ঢাকা, শুক্রবার 17 March 2017, ০৩ চৈত্র ১৪২৩, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মালিকের উপস্থিতিতে ১০ হাজার শ্রমিক নিয়োগ হবে

স্টাফ রিপোর্টার: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের চাকরি দিতে আগামীকাল শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী ‘জব ফেয়ার’ আয়োজন করেছে তৈরি পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ। এ মেলায় মালিক পক্ষের উপস্থিতিতে ১০ হাজার কর্মী নিযোগ দেয়া হবে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানায় সংগঠনটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। সংগঠনটির সহসভাপতি ফারুখ হাসানসহ বিজিএমইএ’র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 সিদ্দিকুর রহমান বলেন, স্কিলস ফর ইমপ্লমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেইপ) প্রকল্পের আয়তায় আমরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষগুলোকে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে চাই। এজন্য এই মেলার আয়োজন করেছি। এই মেলায় ৪০টি বড় প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। অংশগ্রহণ করা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত ১ হাজার জনের মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বিজিএমইএ ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে স্কিলস ফর ইমপ্লমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্র্রামের (সেইপ) সাথে সংযুক্ত হয়। পরে এই প্রকল্পের আওতায় বিজিএমইএ-সেইপ নামে কার্যক্রম শুরু করে। প্রকল্পের আওতায় ২০১৮ সালের মধ্যে ৪৩ হাজার ৮০০ কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া। মেলার মাধ্যমে এটা শুরু হলো। ইতিমধ্যে বিজিএমইএ-সেইপের আওতায় দেশের ৩৫টি জেলায় ৫০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার অপারেটর, ৫ হাজার মধ্যম পর্যায়ের কর্মী। যার মধ্য থেকে ১০ হাজার জনকে ইতিমধ্যে চাকরি দেওয়া হয়েছে। বাকি ১০ হাজার শ্রমিককে নিয়োগ দেয়া হবে মেলা থেকে।

তিনি বলেন, পোশাকশিল্পের ইতিহাসে এই প্রথম এত বড় পরিসরে কর্মসংস্থান মেলার আয়োজন হচ্ছে। মেলায় শ্রমিক এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী সাক্ষাতের মাধ্যমে শ্রমিক ও কর্মকর্তা সংগ্রহ করতে পারবে।

এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি আরো দাবি করেন, দেশের কারখানাগুলোর পরিবেশ বিশ্বের কাছে এখন মডেল হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে। আমাদের কারখানাগুলোতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে। এটা এখন দৃশ্যমান।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে পোশাকশিল্পে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি এবং এ সময়ের মধ্য বিশ্বে প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য যে চ্যালেঞ্জ নেওয়া হয়েছে, তা অর্জন করার সক্ষমতা দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ