ঢাকা, রোববার 16 April 2017, ৩ বৈশাখ ১৪২৩, ১৮ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আচার-অনুষ্ঠান বর্জনের প্রত্যয়ে ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বরণ

গত শুক্রবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীতে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : সংস্কৃতির নামে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মৌল চেতনার পরিপন্থী আচার-অনুষ্ঠান বর্জন করার প্রত্যয়ে ১৪২৪ বঙ্গাব্দ বরণ করেছে জাতি। একই সাথে তথাকথিত প্রগতিবাদের নামে হিন্দুয়ানি সংস্কৃতি জাতির উপর চাপিয়ে দিতে মতলববাজ গোষ্ঠীর হীন প্রচেষ্টাকে এবার ‘না’ বলে দিয়েছে স্বকীয় সংস্কৃতির শেকড় সন্ধানী দেশবাসী। গত শুক্রবার পহেলা বৈশাখে তারা নিজস্ব সংস্কৃতি লালন-পালন এবং দেশকে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও নাস্তিক্যবাদের কবল থেকে মুক্ত করে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার শপথ নেয়। রাজধানী ঢাকা থেকে প্রত্যন্ত জনপদ পর্যন্ত এই সর্বজনীন শপথে সর্বস্তরের মানুষ বাংলা নববর্ষ বরণের আয়োজনে শামিল হয় বর্ণিল পোশাকে। 

এদিকে এবার বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে লোকসমাগম ছিল অনেক কম। তাপপ্রবাহ, অতীতে নারী অংশগ্রহণকারীদের যৌন নিগ্রহের শিকার হওয়া, সাম্প্রতিক জঙ্গি আতংক, বিভিন্ন সময়ের অঘটনের অভিজ্ঞতায় আইনশৃংখলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং একটি বিশেষ ধর্মের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের অনুষ্ঠানকে সর্বজনীন উৎসব বলে এতদিনকার প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে বরেণ্য উলামায়ে কেরামের সোচ্চার অবস্থান- এসব কারণে এবারের আয়োজন অনেকটাই রুটিনমাফিক হয়ে পড়ে। বাংলা বর্ষবরণের মূল আয়োজন নগরীর রমনা পার্কে ছায়ানটের অনুষ্ঠানের ৫০ বছর পূর্ণ হলেও তা ছিল অনেকটাই জৌলুসহীন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে সাংবার্ষিক আয়োজন কথিত ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ও সেই অর্থে জমজমাট ছিল না। নানা কারণে আইনশৃংখলা বাহিনীর যেমন ছিল কড়াকড়ি, তেমনি এ শোভাযাত্রাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় চেতনার পরিপন্থী ও সংখ্যালগিষ্ঠ হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির প্রকাশ বলে মন্তব্য করে আলেমসমাজ ও বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের সোচ্চার প্রতিবাদের মুখে অনেক নাগরিকেরই চৈতন্যোদয় হওয়ায় তারা এবার এতে অংশ নেননি। সকাল ৯টায় সরেজমিন দেখা যায়, রমনার সন্নিহিত এলাকায় অন্যান্য বছর তিল ধারনের ঠাঁই না থাকলেও এবার ভাঙ্গা হাটের অবস্থা। অনেকে গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায়ও এবার বর্ষবরণে লোকসমাগম কম হয়েছে বলে ওয়াকিবহালমহল মনে করেন। 

এরপরও একশ্রেণির নাগরিক ‘আবেগের’ বৈশাখী উৎসবে যোগ দিতে কাকডাকা ভোর থেকে ছুটতে থাকে রমনা অভিমুখে। বটমূলে বর্ষবরণের আয়োজন শুরুর বেশ আগে থেকেই সেখানে মানুষ সমবেত হতে থাকে। উৎসবে যোগ দিতে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের সঙ্গে বাবা-মার হাত ধরে রমনামুখী হয় শিশুরাও। সকাল সাতটার আগেই রমনায় সুনিদ্দিষ্ট প্রবেশ পথে লাইনে দাঁড়াতে হয় মানুষকে। এবার বেশিসংখ্যক নিরাপত্তা বেষ্টনি পার হয়ে পার্কে ঢুকতে হয়েছে সকলকে। পুলিশের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যারা ব্যাগ, এমনকি ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে বর্ষবরণের উৎসবে এসেছিলেন, তারা এবার মূল উৎসবে ঢুকতে পারেননি। বর্ষবরণের এ উৎসবে লাল পাড়ের সাদা শাড়িতে নারী এবং অধিকাংশ পুরুষকে দেখা যায় পাজামা-পাঞ্জাবি পরিহিত।

প্রতিবারের মতো এবারও রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণের মূল আয়োজন। বটমূলে ছায়ানটের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবার তিন পর্বে বিভক্ত ছিল অনুষ্ঠান। এবারে এ আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘আনন্দ, আত্মপরিচয়ের সন্ধান ও মানবতা’। ১৯৬৭ থেকে ছায়ানট রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান করে আসছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই সকাল ৬টা ১০ মিনিটে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের সূচনায় ভৈরব রাগে রাজরূপা চৌধুরীর রাগালাপ এবং রবীন্দ্র-নজরুলের প্রভাত সঙ্গীতের সুরের আবেশ ছড়িয়ে পড়ে রমনায়। ভোর সাড়ে ছয়টায় ছায়ানটের ৫০ বছর আগেকার প্রথম অনুষ্ঠানের সম্মেলক গান- ‘আলোকের এই ঝরণাধারায় ধুইয়ে দাও...’ এর সুরে দ্বিতীয় পর্বের শুরু হয়। এ পর্বে ১০টি সম্মেলক ও ১৩টি একক গান এবং ৪টি পাঠাবৃত্তি পরিবেশিত হয়। ছোট ও বড়দের দল মিলিয়ে সম্মেলক গানে অংশ নেয় ১১১ জন শিল্পী। ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুনের কথন এবং জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে শেষ হয় দ্বিতীয় পর্ব। তৃতীয় ও শেষ পর্বে পরিবেশিত হয় দেওয়ানা মদিনা লোকপালা।

ছায়ানটের বর্ষবরণ উপলক্ষে রমনাকে চারদিক থেকে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভেতরে কাউকে কোনো প্রকার ব্যাগ হাতে ঢুকতে দেয়া হয়নি। তবে এই কড়া নিরাপত্তা উৎসব ও উচ্ছ্বাসে কিছুটা হলেও ছেদ ঘটায়। কামরুল হাসান নামে একটি জাতীয় দৈনিকে নগর সম্পাদক যেমনটা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘আমি যখন বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির অনুষ্ঠান শেষে রমনার পাশ দিয়ে অফিসে যাচ্ছিলাম তখন মনেই হয়নি এখানে আজ কোন অনুষ্ঠান হয়েছে।’ বটমূল থেকে পুরো অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার বাংলাদেশ।

সাম্প্রদায়িকতার (হিন্দুয়ানি) প্রতীক কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে বের হয়ে সংক্ষিপ্ত রুটে টিএসসি হয়ে আবার চারুকলায় গিয়ে শেষ হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রায় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপিও অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় লোকজ মোটিফের হরেক রঙের মুখোশ, হাতি, বাঘ, ফুল, পাখির প্রতিকৃতি স্থান পায়। সবার সামনে ছিল কালো হাতি। আরো ছিল সূর্য। এছাড়া ঢাবি সংগীত বিভাগের উদ্যোগে কলাভবন বটতলায় সকাল ৮টায় সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ‘মাছে ভাতে বাঙালি’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ কে বরণ করে নিয়েছে। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য - ‘জাতীয় মাছ ইলিশ’। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। এটি পুরনো ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক, রায়সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন মোড় ও সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সামাজিক বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠান চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এ ছাড়া পুরনো ঢাকার ‘পোগোজ ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজে’ দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। শোভাযাত্রাটির নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

রাজধানীর শেরেবাংলানগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ষষ্ঠবারের মতো চ্যানেল-আই ও সুরের ধারা চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণের আয়োজন করে। বর্ষ বিদায়ের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে। চৈত্রসংক্রান্তি অনুষ্ঠান শেষ হয় রাত ১২টায় এবং হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হয় শুক্রবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে। চ্যানেল আই অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিবেশিত হয় বর্ষবরণের এ আয়োজন।

বাংলা একাডেমি চত্বরে সকাল সাড়ে সাতটায় বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়। বর্ষবরণ উপলক্ষে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে একাডেমি ‘বইয়ের আড়ং’ শিরোনামে ১০ বৈশাখ পর্যন্ত বইমেলার আয়োজন করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ কুটির শিল্প কর্পোরেশন এবং বাংলা একাডেমি যৌথভাবে ১০ দিনব্যাপি বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে। পহেলা বৈশাখ বিকেল ৪টায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন। এছাড়া বাংলা নতুন বছরকে বরণ উপলক্ষে বাংলা একাডেমি গতকাল শনিবার বিকেল ৫টায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজন করে বিশেষ নাট্যানুষ্ঠানের। এতে লালন ফকিরের জীবন ও দর্শন নির্ভর নাটক ‘ম্যান অব দ্য হার্ট’ পরিবেশিত হবে।

জমজমাট অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের সংগঠন জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) বাংলা নববর্ষকে বরণ করেছে। প্রেসক্লাব বর্ষবরণে তাদের সদস্য ও পরিবারবর্গের জন্য সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বাঙালী খাবার পরিবেশনসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও তাদের সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের জন্য দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউনিটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সঙযাত্রা। বর্ষবরণের শুভেচ্ছা বিনিময়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জাতীয় প্রেসক্লাব ও ডিআরইউ তে আসেন। 

এদিকে রমনার পাশাপাশি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও টিএসসিসহ পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানেও নববর্ষ বরণে আয়োজিত হয় নানা অনুষ্ঠান। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির আজ থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে বৈশাখী মেলার আয়োজন করে। কচি-কাঁচার মেলা নিজস্ব প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা ছাড়াও ছবি আঁকা ও প্রদর্শনী এবং মুড়ি-মুড়কিসহ বাঙালী খাবারের আয়োজন ছিলো। মোবাইল কোম্পানী বাংলালিংক নববর্ষকে বরণ করে নিতে মানিকমিয়া এভিনিউ সড়ক দ্বীপে বৃহস্পতিবার রাত নয়টায় ‘আল্পনায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে সড়ক চিত্রকর্মের যোজনা করে। এর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। 

বাঙালিদের জন্য নববর্ষের শুভেচ্ছা হিসেবে গুগল নতুন একটি ডুডল উপহার দিয়েছে। গুগলের হোমপেজে এই ডুডল ছিল শুক্রবার। ডুডলটির ওপর মাউস রাখলে প্রদর্শিত হয় ‘হ্যাপি বেঙ্গলি নিউ ইয়ার’। শোভাযাত্রায় যেমন হরেক রঙের মুখোশ, হাতি, বাঘ, ফুল, পাখির প্রতিকৃতি থাকে, গুগলের এ ডুডলেও ফুটে উঠেছে সে রকম প্রতিকৃতি। গুগলের এই ডুডলে ক্লিক করলেই নববর্ষ উদযাপনের খবরে নিয়ে যায় গুগল।

অন্যদিকে পহেলা বৈশাখ বিকেলে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীদের ভিড়ে হাতিরঝিল জনস্রোতে পরিণত হয়। এ যেন তরুণ-তরুণী, কিশোর- কিশোরী, প্রেমিক-প্রেমিকার মিলন মেলা। যেখানে নেই ঝগড়া-বিবাদ এমনকি ধনী-গরিবের ভেদাভেদ। হাতিরঝিলের এফডিসি গেটের বাস ও ওয়াটার (ট্যাক্সি সার্ভিস) বাসগুলোতে টিকিটের জন্য যাত্রীদের ছিলো দীর্ঘ লাইন। অতিরিক্ত গরমে দর্শনার্থীদের মধ্যে ক্লান্তির ছাপ দেখা গেলেও মনের আনন্দের কাছে এ যেন কিছুই না। একই অবস্থা গুলশানসহ অন্যান্য বাস ও ওয়াটার বাস কাউন্টারগুলোতে। ফলে শিশুদের হাতিরঝিল দেখাতে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে বাবা মাকে। রাজধানীর উত্তরা থেকে সন্তানদের নিয়ে আসা অপূর্ব কুমার বলেন, পৌনে এক ঘণ্টা লাইনে দাঁডিয়ে ওয়াটার বাসের টিকিট পেয়েছি। এতে আমার ছেলে-মেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তারপরও নতুন বছর উপলক্ষে এটা আমার কাছে কোনো কষ্ট মনে হচ্ছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ