ঢাকা, শনিবার 08 March 2017, ২৫ চৈত্র ১৪২৩, ১০ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনা বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে দুটি পদে একজন চিকিৎসক

খুলনা অফিস : খুলনায় একমাত্র সরকারি বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে দু’টি পদে একজন চিকিৎসক দায়িত্বে রয়েছেন। তাও সেই চিকিৎসক আসেন অফিস শুরুর পর এবং প্রস্থান করেন অফিসের নির্ধারিত সময়ের আগেই। এর ফলে রোগীদের পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে জুনিয়র কনসালটেন্ট পদটি খালি রয়েছে। নতুন কেউ এখনও যোগদান করেনি। ক্লিনিকের মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ডা. নাসরীন আখতার। কিন্তু একই ব্যক্তি সিভিল সার্জনের আদেশে ক্লিনিকের ভারপ্রাপ্ত জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার অফিস শুরু সকাল ৮টা থেকে। শেষ বেলা আড়াইটায়। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মিটিং ও প্রোগ্রামে যোগদানের জন্য বাইরে চলে যান।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ক্লিনিকে মেডিকেল অফিসারের নাম ফলকে লেখা ডা. নাসরীন আখতার। আবার ভারপ্রাপ্ত জুনিয়ার কনসালটেন্ট নাম ফলকে একই নাম লেখা। তার কক্ষের সামনে দুপুর দেড়টায় দেখা গেছে ভেতরে ফ্যান চলছে। যেন তিনি অফিসে আছেন। কিন্তু তখন তিনি অফিস ত্যাগ করে চলে গেছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী চিকিৎসা সেবা নিতে আসলেও তার দেখা পাননি। পরে অফিসের অন্য স্টাফরা মোবাইলে কল দিলে ডাক্তার চলে আসেন এবং তাকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। এমনকি কোন রোগী সকাল ৮টায় আসলে তাকে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। আর একটা থেকে দেড়টার পর আসলে তাকে বলে দেয়া হয় পরের দিন আসার জন্য।
ক্লিনিকের ভারপ্রাপ্ত জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. নাসরীন আখতার জানান, দেরিতে অফিসে আসা এবং আগে অফিস থেকে চলে আসা বিষয়টি সঠিক নয়। অফিস খুলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য দু-দশ মিনিট দেরি হতে পারে। আর দুটি পদে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি সিনিয়রদের।
সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তিনি প্রায় ক্লিনিকটি পরিদর্শন করেন। কিন্তু সে দেরিতে আসে এমন নজির তার চোখে কখনো পড়েনি। জুনিয়র কনসালটেন্ট পদটি পূরণের জন্য চেষ্টা চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ