ঢাকা, মঙ্গলবার 18 April 2017, ৫ বৈশাখ ১৪২৩, ২০ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মামলা জটিলতা থেকে মুক্ত হতে পারছে না খুলনা টেক্সটাইল মিল

খুলনা অফিস : মামলা জটিলতা থেকে মুক্ত হতে পারছে না খুলনা টেক্সটাইল মিল। এ জন্য বহু প্রতিক্ষিত খুলনা টেক্সটাইল পল্লীর ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকা যেন থেকেই যাচ্ছে। যদিও প্লট নির্ধারনের জন্য ইতোমধ্যে সার্ভেয়ার নিয়োগ করতে টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। টেন্ডারে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দরপত্র জমা দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। কেন্দ্রের অনুমতি পেলে উক্ত পাঁচটি থেকে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে প্লট নির্ধারণ হতে পারে।
এদিকে, এলাকাবাসীর দাবি উপেক্ষা করে টেক্সটাইল মিলের সামনের রাস্তাটি প্রশস্তনা করেই টেক্সটাইল পল্লীর নকশা তৈরি হতে যাচ্ছে। এতে ওই রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের পাশাপাশি যানজটের মধ্যে পড়তে হতে পারে টেক্সটাইল পল্লীর জন্য যাতায়তকারী বাহনগুলোকেও। এজন্য প্লট নির্ধারনের সাথে সাথে সড়ক প্রশস্তকরণের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে দেখার দাবি উঠেছে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ কর্পোরেশন-বিটিএমসি’র সূত্র জানায়, টেক্সটাইল পল্লী প্রকল্পের কাজ যখন কয়েক ধাপ এগিয়ে যায় ঠিক তখনই আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে মাহমুদ আলী নামের এক ব্যক্তি মিলের মালিকানা দাবি করে হাইকোর্টে রীট পিটিশন করেন। যেটি এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বিটিএমসি। যেহেতু এটি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্প সেহেতু বিটিএমসির অন্যান্য মামলার মধ্যে এটিকেই তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে। বিটিএমসির পক্ষে রীটের বিরুদ্ধে লড়ছেন স্বয়ং এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এবং সিনিয়র আইনজীবী ওবায়দুর রহমান। তাদের চেষ্টায় মামলাটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ জন্যই প্রধান বিচারপতি নিজেই বিচারপতি রেফাত আহমেদের সমন্বয়ে একটি স্পেশাল বেঞ্চ গঠন করে দেন। ওই বেঞ্চে মামলাটির শুনানী শেষে ওই একটিমাত্র মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত দিনে দেখা গেলো মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হলো না।
এ ব্যাপারে বিটিএমসির আইন উপদেষ্টা এডভোকেট মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসারের অবহেলার কারণে মামলাটি নির্ধারিত দিনে তালিকাভুক্ত না করায় আবারো টেক্সটাইল পল্লী প্রকল্পের কার্যক্রম পিছিয়ে গেলো। এ ধরনের অবহেলার দায়ে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আইন উপদেষ্টা উক্ত বেঞ্চ অফিসারের কাছে গিয়ে মামলাটি তালিকাভুক্ত না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন ‘কিছু প্রক্রিয়া করতে পারিনি বলে হয়নি’। প্রক্রিয়া বলতে তিনি কি বোঝাতে চেয়েছেন সেটিই প্রশ্নের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন বিটিএমসির আইন উপদেষ্টা ফিরোজ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ