ঢাকা, মঙ্গলবার 17 October 2017, ২ কার্তিক ১৪২8, ২৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

গ্রামের জমি ব্যবহারেও অনুমোদন লাগবে

অনলাইন ডেস্ক: সারাদেশের যেকোনো জমি ব্যবহার করতে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে। পরিকল্পিতভাবে জমি ব্যবহার বাড়াতে শহর কিংবা গ্রামে যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নিতে হবে। নিয়ম না মানলে ৫ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের মধ্যে বাড়িঘর নির্মাণের বিষয়টিও রয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা আইন ২০১৭ খসড়া’ নীতিগতভাবে অনুমোদনের মাধ্যমে বিষয়গুলো উঠে আসে। মূলত কৃষি জমির অপব্যবহার ঠেকানো এ আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, ভূমি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র নিতে হবে। সব সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান যাদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা এবং ভূমি ব্যবহার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে সেসবকে উপদেষ্টা পরিষদের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে।

মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, গ্রামে বাড়িঘর তৈরির আগে ইউনিয়ন পরিষদের অনুমতি নেয়ার নিয়ম এখনো আছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা নেয়া হয় না। জমিতে বাড়ি করতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু মানুষ সাধারণত সেই অনুমতি নেয় না।

এছাড়া খসড়া আইনে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২৭ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যাদের মূল দায়িত্ব হবে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর বা তাদের ছোট পরিষদের তত্ত্বাবধান করা। এছাড়া গণপূর্ত সচিবের নেতৃত্বে থাকবে ২৫ সদস্যের নির্বাহী পরিষদ।

নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলো তাদের এখতিয়ারভুক্ত এলাকাগুলোতে নিজেরাই অনুমোদন দেবে। পৌরসভা ও স্থানীয় পরিষদ নিজেদের গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পাদন করবে। এর পূর্বে তারা যেসব কাজ করছে তা এ আইনের মধ্যে গণ্য হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ