ঢাকা, রোববার 16 April 2017, ৩ বৈশাখ ১৪২৩, ১৮ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মরিচ চাষে স্বাবলম্বী তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষকরা

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার চরাঞ্চলে একটি মরিচ ক্ষেত

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চলে কৃষকরা মরিচসহ নানাবিধ রবি শস্য চাষাবাদ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। তিস্তার চরাঞ্চলের মরিচ এখন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা  হচ্ছে। রবি শস্য ক্ষেতে স্ত্রী-পুত্র পরিজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। বর্তমানে চরাঞ্চলে মরিচ, পিঁয়াজ, রসুন, বাদাম, ভুট্টা, মিষ্টি কুমড়া, বডবডি, গাজর, আদা, বেগুন, শসা, করলা, ঢ্যাঁড়শ, পটল, মিষ্টি আলুসহ নানাবিধ ফসলে ভরে উঠেছে।
উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চ-ীপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর চরাঞ্চল আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। তিস্তার কড়াল গ্রাসে বাপ-দাদার ভিটা মাটি ছেড়ে যাওয়া পরিবার গুলো পুনরায় চরে ফিরে এসব রবি শস্য চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে।
কথা হয় হরিপুর চরাঞ্চলের কৃষক বিদ্যুৎ কুমার দেব শর্মার সাথে। তিনি জানান, উজান থেকে নেমে আসা পলি জমে তিস্তার চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে।  আমরা সেই বাপ-দাদার ভিটা মাটিতে বিভিন্ন  ফসলের চাষাবাদ করে সংসার পরিচালনা করে আসছি। বর্তমানে চরাঞ্চলে নানা রকম ফসলের চাষাবাদ খুব ভাল হচ্ছে। অল্প খরচে অধিক লাভ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি জানান আমি ২ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছি। এক সপ্তাহ পর পর আমি ২ বিঘা জমির মরিচ বিক্রি করে ৫ হতে ৬ হাজার টাকা আয় করছি। এছাড়া পিয়াজ, ভুট্টা হতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় করব। চরাঞ্চল বাসিরা এখন কৃষির উপর নির্ভরশীল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ