ঢাকা, শনিবার 22 April 2017, ৯ বৈশাখ ১৪২৩, ২৪ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনা জোনে হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের ৭৮ মামলা : বকেয়া ১২ কোটি টাকা

খুলনা অফিস: বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন খুলনা জোনে ঋণ মঞ্জুর, বিতরণ, আদায় ও মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১০০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি শুর” হয়েছে। এজন্য ক্রাস প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে দু’টি দল সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এ তিন জেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে খুলনা জোন। এ জোনের অধীনে এক হাজার ৬৭২জন গ্রাহক রয়েছে। তাদের মধ্যে এখন ৭৮টি মামলা ও ১৬ কোটি টাকা অনাদায়ী রয়েছে। বকেয়া ঋণ আদায়ের জন্য এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। পাওনা টাকার মধ্যে খুলনায় জেলায় বেশী। গত ২১ জানুয়ারি ১০০দিনের কর্মসূচি শুর” হওয়া এ কর্মসূচি আগামী ৩০ এপ্রিল শেষ হবে। বকেয়া ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মার্চ পর্যন্ত আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৩০লাখ। শতকরা ৫১শতাংশ। আদায় সন্তোষজনক।
সূত্র আরো জানায়, খুলনায় ব্যক্তি পর্যায়ে ২৮-৩০ লাখ পর্যন্ত ঋণ রয়েছে। ১৫ বছর মেয়াদী প্রতি মাসে ১০শতাংশ হারে কিস্তিতে জমা দেয়ার কথা থাকলেও তা পরিশোধ করছে না গ্রহীতাগণ। মামলা নিস্পত্তি হলে আরো বকেয়া আদায় হবে। ১৬ কোটি টাকা পাওনার  বিপরীতে  ১০৬টি মামলার মধ্যে ক্রাস প্রোগ্রামের আওতায় ২৮টি নিস্পত্তি করা হয়। এ সময় কোটি টাকা বকেয়া আদায় করা হয়েছে। জোনাল ম্যানেজার মো. শহিদুজ্জামান’র সঠিক তত্বাবধানে বকেয়া ঋণ আদায় কার্যক্রম চলছে। জমি বন্ধকীর বিপরীতে আবাসিক ঋণ দেয়া হয়। বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল আমীন ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সুলতান মাহমুদের নেতৃত্বে ৭জন করে মোট ১৪ জন সকাল ও বিকেলে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করে বকেয়া আদায়ের কাজ পরিচালনা করছেন।
সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল আমীন বলেন, গরীব লোকে সঠিক সময় তাদের পাওনা পরিশোধ করে থাকেন। আর বিত্তবানরা সঠিক সময় টাকা দিচ্ছেন না। মামলাও হচ্ছে তাদের নামে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে তাদের বির”দ্ধে মামলা ও জমি নিলাম হবে। তিনি অবিলম্বে বকেয়া ঋণ পরিশোধের জন্য গ্রাহকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ