ঢাকা, মঙ্গলবার 11 March 2017, ২৮ চৈত্র ১৪২৩, ১৩ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চতুর্থ দফায় বাড়ছে মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়কের নির্মাণ ব্যয় ॥ বাড়ছে ভোগান্তিও

তোফাজ্জল হোসেন কামাল : মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়ক। একদিকে বাড়ছে নির্মাণকাল, অন্যদিকে বাড়ছে নির্মাণব্যয়। এই দুটোর সাথেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জনগণের ভোগান্তি। এসব ছাপিয়ে কবে কখন পুরোমাত্রায় যান চলাচল শুরু হবে, তার কোন সীমা টানা না গেলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দাবি- জুনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। এমন আশ্বাস সত্ত্বেও রাজধানীর এই উড়াল সড়কটি ইতিমধ্যে প্রলম্বিত একটি নির্মাণ প্রকল্পের তালিকায় ঠাই নিয়েছে। এই প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়াবি। শেষ হওয়ার কথা ছিল চুক্তি মোতাবেক গত ডিসেম্বরে ।

যানজট নামক মহাভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে রাজধানীবাসী, সেই লক্ষ্যে মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়ক নির্মাণ প্রকল্পটি হাতে নেয় বর্তমান সরকার। কাজ শুরুর পর তিন দফায় এই প্রকল্পের সমাপ্তির সময় ও ব্যয় বাড়ানো হয়। সেই অনুযায়ী চলতি বছর জুন মাসে এই উড়াল সড়কটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা। কিন্তু আদৌ কি নির্ধারিত সময় তা শেষ হবে? বাস্তব পরিস্থিতিতে জনমনে দেখা দিয়েছে এরকম নানা প্রশ্ন। এ পরিস্থিতিতে প্রকল্পটির নির্মাণের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিক আশ্বস্ত করেছেন যে, জুন মাসের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তার ভাষায়, ‘আগামী জুন মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।’

গত ৪ বছরের বেশি সময় ধরে মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ চলায় এই রুট ব্যবহারকারী বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষত উড়াল সড়ক নির্মাণ এলাকায় বসবাসকারীদের দৈনন্দিন জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। নির্মাণ কাজ চলায় চলাচলের রাস্তাগুলো হয়ে পড়েছে সরু। সেগুলো আবার খানা-খন্দে ভরে গেছে। বৃষ্টি হলে পানি জমে থাকে। বৃষ্টি না হলেও কাঁদা-পানির উপস্থিতি সেখানে থাকেই। এর ওপর আবার কখনো একদিকের রাস্তা বন্ধ করে চলে নির্মাণ কাজ। সেই সময়টায় অপরদিকের রাস্তা দিয়েই আসা-যাওয়া করতে হয় বাস-সিএনজি-রিকশাসহ বিভিন্ন পরিবহনকে। সেক্ষেত্রে নিত্যদিনই তীব্র যানজট লেগে থাকে। এমনকি মধ্যরাতেও সেই যানজটে পড়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় বাড়িফেরা মানুষদের। পাশাপাশি নির্মাণ কাজের আশপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ভয় তো আছেই!

উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ কেন্দ্র করে এই যখন অবস্থা, ঠিক সেই মুহূর্তে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঢাকা ওয়াসার ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প। সব মিলিয়ে মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়ক নির্মাণ সংলগ্ন এলাকায় (শান্তিনগর মোড় থেকে শুরু করে মালিবাগ রেলগেট ও শান্তিনগর থেকে শুরু করে মগবাজার ওয়ারল্যাস পর্যন্ত) যেন মানুষের দুঃখ-কষ্ট-ভোগান্তির চলমান দৃশ্য বিরাজমান। নির্মাণের পর কি সুবিধা পাওয়া যাবে, এর চেয়ে এর নির্মাণ কাজ শেষ কবে হবে; মানুষের কাছে এটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে বড় প্রশ্ন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মৌচাক থেকে শান্তিনগর মোড় পর্যন্ত গার্ডার বসানোসহ অন্যান্য কাজ এগিয়ে চলছে। একইভাবে কাজ চলছে প্রকল্পটির অন্যান্য স্থানেও। মগবাজার-মৌচাক কিংবা মালিবাগ-মৌচাক হয়ে চলাচলকারীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মৃত্যুঝঁকি নিয়ে চলাচল করছে যাত্রীবাহী বাস,প্রাইভেট কার, রিকশাসহ অন্যান্য যানবাহন ও পথচারীরা।

উড়াল সড়ক নির্মাণ কাজের মাঝেই চলছে ঢাকা ওয়াসার ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প। ফলে রাস্তাগুলো ভরে গেছে খানা-খন্দে, কাদায়। একটু বৃষ্টি হলেই মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়ক প্রকল্প এলাকার রাস্তায় পানি জমে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও যানবাহন চলাচলই কঠিন হয়ে পড়ছে। রাস্তায় পানি জমে থাকা ও খানা-খন্দের কারণে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজটও।

জানা গেছে, মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়ক প্রকল্পটি ২০১১ সালের ৮ মার্চ একনেক বৈঠকে অনুমোদন পায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। প্রথমে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কিন্তু এই সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সময় বাড়ানো হয় চলতি বছরের (২০১৭) জুন পর্যন্ত।

দেশের সবচেয়ে বড় এই উড়াল সড়ক নির্মাণে প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৪৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। দ্বিতীয় ধাপে তা বেড়ে ৭৭২ কোটি টাকা ধরা হয়। বর্তমানে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৮ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা।তবে শেষ পর্যন্ত এই প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের (আগামী জুন মাসে) মধ্যে শেষ হচ্ছে কিনা? কিংবা সময় বাড়ানোর পাশাপাশি আবারও নির্মাণ ব্যয় বাড়ানো হবে কিনা-এ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জানতে চাইলে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেছেন, ‘রাজধানীতে যতগুলো উড়াল সড়ক হয়েছে সবই যানজট দূর হওয়ার চেয়ে দুর্ভোগ বেড়েছে বেশি। এজন্য আমাদের এলিভেটেড ও আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবস্থা নিয়ে ভাবতে হবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি সমীক্ষা করে মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়কের নকশা তৈরি করেছিল। আট বছর পর ২০১৩ সালে এই নকশা অনুযায়ী কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ শুরু হলেও প্রকল্প এলাকায় মাটির নিচে বিভিন্ন সেবা সংস্থার পাইপ ও তার বসে যাওয়ায় নকশাও পরিবর্তন করা হয়েছে। যা মোটেও কাম্য নয়। কেননা কোনো কাজ করার আগে নকশা হলো মূল বিষয়। যদি সেটাতে সমস্যা থাকে তাহলে আগে কেন পরীক্ষা না করে কাজ শুরু করা হলো।’

তমা কনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক জানিয়েছেন, শ্রমিক ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে। তিনি বলেছেন, ‘এই যে সরকার এত বড় একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প করছে, সাধারণ মানুষের জন্য, এত ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এই প্রকল্প; এই কথাটা আপনারা বলেন না যে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটা শেষ হলে এলাকার লোকের কত উপকার হবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘সারা ঢাকা শহরে মৌচাকের মতো ট্রাফিক জ্যাম অন্য কোথাও নাই। যে আমলে ঢাকা শহরে এক শ’ গাড়ি ছিল, রিক্সা ছিল সেই আমলেও মৌচাকে যানজট ছিল। সেই যানজটের কথা মাথায় রেখেই সরকার এত বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আর আমরা ঝুঁকি মাথায় নিয়ে নিজের শ্রমিক, নিজের ইঞ্জিনিয়ার, নিজের গাড়ি-ঘোড়া সব কিছু রিস্কের (ঝুঁকির মধ্যে) মধ্যে রেখে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ করেছি।’

তমা কনস্ট্রাকশনের এমডি আরও বলেছেন, ‘তিন মাস ধরে নিচে (রাস্তায়) আমাদের কোনো কাজ নাই। সব উপরে চলছে। মৌচাক-মালিবাগে গিয়ে দেখেন, গাড়ি চলাচলের কোনো অবস্থা নাই। ওয়াসার পানিতে তো রাস্তায় ওভার ফ্লো হচ্ছে, কই...? আমি কি করবো। এখন যত কিছু হয় উড়াল সড়কের দোষ! নিচে তো আমার কোনো কাজ নাই। পানি আমি কিভাবে সরাবো?’ ‘ওয়াসাকে দোষারোপ করছি না। তবে বাস্তব চিত্রটাও আপনারা দেখেন। এখানে আমাদের তো আর নিচের কাজ নাই, সবই উপরে কাজ।’ তিনি জোর দিয়েই বলেছেন, ‘আগামী জুন মাসের মধ্যেই এই উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হবে।’ 

ফের ব্যয় বাড়ছে ১০৮ কোটি টাকা : মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়কের ৩ দশমিক ৯৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি অংশের নির্মাণ ব্যয় বাড়ছে ১০৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে প্রতি কিলোমিটারের জন্য ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে প্রায় ২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এর আগে গত ডিসেম্বরে একই প্রকল্পের অন্য দুটি অংশের জন্য নির্মাণ ব্যয় বাড়ানো হয় ২৭০ কোটি টাকা। ২৭ মার্চ সোমবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, মগবাজার-মৌচাক উড়াল সড়ক প্রকল্পের আওতায় রামপুরার চৌধুরীপাড়া থেকে মালিবাগ রেলক্রসিং, মৌচাক মোড়, মালিবাগ মোড় হয়ে শান্তিনগর এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পর্যন্ত মোট ৩.৯৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ অংশের নির্মাণ ব্যয় ১০৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়ানো প্রয়োজন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক বলেন, বেশকিছু যৌক্তিক কারণে এ অংশের নির্মাণ ব্যয় বাড়ছে। সেসব কারণ উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় থেকে নির্মাণ ব্যয় বাড়ানোর জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়।

নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, প্রকল্প এলাকায় বিভিন্ন সেবা (পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও স্যুয়ারেজ লাইন) প্রদানকারী সংস্থার অবকাঠামো থাকায় প্রতিটি ফাউন্ডেশনের পৃথক নকশা প্রণয়ন করায় পাইল সংখ্যা, দৈর্ঘ্য ও ক্যাপের আকার বৃদ্ধি এবং ভূমিকম্প সহনীয় করার জন্য উড়াল সড়কের পট বিয়ারিং ও শক ট্রান্সমিশন ইউনিট সংযোজনের কারণে ব্যয় ও সময় বেড়েছে।

এছাড়া বুয়েটের পরামর্শ মোতাবেক ভূমিকম্প সহনীয় করার জন্য উড়াল সড়কটিতে পুট বিয়ারিং এবং শক ট্রান্সমিশন ইউনিট (এসটিইউ) সংযোজনের ফলে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে; এনবিআর কর্তৃক আরোপিত ভ্যাট ও আইটি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিদ্যমান চুক্তির জিসিসি ক্লজ-৭৪.১ এ প্রদত্ত ফর্মুলা মোতাবেক প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট প্রযোজ্য হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ২৭০ কোটি টাকা বাড়ানো হয়। এর মধ্যে বাংলামোটর থেকে মগবাজার মোড়-মৌচাক পর্যন্ত প্রায় ২ দশমিক ২১ কিলোমিটার উড়াল সড়ক নির্মাণে ব্যয় বাড়ে ১৫৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড় থেকে এফডিসি মোড়-সোনারগাঁও রেলক্রসিং হয়ে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত প্রায় ২ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার উড়াল সড়ক নির্মাণে ব্যয় বাড়ে ১১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের ‘কনস্ট্রাকশন অব ফ্লাইওভার ব্রিজ ইন ঢাকা (মগবাজার-মৌচাক)’ প্রকল্পটি অনুমোদিত। রামপুরা চৌধুরীপাড়া থেকে মালিবাগ রেলক্রসিং, মৌচাক মোড় ও মালিবাগ মোড় হয়ে একটি অংশ রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পর্যন্ত এবং অপর অংশটি শান্তিনগর মোড় পর্যন্ত চার লেনবিশিষ্ট উড়াল সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ২১৯ কোটি টাকা। 

জানা গেছে, বর্তমান মৌচাক অংশ নির্মাণে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ মূল চুক্তিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৪৩ কোটি ৭০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুযায়ী ভ্যাট-ট্যাক্সসহ এর মোট নির্মাণব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৪৫২ কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ ব্যয় বাড়ছে ১০৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এর নির্মাণকাজের ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়। যৌথভাবে এ কাজটি পেয়েছে এমসিসিসি ও তমা কনস্ট্রাকশন্স।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ