ঢাকা, শুক্রবার 21 April 2017, ৮ বৈশাখ ১৪২৩, ২৩ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়েছে সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলের কৃষক

সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা) সংবাদদাতা : কম খরচে অধিক লাভের আশায় বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষকরা। তিস্তার বুকে ধূ-ধূ বালুচরে বাদাম চাষ করছে চরের কৃষকরা। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর চরাঞ্চল এখন আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। চরের জমি-জিরাত খুঁয়ে যাওয়া পরিবারগুলো তাদের প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্ত্রী পুত্র পরিজন নিয়ে দিন রাত পরিশ্রম করে চরের জমিতে চাষাবাদ করেছে নানাবিধ ফসলের। চরে উল্লেখ্য যোগ্য ফসল সমূহ হচ্ছে-আলু, পটল, বেগুন, তামাক, ভুট্টা, গম, মরিচ, পিঁয়াজ, রসুন, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, তোষা পাট, তিশি, বটবটি, বোল কচু, ভেন্ডি, ওঁল কচু, বাদাম ও ইরি বোরো চাষাবাদ। আজ থেকে ৫ বছর আগে চরে বাদামের চাষাবাদ হয়নি। দিনের পর দিন অধিক লাভের আশায় বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়েছে কৃষকরা। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের রিয়াজ মিয়ার চরে গিয়ে দেখা গেছে-বাদামের ব্যাপক চাষাবাদ। কথা হয় বাদাম চাষী আব্দুর রউফ মিয়ার সাথে। তিনি জানান-বালু মাটিতে বাদামের ভাল ফলন হয়। তাই গত দুই বছর ধরে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি বাদাম চাষ করতে শুরু করেছি। গত বছর এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ৩০ হাজার টাকা লাভ করেছি। এজন্য এ বছর দুই বিঘা জমিতে বাদাম লাগিয়েছি। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে-উপজেলা চরাঞ্চলে চলতি বছর ৬০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ২০ হেক্টর বেশি। বর্তমান প্রতি মণ বাদাম এক হাজার হতে এক হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম জানান-অধিক লাভের আশায় চরাঞ্চলের কৃষকরা বাদাম চাষ করতে শুরু করেছে। বালু মাটি বাদাম চাষের উপযোগি। এ কারণে দিন-দিন চরে বাদাম চাষের পরিমাণ বেড়েই চলছে।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ