ঢাকা, শনিবার 08 March 2017, ২৫ চৈত্র ১৪২৩, ১০ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

গোদাগাড়ীতে বিধবা ভাতা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলন

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) সংবাদদাতা: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সোনালী ব্যাংক এর শাখা থেকে বিধবা ভাতা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। বিধবা ভাতাভোগী গোদাগাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পোহাপুর গ্রামের তোহমিনা বেগম। তাঁর বহি নং ২২০৮ ব্যাংক হিসাব নম্বর ৩৪০৬৯৪০৪।
তোহমিনা বেগম জানান, তিনি গত ২৮ মার্চ ভাতা উত্তোলনের জন্য গোদাগাড়ীর সোনালী ব্যাংক শাখায় যান। এ সময় ব্যাংকের কর্তব্যরত অফিসার মোঃ মাহমুদুল আলম ও সারোয়ান হোসেন তাঁর নিকট হতে ভাতা বইতে টাকার পরিমাণ ১৫০০ টাকা বসিয়ে নিয়ে টিপসই দিয়ে নেন। পরে তাঁর হিসাব নং দেখে বলেন আপনার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছে। এতে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন আমার টাকা কে নিয়ে গেল? অথচ আমি ৩বছর হতে নিয়মিত ভাতা উত্তোলন করে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ব্যাংক কর্মকর্তারা সেদিন টাকা না দিয়েই বাড়ী যেতে বললে তিনি বাড়ী চলে যান। ২৯ মার্চ বুধবার তিনি তাঁর ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম রবিকে নিয়ে ব্যাংকে এসে গোদাগাড়ী সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার মোঃ মুনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যাংকের কর্তব্যরত অফিসার মাহমুদুল হোসেনকে ডেকে বিষয়টি জানতে চাইলে এই নামের টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছে বলে জানান। একজনের টাকা কিভাবে অন্যজন নিয়ে যায় এমন প্রশ্ন তোহমিনার ছেলে রবি জানতে চাইলে তিনি উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে দোষারোপ করে বলেন সেখান হতে একাধিক বই ইস্যু করে জালিয়াতি করা হয়। এটা তাদেরই দোষ।
গোদাগাড়ী উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সহকারী মোঃ ইকবালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তোহমিনার সবকিছু ফাইলপত্র দেখে বলেন তাঁর তালিকায় নাম ঠিকানা ও হিসাব নম্বর ঠিক আছে আর এখানে জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। আমাদের বিধবা ভাতাভোগীদের তালিকা ব্যাংকে দেয়া আছে। কেউ যদি বেশী ভাতা ভোগ করে তাহলে বরাদ্দকৃত টাকার সাথে বেশী উত্তোলনের হিসাব মিলবে না। পরে উপজেলা হিসাব সহকারি মোঃ ইকবালকে নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুল হোসেনের কাছে গেলে তিনি সমাজসেবা অফিসের জালিয়াতির প্রমাণ দিতে পারেনি। তাঁর ব্যাংক হতেই টাকা জালিয়াতি করে তোহমিনা নামের আরেক জন গত ২২ মার্চ টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছে বলে জানান।
এছাড়াও ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হোসেন বলেন আরেক জন ব্যাংক কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন দায়িত্বে আছেন তিনি আজ ব্যাংকে আসেন নি বৃহস্পতিবার ব্যাংকে আসেন বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকের সাথে উত্তেজিতভাবে বলেন, এখানে অনেক লোককে টাকা দিতে হয় এতো নিয়ম কানুন দেখে টাকা দেয়া সম্ভব নয়।
ফেনীতে দোকান কর্মচারীর লাশ
উদ্ধার
ফেনী সংবাদদাতা: ফেনী সদর হাসপাতাল রোডে মো: মঞ্জু নামের এক দোকান কর্মচারীর লাশ মঙ্গলবার সকালে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, হাসপাতাল রোডে এয়ারপোর্ট প্লাজার জসিম স্টোরে চাকরী করে মঞ্জু। অন্যদিনের মত সোমবার রাতে দোকানে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে দোকান মালিক জসিম উদ্দিন ফেনী মডেল থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
ফেনী মডেল থানার ওসি মো: রাশেদ খান চৌধুরী জানান, মঞ্জু ঘুমের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ