ঢাকা, বুধবার 12 April 2017, ২৯ চৈত্র ১৪২৩, ১৪ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে অপহরণ থেকে বাঁচল মাদরাসার ছাত্রী

শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা : গাজীপুরের শ্রীপুরে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে অপহরণের হাত থেকে বেঁচে গেল কেওয়া খাদিজাতুল কুবরা মহিলা ফাজিল মাদরাসার এক ছাত্রী। এসময় জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকার দুই অপহরণকারী গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে গেছে।
৯ এপ্রিল দুই অপহরণকারী হাসপাতাল থেকে পালানোর ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের কন্যা রানী আক্তার কেওয়া খাদিজাতুল কুবরা মহিলা ফাজিল মাদরাসায় আলিম ১ম বর্ষে লেখাপড়া করে। রোববার সকালে ১ম বর্ষের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মাদরাসায় যাওয়ার পথে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁওয়ের (পাগলা থানার) তললী গ্রামের মোখলেছুর রহমানের পুত্র মোমেন (২৫) ও একই থানার নামাপাড়া গ্রামের শ্রীপুরের টেংরা গ্রামের আলমের বাড়ীর ভাড়াটিয়া মৃত করিম বেপারীর পুত্র আলাল (২৭) একটি সিএনজি যোগে পথ থেকে ছাত্রীকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক সিএনজিতে উঠিয়ে বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর এলাকার গভীর জঙ্গলে নেয়ার সময়  স্থানীয় লোকজনের আনাগোনা থেকে ছাত্রী চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে। পরে ওই দুই যুবক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় বরমী ইউনিয়ন পরিষদে নিলে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে থানায় পাঠানো হয়। শ্রীপুর থানার কর্মরত ডিউটি অফিসার অপহরণকারীর নাম লিখে পুলিশ ছাড়াই বৃদ্ধ দফেদারের মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান। পরে অপহরণকারীরা চিকিৎসা নিয়ে বৃদ্ধ দফেদারের কাছ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে ছাত্রীর চাচা সফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
শ্রীপুর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আশরাফুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে আমার কিছুই করার নাই। জনগণের হাতে আটক হয়ে দুই যুবক আহত অবস্থায় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে থানায় আনলে আমি তাদের চিকিৎসার জন্য গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠাই। পরে শুনেছি হাসপাতাল থেকে তারা পালিয়ে গেছে।
ছাত্রীর চাচা সফিকুল ইসলাম জানান, সিএনজিযোগে উঠিয়ে নিয়ে জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে ধর্ষণ অথবা তাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ