ঢাকা, শনিবার 08 March 2017, ২৫ চৈত্র ১৪২৩, ১০ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মেয়ের নির্যাতনের প্রতিবাদ করাই বাতেনের কাল হয়ে দাঁড়ায়

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদদাতা: মেয়ের নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলামের ছুরিকাঘাতে খুন হওয়া আবদুল বাতেন (৪৫)র পরিবার আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। খুনের ছয়দিনের পার হলেও এখনো পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এনিয়ে এলাকায় চরম চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায় গত ১ এপ্রিল সকালে উপজেলার বিপলাসার ইউনিয়নের বাকরা গ্রামে আবদুল বাতেন মিয়ার মেয়ে নার্গিসের সাথে একই গ্রামের উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেনের ভাগিনা জয়নাল আবেদীনের ছেলে স্বপনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন নার্গিসের উপর নানাভাবে নির্যাতন করে। বিষয়টি নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়। সালিশ বৈঠকে জাকির হোসেন মেয়েকে বাতেনের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এর পর ঘটনার আগের দিন শুক্রবার আবারও সালিশ বৈঠক হয় সালিশে নার্গেসকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার জন্য বলা হলে নার্গিস তার শাশুড়ি এস তাকে নিয়ে গেলে সে যাবে বলে সালিশে জােিয় দেয়। এরপর ঘটনার দিন শনিবার সকালে জাকির হোসেনের ছোট ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলাম শহিদ আবদুল বাতেনকে লোক পাঠিয়ে কথা আছে বলে স্কুল মাঠে ডেকে নিয়ে আসে এসময় বাতেনের স্ত্রীও তার পিছে পিছে আসে।
স্কুল মাঠে আসার পরই শহিদ ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি বাতেনের পেটে আঘাত করে ছুরির আঘাতে তার নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পড়ে যায়। স্ত্রী আর্তচিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে শহিদ পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন বাতেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছ্জ্জুামান জানান, বাতেনের মেয়ের কোর্টে করা মামলা এখনো তারা পাননি পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ