ঢাকা, বৃহস্পতিবার 30 March 2017, ১৬ চৈত্র ১৪২৩, ০১ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

 

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাকে রাজাকার বলায় মানহানির অভিযোগের করা মামলায় আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আগামী ২২ মে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দীন সিদ্দিকী এই আদেশ দেন। সকালে এই আদালতে মামলাটি করেন ঢাকা মহানগর বারের সাবেক সভাপতি আরফান উদ্দিন খান।

বিচারক মঈন উদ্দীন বাদীর জবানবন্দী শুনে মামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আদেশ না দিয়ে বিকেল পৌনে ৪টায় আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. তানভীর জানান, মামলায় বাদী জবানবন্দী দিয়েছেন। বিচারক জবানবন্দী শুনে ২২ মে সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত ১১টায় বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজে নবনীতা চৌধুরীর সঞ্চালনায় টক শো ‘রাজকাহন’ অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কথা বলেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। সেই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আপনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির আত্মস্বীকৃত সদস্য স্বাধীনতাবিরোধী এবং একজন রাজাকার।

প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের এমন মন্তব্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়েছে দাবি করে আইনজীবী আরফান উদ্দিন খান মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে গত ১৬ মার্চ সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে লিগ্যাল নোটিশটি পাঠিয়েছিলেন আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া। তখন সাবেক বিচারপতি মানিককে নোটিশের জবাব বা তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে ৭২ ঘণ্টা সময় দেন ওই আইনজীবী। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে তখন বলা হয়। গত সোমবার এই নোটিশের জবাব দেন বিচারপতি মানিক। তার আইনজীবী লিগ্যাল নোটিশেরে জবাবে বলেন, ইহা সত্য যে আমার মক্কেল (সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকে) গত ১৫ মার্চ বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শো ‘রাজকাহন’ এ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ১৯৭১ সালে কুখ্যাত শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নিজেই প্রকাশ্য আদালতে স্বীকার করেছেন যে ১৯৭১ সালে তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন। এটা প্রধান বিচারপতির সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নিজস্ব মতামত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ