ঢাকা, শুক্রবার 17 March 2017, ০৩ চৈত্র ১৪২৩, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ দরকার ---মওদুদ

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মশিউর রহমান যাদু মিয়া জাতীয় স্মৃতি কমিটির উদ্যোগে যাদু মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য পেশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ -সংগ্রাম

 

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, রাজনীতিবিদদের হাতে এখন আর রাজনীতি নেই। একইভাবে দেশে কোন গণতন্ত্রও নেই। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সব দলের সমান অধিকার নিশ্চিত করে হলে নির্বাচন কমিশনকে ভূমিকা রাখতে হবে। সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে না পারলে ইসির পদত্যাগ করা উচিৎ।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মশিয়ুর রহমান যাদু মিয়া স্মৃতি কমিটি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি রিটা রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন, বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমন, শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. জাফরুল্লাহ খান প্রমুখ। 

মওদূদ আহমদ বলেন, রাজনীতিবিদদের হাতে এখন আর রাজনীতি নেই। একইভাবে দেশের কোন গণতন্ত্রও নেই। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সব দলের সমান অধিকার নিশ্চিত করদে হলে নির্বাচন কমিশনকে ভূমিকা রাখতে হবে। সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে না পারলে ইসির পদত্যাগ করা উচিৎ।

তিনি আরও বলেন, মশিয়ুর রহমান যাদু মিয়ার মত রাজনীতিবিদ আজ দেশে নেই। আজ থেকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে তার মতো রাজনীতিবিদ দরকার ছিল। তিনি বলেন দেশে আজ কোন গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। দেশের নেই কোন ভোটাধিকার। 

তিনি আরও বলেন, দেশে আজ বিরোধী দলকে দমন করতে একের পর এক মামলা দেয়া হচ্ছে। আজ বিরোধী নেতা কর্মীরা ঘরে ঘুমাতেও পারছে না। অথচ সরকারি দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। হত্যার মামলাসহ সব ধরনের মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।

আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। দেশে আবারও একটি ভোটারবিহীন নির্বাচনের পায়তারা চলছে। আবারও ৫ জানুয়ারির নির্বাচন হলে জনগণ তা মেনে নিবে না। দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে অবশ্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। তানা হলে আগামী নির্বাচনেও ২০ দলীয় জোট অংশ নিবে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার জনমতকে উপেক্ষা করে একের পর এক দেশ বিরোধী চুক্তি করছে। এসব চুক্তি জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। সরকার জনমত উপেক্ষা করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতেছে। এতে করে আমাদের সুন্দর বন ধ্বংস হচ্ছে। তা জনগণ মেনে নিবে না।

ডা.জাফরুল্লাহ বলেন, দেশে যে রাজনীতি চলছে তা নিয়ন্ত্রিত রাজনীতি। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে না। এ অবস্থায় সরকার যে জাতীয় নির্বাচন করার চিন্তা করছে তা করা কঠিন হবে। আবারও যদি সরকার একটি ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন করে তাহলে জনগণ তা মেনে নিবে না।

গহেনযোগ্য নির্বাচন করতে হলে সব দলের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনে ইসিকে নিরপেক্ষা ভূমিকা রাখতে হবে। তানা হলে রাজনৈতিক দলগুলো আবারও নির্বাচন বর্জন করতে পারে। এতে করে দেশ গণতান্ত্রি সংকটে পড়বে। যা আমাদের জন্য কোনভাবেই কল্যানকর হবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ