ টাকা।” এই প্রতিবেদনটির প্রথম কথাগুলো এখানে তুলে ধরছি- (দেশে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ৪১টি জেলা থেকে প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা জানিয়েছে, গত দুই মাসে সিলিন্ডার প্রতি ১০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এই খাতের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি কোম্পানী দাম বাড়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে। বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা মনে করছেন, সরকার পাইপ লাইনের গ্যাসের দাম বাড়ানোয় ব্যবসায়ীরা সিলিন্ডারেরও দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে এল পি গ্যাস সিলিন্ডার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, গত জানুয়ারী মাসে কাঁচা মালের দাম বেড়েছে টনপ্রতি ৫০ মার্কিন ডলার।
এরপর ফেব্রুয়ারীতে বেড়েছে টন প্রতি ৯২ ডলার। এই কারণে জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী দুই মাসেই সিলিন্ডার প্রতি ৫০ টাকা করে (মোট ১০০ টাকা) বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, দুই মাসে কাঁচা মালের দাম প্রতি ১৫০ ডলার বাড়ার মানে প্রতি সিলিন্ডারের গ্যাসের দাম প্রায় ১৫০ টাকা করে বেড়ে যাওয়া। তাই না বাড়িয়ে উপায় ছিল না। বসুন্ধরা ছাড়া সব কোম্পানী একই হারে দাম বাড়িয়েছে।)
গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদের জন্য সাধারণ নাগরিকগণ একটি আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল। বিশেষ করে বাম সংগঠনগুলো সোচ্চার হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার তাদেরকে রাস্তায় নামতে দেয়নি।
২৮ ফেব্রুয়ারী দৈনিক প্রথম আলোর একটি খবরের শিরোনাম ছিল- “রাজধানীতে আজ হরতাল ডেকেছে কয়েকটি বাম দল” এখান থেকে কয়েকটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় আধা বেলা হরতাল ডেকেছে কয়েকটি বাম দল। সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সব কাজ বন্ধ রেখে হরতালে শামিল হতে রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এসব দলের নেতারা।) বাম দলের হরতালের দিন পুলিশ তাদেরকে পিটিয়ে অপমান অপদস্ত করে উঠিয়ে দিয়েছে। অথচ একই দিন সরকারের একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে সারাদেশে তান্ডব শুরু হয়।
যেটা কয়েকদিন চলতে থাকে। কিন্তু তখন পুলিশ নিশ্চুপ ছিল। পুলিশ মার খেয়েছে তারপরও তারা নিশ্চুপ ছিল। সাংবাদিকদের অনেকেই সেদিন তথাকথিত শ্রমিকদের হাতে নির্মম প্রহারের শিকার হন। হামলা চালানো হয় রোগীর অ্যাম্বুলেন্সেও। এত কিছুর পরও আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা ২৪ ঘন্টা জামায়াত, শিবির, বি.এন.পি নিয়ে সিরিয়াসলি কান্নাকাটি করছেন। তথাকথিত এই বুদ্ধিজীবীদের টার্গেট হলো এদেশ থেকে ইসলামকে ধ্বংস করা। পরদেশী একটি দেশের এজেন্ট হয়ে তারা মরিয়া হয়ে কাজ করছেন।
এই দেশের কত ক্ষতি হলো বা এদেশের জনগণের কি হলো- সেটা তাদের দেখার বিষয় নয়। গত ১ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকের একটি খবরের শিরোনাম ছিল- “জুন থেকে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি হাইকোর্টে সাময়িক স্থগিত” এখান থেকে প্রথম কয়েকটি বাক্য এখানে তুলে ধরছি- (জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে গৃহস্থালিসহ সকল প্রকার ক্ষেত্রে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ছয়মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট)। একই সঙ্গে দুই দফায় গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত কেন বে-আইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বি ই আর সির চেয়ারম্যান ও সচিবকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ