ঢাকা, রোববার 02 March 2017, ১৯ চৈত্র ১৪২৩, ০৪ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এইচএসসি ও আলিম  পরীক্ষা শুরু আজ

 

স্টাফ রিপোর্টার : আজ রোববার এইচএসসি, আমিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৩৪ হাজার ৯৪২ জন। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেবে। গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন।

প্রথম দিন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ (বিআইডিএস) পরীক্ষার্থীরা বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র পরীক্ষা দেবেন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলীম পরীক্ষায় প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হবে কুরআন মাজিদ। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল) বাংলা-২ [সৃজনশীল (নতুন/পুরাতন সিলেবাস)] ও বাংলা-১ [সৃজনশীল (নতুন/পুরাতন সিলেবাস)], কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষায় বাংলা-২ নতুন সিলেবাস ও বাংলা-১ সৃজনশীল নতুন সিলেবাস এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ডিপ্লোমা ইন কমার্সে বাংলা-২ ও বাংলা-১ (সৃজনশীল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ১০টায় শুরু হয়ে প্রথমে বহু নির্বাচনি পরীক্ষা এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবার মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে ৯ লাখ ৮২ হাজার ৭৮৩ জন, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৯৯ হাজার ৩২০ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৯৬ হাজার ৯১৪ জন ও ডিআইবিএসে (ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ) ৪ হাজার ৬৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

তত্ত্বীয় (লিখিত) পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ মে । ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৬ মে শুরু হয়ে শেষ হবে ২৫ মে। এবার ৮ হাজার ৮৬৪টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ২ হাজার ৪৯৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। বিদেশে সাতটি কেন্দ্রে ২৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

এ বছর মোট ২৬টি বিষয়ের ৫০টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। ২০১২ সালে শুধু বাংলা প্রথম পত্রের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৫ সালে ১৩টি বিষয়ের ২৫টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত বছর ১৯টি বিষয়ের ৩৬টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়।

গত বৃহস্পতিবার পরীক্ষা উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ছবি তোলা যায় এমন ফোন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও সঙ্গে রাখতে পারবেন না। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের কেন্দ্রে প্রবেশ নিষেধ।

পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন ফাঁসের পেছনে না ছুটার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অভিভাবকদের কাছে আবেদন এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা যেন নজর না দেয়। শিক্ষকতা সব চেয়ে মহত কাজ, তাদের সম্মান-মর্যাদা পেতে হলে সে রকম করে চলতে হবে। শিক্ষকরাও প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছেন। কিন্তু তারাই আমাদের শেষ ভরসা। তাদের ক্ষমা করার সুযোগ নেই। একজন শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, আরেকজনকে বরখাস্তের আদেশ যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ