ঢাকা, বুধবার 19 April 2017, ৬ বৈশাখ ১৪২৩, ২১ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

যাত্রী ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি যাত্রী কল্যাণের

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত সিটিং সার্ভিসের নৈরাজ্য বন্ধ কার্যক্রম পরিদর্শন পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নিরাপদ সড়ক চাই এর আহ্বায়ক চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : নগরীতে যাত্রী ভোগান্তি কমাতে পরিকল্পিত, সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে সিটিং সার্ভিস বন্ধের নামে অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে যারা জড়িত তাদের রুট পারমিট বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, আসন বিবেচনা করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিটি ৩১ আসনের মিনিবাসে ৬টি সিট খালি নিয়ে সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় সিটিং হিসেবে যাতায়াত করার কথা। উন্নত বিশ্বে সেটাই হয়ে থাকে। কিন্তু নগরীতে চলাচলকারী প্রতিটি বাসে নিবন্ধনের অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫টি আসন সংযোজন করায় সিটিং হিসেবে চলাচল করলেও ১০ থেকে ১৫ জন যাত্রী এমনিতেই অতিরিক্ত বা ওভারলোড থাকে। যা আইনগত নিষিদ্ধ।
যাত্রীদের শায়েস্তা করতে মিরপুর রুটের অধিকাংশ বাসে মাস্তান প্রকৃতির কিছু লোক রাখা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বাড়তি ভাড়া নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুললে তারা যাত্রীদের নানাভাবে অপদস্ত করছেন।
মোজাম্মেল হক বলেন, সিটিং সার্ভিসের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় দ্রত বন্ধ করা না গেলে সেটি অচিরেই বৈধতা পেয়ে যাবে। কারণ অতীতেও মালিকদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাত্রীরা অনিয়মের কাছে আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়েছে। এ জন্য এসব অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনকে আরও দৃঢ় হওয়া উচিত।
বর্তমান বিশৃংখলার  জন্য পরিবহন মালিক সমিতি দায়ী। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তারা লোকালের ভাড়া নির্ধারণ না করেই সিটিং পরিবহন বন্ধের ঘোষণা দিলেন। আর এ ঘোষণার প্রতিবাদে সিটিং বাস সার্ভিসের মালিকরা বাস বন্ধ করে দেয়। এতে করে পরিবহন সংকটে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পরিবহন সমিতি সিটিং বন্ধের ঘোষণা দিলেও কোন্্ রুটে কত ভাড়া হবে তা উল্লেখ্য করেনি। ফলে বাস লোকাল হলেও ভাড়া সিটিং রয়ে গেছে। ফলে যাত্রীরা আগের চেয়ে আরও বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ