ঢাকা, মঙ্গলবার 18 April 2017, ৫ বৈশাখ ১৪২৩, ২০ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সুন্দরগঞ্জে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শতাধিক ছাগলের মৃত্যু

গাইবান্ধা: সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ছাগলের প্রেসটিডিস পেসটিটস্ রুমিনেন্ট (পিপিআর) রোগ মহামারী আকার ধারণ করেছে

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ছাগলের প্রেসটিডিস পেসটিটস্ রুমিনেন্ট (পিপিআর) রোগ মহামারী আকার ধারণ করেছে।
জানা গেছে, উপজেলায় প্রতি বছর এ সময় এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এ বছর এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কমপক্ষে শতাধিক ছাগল মারা গেছে। এছাড়াও গ্রাম-গঞ্জে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শত শত ছাগল মৃতুর প্রহর গুনছে। প্রতিদিন আক্রান্ত ২৫/৩০টি করে ছাগল নিয়ে মালিকেরা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে চিকিৎসা নিতে আসছেন। অনেকে পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চিকিৎসা দিলেও রক্ষা করতে পারছেন না এ রোগে আক্রান্ত ছাগল গুলোকে। এলাকাগুলো হচ্ছে- পৌরসভা, তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, কাপাসিয়া, চন্ডিপুর, কঞ্চিবাড়ি, শ্রীপুর, ছাপড়হাটী ও সোনরায়  ইউনিয়ন। গত ৭ দিনেও এ রোগে আক্রান্ত হয়ে পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের শ্যামল চন্দ্রের খামারের ২৫, থানাপাড়ার আব্দুর রশিদের ১৫, তারাপুরের ফরিদুল ইসলামের ৫টি ছাগলসহ অন্যান্য এলাকায় শতাধিক ছাগল মারা গেছে।  ছাগল খামারী শ্যামল চন্দ্র জানান, সকালে ছাগলের পাতলা পায়খানা ও নাক দিয়ে পানি পড়া শুরু করলে চিকিৎসা দিলেও কোন ফল পাওয়া যায় না। বিকাল হতে না হতেই মারা যায়। এ অবস্থায় তার খামারের সকল ছাগলই পর্যাযক্রমে মারা যায়। উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন ডাক্তার রেবা বেগম জানান  প্রতি বছর এসময় ছাগলের মধ্যে পিপিআর রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তবে আক্রান্ত হবার আগেই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলেই ছাগলের মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে না। ছাগলের বয়ষ ৪ মাস হলে একবার ও প্রতি বছর একবার করে ভ্যাকসিন দেয়ার নিয়ম থাকলেও ছাগল মালিকরা তা করছেন না বলেও জানান তিনি। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার সাহাব উদ্দিন জানান, পিপিআর রোগের ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ রয়েছে। তবে জনবল সংকটের কারণে গ্রামে-গঞ্জে গিয়ে তা  প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ