ঢাকা, রোববার 19 March 2017, ০৫ চৈত্র ১৪২৩, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বাগমারায় আম বাগানগুলো মুখরিত মৌ মৌ গন্ধে

বাগমারায় এক আমবাগানী বাগানে পরিচর্যা করছেন

বাগমারা (রাজশাহী) থেকে আফাজ্জল হোসেন: রাজশাহীর বাগমারা ও তার পাশ্ববর্তী এলাকার আম বাগানগুলো পর্যাপ্ত মুকুল আসায় বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা এবার বেজায় খুশি। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে যাওয়ায় বাগমারা বরেন্দ্র অঞ্চলের আম বাগানগুলো এখন মুখরিত মৌ মৌ গন্ধে। থোকা থোকা অলংকারে সজ্জিত মুকুলের এমন দৃশ্য বাড়িয়ে দিচ্ছে প্রকৃতির অপরূপ-বৈচিত্র্য। আগাম জাতের কিছু আমের গুটি ফুটলেও অধিকাংশ গাছে মুকুলের সমরাহে ছেয়ে আছে। আমের ভাল ফলন পাওয়ার আশায় বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত এখানকার আম চাষীরা। তবে হঠাৎ করে ফালগুনের শেষে গুঁিড়গুঁড়ি বৃষ্টিতে বাগানের মুকুলের ক্ষতির আশংকা করছে বাগানীরা। আকাশের মেঘাচ্ছন্ন ভাব আবহওয়ার এ বৈরী রূপ না কাটায় পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণের আশংকা বাগানীদের কাটছে না। যদিও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত না হয়ে আমের গুটি ফোটার আগে বালাইনাশক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ কৃষিবিদদের। উপজেলার বালানগর গ্রামের আমচাষি আলহাজ নায়বত আলী, এরশাদ আলী, গোপালপুর গ্রামের ইসহাক আলী, মাষ্টার মোজাম্মেল হকসহ অনেকে জানান, এলাকায় ফজলি, ক্ষিরসাপাত, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, মোহনভোগ বোম্বাই ও লখনা জাতের সুস্বাদু আমের উৎপাদন বেশি। গত মওসুমে আমের ফলন কম ছিল। সেই তুলনায় এবারে আমের দ্বিগুণ ফলন মিলবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এছাড়া গত রোজা মওসুমে বেশী আমের চাহিদা না থাকায় আশানুরূপ দাম পায়নি বলে জানান তারা। তবে দেশ-বিদেশে আমের যথেষ্ট চাহিদা সরকার প্রয়োজনীয় বাজার ব্যবস্তা নিলে বড় ধরনের লাভের হাতছানি দেখছেন তারা। বইকুর গ্রামের গোলাম রহমান জানান, এবার মুকুল খুব ভাল এসেছে। তা রক্ষার জন্য তারা বিভিন্ন কোম্পানীর কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। তবে হোপার পোকা, ছত্রাকের আক্রমণ ও প্রতিকুল আবহাওয়ার শঙ্কায় তিনি দুশ্চিন্তাই রয়েছেন। এদিকে আমের মুকুল ঝড়ে পড়া রোধে নাম সর্বস্ব কোম্পানীর কীটনাশকে সয়লাব উপজেলার তৃনমুল হাট বাজারগুলো। ভাল ফলনের আশায় এসব  কীটনাশক ব্যবহার করছেন। যেন তেন কীটনাশক ব্যবহার না করে  আমে ক্ষতিকর পোকা দমন ও ফলন বাড়াতে  কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা রাজিবুল রহমান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ