ঢাকা, বুধবার 19 April 2017, ৬ বৈশাখ ১৪২৩, ২১ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মোহামেডানে আসছে ভারতীয় কোচ সৈয়দ নইমুদ্দিন

স্পোর্টস রিপোর্টার : প্রথমবারের মতো মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ফুটবল দলের দায়িত্ব নিতে ঢাকায় আসছেন ভারতের বর্ষিয়ান কোচ সৈয়দ নইমুদ্দিন। ক্লাবটির ফুটবল ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু জানালেন আগামী ৩/৪ দিনের মধ্যেই ঢাকায় আসবেন এই কোচ।
 ইতিমধ্যেই এই কোচের সাথে আলোচনা চুড়ান্ত করেছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক আলোচনা অনুযায়ী মঙ্গলবারই ঢাকায় আসার কথা ছিলো ভারতীয় এই কোচের। কিন্তু পারিবারিক কারণে বিলম্ব হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেই আসবেন বলে আশাবাদী বাবু।
অনেকটা নাটকীয়ভাবেই এবার মোহামেডানের দায়িত্ব নিতে আসছেন বাংলাদেশ ও ভারত জাতীয় দলের সাবেক এ কোচ। এর আগে ৬ মৌসুম ব্রাদার্সের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
এ বছরও তার দাঁড়ানোর কথা ছিল গোপীবাগের ক্লাবটির ডাগআউটে। কিন্তু হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত বদলিয়ে ৭৩ বছর বয়সী এ কোচ আসছেন মতিঝিলের ক্লাবটিতে। ঢাকার ফুটবলে সৈয়দ নইমুদ্দিন প্রথম কোচিং করান ২০০৪ সালে ব্রাদার্সে। তার ছোঁয়াতেই গোপীবাগের ক্লাবটি জিতেছিল প্রথম ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগ শিরোপা। তারপর যতবার ঢাকার ক্লাব ফুটবলে কাজ করেছেন তিনি, সববারই কমলা শিবিরে। মাঝে একবার ২০০৬ সালে নিয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের দায়িত্ব। প্রথমবারের মতো নইমুদ্দিনকে দেখা যাবে বাংলাদেশের অন্য ক্লাবে।
মোহামেডানের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু জানালেন, নতুন কোচ আসার পরপরই দলের ফেডারেশন কাপের প্রস্তুতি পর্ব শুরু হবে। সেই সাথে নইমুদ্দিন আসার পরই সাদা-কালোরা সম্পন্ন করতে পারে খেলোয়াড়দের নিবন্ধন কার্যক্রম। এমিলি, মিঠুন চৌধুরী, কোমল, শরীফ, মিন্টু শেখ ও মামুনখানসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র ফুটবলার এবার দলে ভিড়িয়েছে মোহামেডান। সিনিয়র খেলোয়াড় নেওয়ার কারণেই মোহামেডান তাদের বর্তমান কোচ আবুদল কাইয়ুম সেন্টুর বিকল্প খুঁজছিল। সাদা-কালোদের সেই বিকল্প- সৈয়দ নাইমুদ্দিন।
সেন্টুকে অবশ্য বাদ দিচ্ছে না মোহামেডান। যদি সে বিকল্প কিছু না খোঁজে। ক্লাবটির ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুইয়া বলেছেন,‘সেন্টু সহকারী কোচ হিসেবে থাকবে। ক্লাব তাকে সম্মান দিয়েই রাখবে।’ নইমুদ্দিনের মতো কোচের অধীনে সহকারী হি ক্লাবটির ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুইয়া বলেছেন,‘ সেন্টু সহকারী কোচ হিসেবে থাকবে। ক্লাব তাকে সম্মান দিয়েই রাখবে।’ নইমুদ্দিনের মতো কোচের অধীনে সহকারী হিসেবে কাজ করতে সেন্টুর কোনো আপত্তিও নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ