ঢাকা, বুধবার 12 April 2017, ২৯ চৈত্র ১৪২৩, ১৪ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

হজ্ব নিবন্ধন নিয়ে জটিলতা কাটেনি ॥ কাল সিদ্ধান্ত ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার : হজ্ব¡ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সাথে সরকার বৈঠক করেও হজ্ব নিবন্ধন নিয়ে জটিলতার নিরসন করতে পারেনি। প্রাক-নিবন্ধনের বিষয়ে সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত নিবন্ধনে যাবে না হাব। আর এ কারণেই নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হলেও সময়সীমা বৃদ্ধি করেনি সরকার। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত হজ্বযাত্রীগণের নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ১৫ এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ্বযাত্রীদের নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধির বিষয়ে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার আগেই নিবন্ধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সূত্রমতে, গত ১০ এপ্রিল নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হয়। কিন্ত প্রাক-নিবন্ধন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠায় নিবন্ধন বর্জন করেছে হাব। যার কারণে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মাত্র ৩৩৩জন হজ্বযাত্রীর নিবন্ধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী-সচিবদের সাথে হাব নেতৃবৃন্দের বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এ বৈঠকে কোন সুরাহা হয়নি। যার কারণে হাব আগামীকাল সকালে বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের সাথে বৈঠক করবে। তারপর এ নিবন্ধনের বিষয়ে সুরাহা হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠকের বিষয়ে হাবের সভাপতি ইব্রাহীম বাহার জানান, আমরা ইজিএমের মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধনের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত নিবন্ধন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বৈঠকে আমরা প্রস্তাব করেছি, প্রথমত এবারের হজ্বযাত্রীদের কোটা বৃদ্ধি করতে হবে। আর দ্বিতীয়ত প্রাপ্ত কোটা এজেন্সিদের মধ্যে সমহারে বন্টন করে দিতে হবে। অথবা টাকা জমা দেয়ার সময় অনুযায়ী সিরিয়াল নাম্বার দেয়ার জন্য প্রস্তাব করেছি। আর এ বিষয়ে বিশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে বৃহস্পতিবার সরকারের সাথে আবার বৈঠক হবে। তার এ বিষয়ে নতুন কোন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে তিনি জানান।

এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় হাবের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠক থেকে আগামী কাল সকাল সাড়ে ১০টায় অফির্সাস ক্লাবে হাবের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ বিষয়ে হাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা চাচ্ছি একটি স্থায়ী সমাধান। পাকিস্তানে হজ্বযাত্রীর কোটা ১লাখ ৯০ হাজার। আর আমরা ওআইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনসংখ্যার অনুপাতে কোটা বৃদ্ধি করতে পারি। এবছরই ২০১৮ সালের হজে¦র জন্য ৭০ হাজার হজ্বযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন করা হয়ে গেছে। তাহলে আর আমরা অফিস নিয়ে বসে থেকে কি করবো? এ জন্য এসব বিষয়ে সমাধানের জন্য বৃহস্পতিবার বিশেষ সাধারণ সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ