ঢাকা, মঙ্গলবার 11 March 2017, ২৮ চৈত্র ১৪২৩, ১৩ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নীলফামারীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নীলফামারী সংবাদদাতা : নীলফামারীতে পানিতে ডুবে মল্লিকা রানি নামের ১৮ মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটি হলো, জেলার ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী গ্রামের দুখুরাম রায়ের মেয়ে। এ ঘটনাটি ঘটে গতরোববার সন্ধ্যার পরে। এলাকাবাসী জানায়, গৃহস্থালির কাজে দুখুরামের স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে মল্লিকা খেলতে খেলতে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে পড়ে যায়। তিনি সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে ফিরে মল্লিকাকে না পেয়ে চারিদিকে খুঁজতে থাকেন। পরে প্রতিবেশীরা তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মল্লিাকাকে মৃত ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

৯ শিক্ষার্থী হাসপাতালে!
সন্তানের ঘুম ভাঙ্গানোর অপরাধে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের চাঁদখানা নুরুনেচ্ছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা পঞ্চম শ্রেণীর ৯ ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতরোববার রাতে আহত শিক্ষার্থীদের কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলো জেহাদ আলী, করিমুল, আদর আলী, দেলোয়ার হেসেন, সম্রাট আলী, আপন মিয়া, লালবাবু, রেজোয়ান ও তাসফিরুল। এরা সবাই উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের ডোঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিহা সিদ্দিকা তার আট মাসের ছেলেকে নিয়ে স্কুলে আসেন। রোববার দুপুরে শিশুটিকে কমনরুমে ঘুম পাড়িয়ে রাখেন ওই শিক্ষিকা। পাশেই ছিল পঞ্চম শ্রেণীর কক্ষ। শিক্ষার্থীদের সোরগোলে তার সন্তানের ঘুম ভেঙে যায়। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বেত দিয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ৯ ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করেন। ছাত্ররা বাড়ি ফিরে তাদের অভিভাবককে জানায়। পরে সন্ধ্যায় আহত ৯ শিক্ষার্থীকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. গাওছুল আজম জানান, দুই ছাত্রের হাত ফেটে গেছে। আহতদের শরীরে লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। আহত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রশ্ন তারা এমন কী অপরাধ করেছে। সেজন্য এভাবে পেটাতে হবে। তারা ওই শিক্ষিকার বিচার দাবি করেন। এদিকে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষিকা সাবিহা সিদ্দিকা সাংবাদিকদের জানান, তেমন কিছুই হয়নি। এলাকার কিছু লোক বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণœ করার জন্য এক ধরনের অপচেষ্টা করছে। তবে আমি ছাত্রদের একটু শাসন করেছি। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাহারুল ইসলাম বলেন, আমি স্কুলের কাজে দুপুরে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ছিলাম। তাই এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারব না। তবে ঘটনার কথা শুনেছি। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসান জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ