ঢাকা, শনিবার 08 March 2017, ২৫ চৈত্র ১৪২৩, ১০ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ব্রয়লার মুরগি ও পেঁয়াজ-রসুনের দাম বৃদ্ধি

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর সবজি বাজারগুলোতে সবজির প্রচুর সরবরাহ থাকার পরও গত কয়েক সপ্তাহ আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। এদিকে বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বাজারে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ১৬৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকায়, অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগি ১৯৫ টাকা, দেশী মুরগি ৪০০, পাকিস্তানী লাল মুরগি ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গরুর গোশত প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, খাসির গোশত প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বাড়ার ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে সবকিছুর দাম ঊর্ধ্বমুখী। আমাদের খরচ বেড়েছে, তাই দাম বেশি। মুরগি ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, মুরগির পরিচর্যা করা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই খরচ বেড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে দাম বাড়িয়েছি।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের সবজি গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমেছে। ২০ টাকা কমে আজকের বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টমেটো কেজি প্রতি ৩০-৪০ টাকা, সাদা বেগুন ৫০-৬০ টাকা, কালো বেগুন ৪০-৫০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, শশা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ২০ টাকা, চাল কুমড়া ১৫ টাকা, কচুর লতি ৫০-৬০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০-৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০-৬০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, কাকরোল ৫০-৬০ টাকা, কচুরমুখী ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া কেজি প্রতি আলু ২০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি প্রতিটি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা এবং লেবু হালি  প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা, পালং শাক আঁটি প্রতি ১৫ টাকা, লালশাক ১৫ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা এবং লাউশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মুদি পণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আজকের বাজারে ৫ লিটারের বোতল ব্র্যান্ড ভেদে ৪৯৫ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ৯৮ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে অন্য সব মুদিপণ্য গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। কেজি প্রতি মসুর ডাল ১৩০ টাকা ও ভারতীয় ১০০ টাকা, মুগ ডাল দেশী ১২০ টাকা ও ভারতীয় ১১০ টাকা, মাসকলাই ১৩৫ টাকা এবং ছোলার ডাল ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মানভেদে দেশী পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২৮ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২২ টাকা, দেশী রসুন ৯০ টাকা,  ভারতীয় রসুন ১৯০ টাকা ও চীনা রসুন ১৮০ টাকা, দেশী আদা ১৩০ টাকা, চীনের আদা ৭০ টাকা, ক্যারালার আদা ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারেও তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। কেজি প্রতি স্বর্ণা চাল ৪০ টাকা, পারিজা চাল ৪০-৪১ টাকা, মিনিকেট ৫০-৫৩ টাকা, মিনিকেট নরমাল ৪৮ টাকা, বিআর২৮ ৪২-৪৪ টাকা, নাজিরশাইল ৪২-৪৮ টাকা, বাসমতি ৫৬ টাকা, কাটারিভোগ ৭৪-৭৬ টাকা, হাস্কি নাজির চাল ৪০ টাকা এবং পোলাও চাল ১০০ (পুরাতন), নতুন ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩৫০-৪৫০ টাকা, কাঁতলা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেঁলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০-২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১৩০-১৮০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা, প্রকার ভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকা, প্রতিটি ইলিশ ১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, প্রতি কেজি ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে ২২০০ টাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ